এই মুহূর্তে

নির্বাচন কমিশন–সিইও দফতরের বিরুদ্ধে মামলা করলেন মুখ্যমন্ত্রী, সাক্ষাতের আগেই সংঘাত

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ দেশের নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর এই মামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। আগামীকাল, সোমবার নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তার আগেই দু’‌পক্ষের মধ্যে সংঘাতের বাতাবরণ তৈরি হল বলে মনে করা হচ্ছে। আজ রবিবার নয়াদিল্লি রওনা হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে এসআইআর নিয়ে বারবার সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী সুপ্রিম কোর্টে তাঁর দলের সাংসদদের মামলায় জোর ধাক্কা খেয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এই রাজধানী সফরের আগে ষষ্ঠবার চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনারকে। এবার দিল্লিতে পা রেখেই রিট পিটিশন ফাইল করেছেন। আগামী বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে রাজ্যের এসআইআর মামলার শুনানি রয়েছে। আর চলতি সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রীর দায়ের করা মামলার শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সাংসদ দোলা সেন, ডেরেক ও ব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্রের দায়ের করা মামলার শুনানি হবে ৩ ফেব্রুয়ারি।

অন্যদিকে কদিন আগেই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন সেখান থেকে বেরিয়ে এসে সুর সপ্তমে চড়িয়েছিলেন তিনি। আর ওখান থেকেই বলেছিলেন, এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন। পারলে সামলাতে। ঠিক তেমনই হল। নয়াদিল্লিতে পা রেখেই মামলা দায়ের করলেন সর্বোচ্চ আদালতে। সেখানে সাধারণ মানুষের হয়ে সওয়ালও করতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলে সূত্রের খবর। এই কথা একাধিক সভা থেকে বলেছেন তিনি। শনিবার যে চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছিলেন সেখানে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক আইনের বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী পত্রাঘাত অপরদিকে মামলা দায়ের করে সাক্ষাতের আগেই জ্ঞানেশ কুমারেরর উপর চাপ বাড়াল বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে এসআইআর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে থেকে শুরু করে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরব হয়েছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। গোটা প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তিনি। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ কিংবা ১৯৬০—কোনও ধারাতেই মাইক্রো অবজারভারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার কথা বলা নেই। আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ, দাবি ও আপত্তির শুনানি, নথি যাচাই এবং অন্তর্ভুক্তি বা বিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র ইআরও এবং এইআরও’‌দের হাতেই আছে। সেখানে মাইক্রো অবজারভারদের সক্রিয় হস্তক্ষেপ আইনসঙ্গত নয় বলেই চিঠিতে দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

গোলপার্কে পিকনিককে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতীদের হামলা, চলল বোমা – গুলি, আহত ২

বিধানসভা নির্বাচনের আগে মালদহের মোথাবাড়ি বিধানসভায় কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন

গাজলে ১১ হাজার ভোল্টের ঝুলন্ত তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চাষির মৃত্যু

চাঁচলে ভূমি সংস্কার দফতরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে জলাশয় ভরাটের অভিযোগ

ভগবানপুরে প্রকাশ্য মঞ্চে সাধু-সন্তের ওপর ‘হামলা’, পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত

টিকিট কাউন্টারে আর লম্বা লাইন নয়, ব্যস্ত সময়ে মেট্রো সফর হবে আরও সহজ, জানুন নতুন নিয়ম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ