আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিহারের শিবমন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু ৭ ভক্তের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: এখন শ্রাবণ মাস চলছে। আর সেই শ্রাবণ মাসে দেশজুড়ে শিব মন্দিরে গিয়ে জল ঢালার পূণ্য সঞ্চয় করেন কয়েক কোটি মানুষ। আর তাই দেশের প্রখ্যাত শিবমন্দিরগুলিতে শ্রাবণ মাসে পূণ্যার্থীদের স্রোত বয়ে যায় নিত্যদিন। সোমবার আর শুক্রবার সেই স্রোত কোথাও কোথাও জনসুনামির আকার নেয়। এদিন শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। তাই রবিবার রাত থেকেই অনেকেই নানা শিবমন্দিরে লাইন দিয়েছেন এদিন সকালে বাবার মাথায় জল ঢালবেন বলে। আর সেই সূত্রেই বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল রবিবার রাতে বিহারের(Bihar) জেহনাবাদ জেলার(Jehanabad District) বাবা সিদ্ধনাথ মন্দিরে(Baba Siddhinath Mandir)। সেখানে পদপিষ্ট হয়ে মারা(Stamped Death) গেলেন ৭জন শিবভক্ত(Shiv Devotees)। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে। আহতের সংখ্যা ৩০।

আরও পড়ুন, উচ্চমাধ্যমিকের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই স্নাতকে আসন কমুক, চাইছেন শিক্ষা প্রশাসকেরা

জেহনাবাদ জেলার বাবা সিদ্ধনাথ মন্দির সেখানকার অন্যতম জনপ্রিয় শিবমন্দির। শ্রাবণ মাসে সেখানে বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে ভিড় বেশি থাকে। রবিবার রাতে শিবপুজো উপলক্ষেই অনেক ভক্তের সমাগম হয়েছিল মন্দিরটিতে। পুজো উপলক্ষে ওই মন্দিরে বহু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তখনই আচমকা হুড়োহুড়ি পড়ে যায় তাঁদের মধ্যে। সকলেই আগেভাগে মন্দির থেকে বেরোনোর চেষ্টা করছিলেন। অনেকে ভিড়ের ধাক্কায় পড়ে যান। যারা পড়ে যান তাঁদের ওপর দিয়েই ভিড় ঠেলে বেড়িয়ে আসে বা মন্দিরে ঢুকে পড়ে। আর তার জেরেই ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মন্দিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও পুলিশি ব্যবস্থাই ভাল ছিল না। অনেকে ভলান্টিয়ার হিসাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাঁরাও সুশৃংখলিত ছিলেন না। অভিযোগ, এই সব ভলান্টিয়ারদের মধ্যে কেউ কেউ মদ্যপ অবস্থাতেও ছিলেন।

আরও পড়ুন, মমতা-মানসে আস্থা দুই মেদিনীপুরের, এবার চাই কেলেঘাইয়ের ওপর সেতু

মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য, এই ভলান্টিয়াররাই একসময় পুণ্যার্থীদের তাড়া দেন। অভিযোগ, লাঠিও চালানো হয় ভিড়ের ওপর। তার পরেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মন্দির থেকে বেরোনোর জন্য। আর তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা। জেহনাবাদ জেলা প্রশাসন সোমবার সকাল পর্যন্ত ৭জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। মৃতদেহগুলি এখনও শনাক্ত করা যায়নি। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সোমবার সকালে মৃত এবং আহতদের পরিজনেরা মন্দির চত্বরে জড়ো হন। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। তার পরে শনাক্তকরণের পরে তা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। আহতদের জেহনাবাদ এবং মাখদুমপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কী ভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার সকালে জেলাশাসক অলংকৃতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গণনায় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী কেন?‌ সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল, শনিবারই জরুরি শুনানি

প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো ইডি অফিসারকে বিশেষ পুরস্কার সংস্থার

বাণিজ্যিক গ্যাসের পরে এবার পেট্রল-ডিজেলের দাম লিটারপিছু ৪-৫ টাকা বাড়ছে?

চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় আত্মঘাতী ভারতীয় তরুণ, অন্ধ্রে ছেলের দেহের অপেক্ষায় ঋণগ্রস্ত বাবা

উজ্জয়নের মহাকাল মন্দির চত্বর খুঁড়তেই মিলল একবিংশ শতাব্দীর বিশাল শিবলিঙ্গ

স্বপ্নের সাজে অপেক্ষায় কনে, বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির বরের লিভ-ইন-পার্টনার! তারপর…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ