ব্লেড-সুতো বা চুন দিয়ে আঁচিল তোলেন! জানেন এই টোটকা কতটা বিপজ্জনক?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শরীরে হঠাৎ ছোট্ট একটা গুটি! কিন্তু সেই গুটি যদি আঁচিল হয়, তা হলে বিষয়টি নিয়ে ভাবা জরুরি। কিছু আঁচিল ছোঁয়াচেও হতে পারে। আবার খোঁচাখুঁচি বা ঘষাঘষি করলে শরীরের অন্য জায়গাতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই আঁচিল নিয়ে কী করা উচিত, আর কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি, তা জানা দরকার।

আঁচিল কেন হয়?

আঁচিল মূলত হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা HPV-এর সংক্রমণের কারণে তৈরি হয়। এই ভাইরাস ত্বকের উপরিভাগে ঢুকে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। ত্বকে ছোট কাটা বা ক্ষত থাকলে ভাইরাস ঢোকার সুযোগ আরও বাড়ে। আঁচিল সংক্রামকও। আক্রান্ত ব্যক্তির আঁচিলে সরাসরি হাত লাগলে সংক্রমণ হতে পারে। আবার তোয়ালে, রেজার বা অন্যান্য ব্যক্তিগত জিনিস ভাগ করে ব্যবহার করলেও ঝুঁকি থাকে। নিজের আঁচিল বারবার খোঁচানো, কামড়ানো বা ঘষার অভ্যাস থাকলে শরীরের অন্য অংশেও ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে।

সব আঁচিল এক রকম নয়

কমন ওয়ার্ট: হাত, আঙুল, নখের চারপাশ কিংবা কনুইয়ে বেশি দেখা যায়। সাধারণত এগুলির উপরিভাগ শক্ত ও খসখসে হয়।

প্ল্যান্টার ওয়ার্ট: পায়ের তলায় তৈরি হয়। হাঁটার সময় শরীরের ওজনের চাপ পড়ায় এগুলি ত্বকের গভীরে ঢুকে যেতে পারে। ফলে ব্যথা হতে পারে। কখনও ছোট কালো বিন্দুও দেখা যায়।

ফ্ল্যাট ওয়ার্ট: আকারে ছোট, মসৃণ এবং তুলনামূলক চ্যাপটা। মুখ, হাত বা পায়ে একসঙ্গে অনেকগুলি দেখা দিতে পারে।

ফিলিফর্ম ওয়ার্ট: সরু ও সুতোর মতো দেখতে হয়। সাধারণত মুখের আশপাশে দেখা যায়।

জেনিটাল ওয়ার্ট: যৌনাঙ্গ বা তার আশপাশে তৈরি হয়। নির্দিষ্ট ধরনের HPV-এর সংক্রমণে এটি হতে পারে এবং যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। তাই এটি যৌনবাহিত সংক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত।

কী দেখে আঁচিল চিনবেন?

ত্বকের উপর শক্ত বা মাংসল গুটি, খসখসে পৃষ্ঠ এবং কিছু ক্ষেত্রে ছোট কালো বিন্দু- এগুলি আঁচিলের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। তবে ত্বকে তৈরি হওয়া প্রতিটি গুটি যে আঁচিল, এমন নয়। গুটির আকার দ্রুত বদলালে, অস্বাভাবিক ভাবে বাড়লে বা রক্তপাত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সব আঁচিলের চিকিৎসা লাগে?

অনেক ক্ষেত্রেই আঁচিল কয়েক মাস থেকে কয়েক বছরের মধ্যে নিজে থেকেই মিলিয়ে যেতে পারে। তবে ব্যথা হলে, দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বা দেখতে অস্বস্তিকর লাগলে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। কোন ধরনের চিকিৎসা দরকার, তা আঁচিলের ধরন ও অবস্থানের উপর নির্ভর করে।

আঁচিল দেখে নিজে নিজে কেটে ফেলার চেষ্টা করবেন না। ব্লেড দিয়ে কাটা, সুতো দিয়ে শক্ত করে বাঁধা কিংবা চুন-সুপারি বা কোনও ক্ষতিকর রাসায়নিক লাগানো বিপজ্জনক হতে পারে। এতে রক্তপাত, সংক্রমণ, ত্বকে পোড়া বা স্থায়ী দাগ তৈরি হতে পারে। আঁচিল খোঁচানো, কামড়ানো বা বারবার ঘষাও এড়িয়ে চলুন। ব্যক্তিগত তোয়ালে, রেজর বা অন্যান্য সামগ্রী অন্যের সঙ্গে ভাগ করে ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

এক লিটারে যাবে ২১ কিমি, মাত্র ৭.৮৪ লাখেই মিলছে সাত আসনের গাড়ি

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলায় নিহত ১০, আহত ৮০

দুর্গাপুজোর নামে ‘ভুয়ো পাস’ বিক্রি! প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি-সহ কলকাতার ১০ ঠিকানায় ইডি-র তল্লাশি

ঝর্না, লেক আর সবুজের হাতছানি, পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন ধানবাদ

দেবীপক্ষ শুরু হলে অবিবাহিত তরুণীরাও শাঁখা পরেন, কোন বনেদি বাড়িতে এমন রীতি?

বাবার জীবদ্দশায় এই ৫ কাজ করলে চরম অমঙ্গল! জানুন কি বলছে গরুড় পুরাণ

ভুলেও অন্যের হাতে সরাসরি দেবেন না এই ৫ জিনিস, ভুগবেন চরম আর্থিক সঙ্কটে

বোরকা পরে ভূমি অফিসে আচমকা হাজির জেলা প্রশাসক, তার পর যা ঘটল….

‘বছরে মহিলাদের ৪০ হাজার টাকা’, প্রমীলা ভোটারদের মন জয়ে অখিলেশের মাস্টারস্ট্রোক

মামলা বন্ধের বিনিময়ে ২ কোটি ঘুষ, এসিবির জালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

এক্সট্রা ক্লাসের নামে ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ! গ্রেফতার পাষণ্ড শিক্ষক

সোশ্যাল মিডিয়া নয়, রিয়েল লাইফে মন দিতে যুবদের নির্দেশ নীতিন নবীনের

নিলামের আগেই ছাঁটাই, ৫০ লক্ষের ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স