‘শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মানসিকতা কখনও বদলাবে না’, গঞ্জনার হাত থেকে মুক্তি পেতে আত্মঘাতী শিক্ষিকা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, দেহরাদুন: মাত্র আট মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল। এক রাশ স্বপ্ন নিয়ে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে স্বামীর হাত ধরে শ্বশুরবাড়িতে পা রেখেছিলেন দেহরাদুনের সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা সৃষ্টি কান্ধারি। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই সেই স্বপ্ন ভেঙে খানখান হয়ে গেল।  যৌতুকের জন্য সৃষ্টির উপরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতে শুরু করলেন স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। কথায়-কথায় ‘অপয়া’ বলে খোঁচাও দিত। ওই চরম অপমান আর মেনে নিতে পারেনি সৃষ্টি। গতকাল বুধবার (২৯ জুলাই) আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তবে চরম পথ বেছে নেওয়ার আগে ৯০ সেকেন্ডের এক ভিডিও পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। ওই ভিডিওতে যেমন সৃষ্টির চোখ দিয়ে অঝোরে জল ঝরা দেখা গিয়েছে, তেমনই ক্ষমা প্রার্থনা আর বিয়ের পর থেকে মাসের পর মাস ধরে ‘অপয়া’  বলে গঞ্জনা সহ্য করার আক্ষেপও শোনা গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে ওই মন ভাঙা ভিডিও।

গত বছরের নভেম্বরে সরকারি কর্মচারি সৌরভ রাতুরির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা সৃষ্টি কান্ধারি। দেহরাদুন শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ডোইওয়ালা এলাকায় বসবাস করতেন। গতকাল বুধবার আত্মহত্যার আগে ৯০ সেকেন্ডের এক ভিডিও রেকর্ড করেন সৃষ্টি। তাতে অঝোরে কাঁদতে ও চোখের জল মুছতে দেখা যায় তাঁকে।  ভিডিও শুরুর ৩৫ সেকেন্ড পর সৃষ্টি প্রথম কথাটি বলতে সক্ষম হন। কান্নায় ভেঙে পড়ে সৃষ্টি বলতে থাকেন, ‘দুঃখিত মা, আমি এভাবেই চলে যাচ্ছি। সবকিছু কেমন যেন অদ্ভুত হয়ে গিয়েছে। ছয় মাস ধরে আমি এসব সহ্য করে আসছি… কিন্তু এখন আর পারছি না। ওদের মানসিকতা কখনই বদলাবে না। বিয়ের পর যা কিছু ঘটেছে, তার সবকিছুর জন্য ওরা আমাকেই দায়ী করে। আমাকে ‘অপয়া’ (মানহুস) বলে গঞ্জনা দেয়।’

মেয়ের আত্মহত্যার খবর পেয়েই দোইওয়ালা থানায় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন সৃষ্টির মা। অভিযোগপত্রে সৃষ্টির স্বামী সৌরভ, শাশুড়ি প্রবীণা এবং ননদ চারুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে সৃষ্টির মা দাবি করেছেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে তাঁর মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। পাশাপাশি, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে ‘অপয়া’ বলে গঞ্জনা দিত। দোইওয়ালার সার্কেল অফিসার (সিও) বন্দনা ভার্মা জানিয়েছেন যে, সৃষ্টির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।’

জানেন কেন কিডনির গ্লুকোজ সহনশীলতার সর্বোচ্চসীমা ১৮০ মিলিগ্রাম হয়?

গা ছমছমে অনুভূতি পেতে চান? কার্শিয়াঙের এই জায়গায় গেলেই মিলবে ‘মুণ্ডহীন’ ভূতের দেখা

ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, কুলগাঁওয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক

‘তাহিরের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল’, বললেন নিহত গোয়েন্দাকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাই

প্রতিদিন এক কাপ ব্ল্যাক কফিতেই সুরক্ষিত থাকবে হার্ট ও লিভার

সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? চাকরির সঙ্গে ভালবাসা বাঁচাতে খেয়াল রাখুন এই বিষয়ে..

ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদির সঙ্গে বৈঠক ট্রাম্পের বিশেষ দূতের, জোর জল্পনা

অভিভাবকদের ফেসবুক আসক্তি কি পরিবারে দূরত্ব বাড়াচ্ছে? সমাজমাধ্যম থেকে দূরে থাকার উপায়

রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার মনোনীত সদস্যের তালিকা প্রকাশ করল বিকাশ ভবন

আশ্রয়ের খোঁজে মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় যেতে গিয়ে সলিল সমাধি ৪১ জনের

ডিমের পর মিড ডে মিলে এবার পড়ুয়াদের পাতে মাছও! বড় ঘোষণা নিশীথের

৫৩ বছর আগে অপহরণের চিঠি বোতলে ভরে ভাসানো হয়েছিল সমুদ্রের জলে, তার পর…

পার্কিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

১৮ বছর বাদে বাড়ি ফিরলেন ‘মৃত’ দাদা, ভূত দেখার মতো চমকে উঠলেন ভাই