এই মুহূর্তে

‘‌ফাটাফাটি খেলা’‌ শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, বেসামাল বিরোধীরা আটকে রইল সমালোচনায়

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে স্লোগান উঠেছিল ‘খেলা হবে’। সেবার সত্যিই এমন খেলা হয়েছিল যে, মাঠের বাইরে বের করে দেওয়া হয়েছিল বিজেপিকে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উঠল ‘‌ফাটাফাটি খেলা’‌ হবে স্লোগান। আর সেটাই যেন আজ, মঙ্গলবার দেখা গেল সুপ্রিম কোর্টে। তার জেরে এখন বিজেপি নেতৃত্ব বেসামাল হয়ে পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে নিজেদের ড্যামেজ ডেকে আনল। যা কন্ট্রোল করতে পারা যাচ্ছে না।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন ভূমিকায় ব্যাপক অক্সিজেন পেল ভোটমুখী তৃণমূল। সাংসদ, মন্ত্রী, বিধায়কদের গলায় কার্যত উচ্ছ্বাসের সুর। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে গোটা সংগঠনকে নাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুতরাং খেলা যে ফাটাফাটি হয়েছে সেটা একবাক্যে মানছেন সকলেই। বাংলার সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে হেনস্থা এবং হয়রানি হওয়া ভোটাররাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন। কেউ তো একজন আছে যিনি বাংলার মানুষের জন্য এই স্তরে লড়াইকে নিয়ে গেলেন। আর তাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগের বলা কথা, ‘এবার শুধু খেলা হবে না। ফাটাফাটি খেলা হবে।’ সেটা সকলকে মনে করিয়ে দিলেন।

অন্যদিকে খেলা যে মুখ্যমন্ত্রী ঘোরাবেন তা অনেকেই আশা করেছিলেন। তবে এমনভাবে ঘোরাবেন সেটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। বিজেপির বিরুদ্ধে তিনিই যে মুখ সেটা আজকে আবার বুঝিয়ে দেওয়া গেল। বিধানসভা নির্বাচনে ঘাসফুলের যে সাফল্য মিলবে সেটা কার্যত বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাই তো বঙ্গের সব বিরোধীরাই এখন দিশেহারা। এই অবস্থায় পড়ে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর সমালোচনা, ‘‌এ সব নাটক’‌। আর এসআইআর শুরুর পর্বে যে ‘হিন্দু মধ্যবিত্ত’ অংশের ভোট বিজেপি পাবে ভাবছিল সেটা আজকে মমতার সওয়াল ভেস্তে দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এছাড়া আবার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কও অটুট রইল আজকের ঐতিহাসিক সওয়াল জবাবের পর। এমনটাও মনে করছেন অনেকে। কারণ শুধু হিন্দু হেনস্থার শিকার হচ্ছিল তা নয়, সংখ্যালঘুরাও হেনস্থার শিকার হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সুতরাং এখন আর হুমায়ুনের নতুন দল তেমন সাফল্য পাবে না বলেই মত অনেকের। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের নীচুতলার কর্মীরাও ব্যাপক চাঙ্গা হল সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলনেত্রীর লড়াই দেখে। সুতরাং বুথে জানপ্রাণ লড়িয়ে দেবেন তাঁরা। তাই তো আজ শুনানি শেষের পর রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছেন, ‘এমন নেত্রী কখনও দেখিনি।’ আর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে নজির গড়লেন মমতাদি। দেশের ইতিহাসে ৪ ফেব্রুয়ারি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’‌ আগামী সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি না গেলেও খেলা ফাটাফাটি রয়েই গেল।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

দিঘায় সমুদ্রের বালি চুরি চক্র, ৩টি ডাম্পার সহ গ্রেফতার ৬ পাচারকারী

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ঠিকাদারের হাতে খুন হলেন পরিযায়ী শ্রমিক

লক্ষ্মীবারে রাজ্য বাজেটে সরকারি কর্মচারিদের জন্য কত শতাংশ ডিএ ঘোষণা? জল্পনা তুঙ্গে

‘ফিরহাদ হাকিম মুর্শিদাবাদে পা রাখলে আস্ত ফিরবেন না’, হুমকি হুমায়ুন কবীরের

মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় স্কুল ইন্সপেক্টরকে মারধর, প্রধান শিক্ষক-সহ ৮ জন সাসপেন্ড

হাওড়া ব্রিজে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে প্রৌঢ়ের দেহ, পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ