১০ বছর ধরে সবাইকে দাবিয়ে রাখার ফল গুণছেন মোদি-শাহ, তাতেই ভোট পড়ছে কম

পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, বিজেপির নিজের ভোটব্যাঙ্ক যেখানে শক্তিশালী, সেইসব রাজ্য এবং লোকসভা কেন্দ্রগুলিতেও ভোটাররা বুথমুখী হচ্ছেন না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপির কোনও ইস্যুই এবারের নির্বাচনকে দেশব্যাপী প্রভাবিত করতে পারছে না। এই প্রথম বিজেপির কোনও স্লোগান অথবা থিম সেভাবে সাড়া জাগাতে পারছে না ভোটের ময়দানে। মোদির ‘গ্যারান্টি’ও না। এমনকি নেই বিন্দুমাত্র রামমন্দিরের হাওয়াও। প্রথম দহার ভোট থেকেই শুরু হয়েছিল ভোট কম পড়ার প্রবণতা। পঞ্চম দফার ভোট পর্ব শেষেও তা অব্যাহত। আর তার জেরেই দেশজুড়ে প্রশ্ন ঘুরছে ভোট কম পড়ছে কেন? মোদি হাওয়াই বা কোথায় গেল? যে ভোত জমা হচ্ছে ইভিএমে তা পড়ছে কার ঝুলিতে? ২০১৪ আর ২০১৯’র মতো ভোটারদের মধ্যে এবার(Loksabha Election 2024) আর সেই উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না কেন? সর্বত্র কেন এক অস্বস্তিকর নীরবতা? এই প্রশ্নগুলোই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিজেপির(BJP) অন্দরে। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের পর উঁকিঝুঁকি মারা প্রশ্নগুলো প্রত্যেক দফার শেষে তীব্রতর হয়ে উঠছে। আর কপালে ভাঁজ বাড়ছে বিজেপির। নড়াচড়া পড়ে গিয়েছে নেতৃত্বের শীর্ষস্তর পর্যন্ত। আর নীচু তলায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, রাখো আরও চোখ দেখিয়ে চুপ করিয়ে। রাখো আরও হুমকি ধমকি দিয়ে চুপ থাকতে। রাখো আরও এজেন্সি দেখিয়ে বসিয়ে রাখতে। রাখো আরও কোনঠাসা করে। সব কিছুরই এখন হিসাব চোকাতে হবে সুদে আসলে কড়ায় গন্ডায়।

পদ্ম সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার পঞ্চম দফা চালাকালীনই সদর দপ্তরে দলের সব সাধারণ সম্পাদক ও উচ্চ পদাধিকারীদের নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা(J P Nadda)। ভোটের মাঝে বিজেপির এমন স্ট্র্যাটেজি বৈঠক এক কথায় নজিরবিহীন। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের থেকে আগেই রিপোর্ট নেওয়া ছিল। সোমবার শীর্ষস্তরের থেকে ভোটের গতিপ্রকৃতি সংক্রান্ত ফিডব্যাক নিয়েছেন নাড্ডা। যদিও এই রিপোর্ট তলবের নেপথ্যে যে আসলে নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)-অমিত শাহ(Amit Shah) রয়েছেন, সে ব্যাপারে দলের অন্দরে সংশয় নেই। বৈঠকে ছিলেন বি এল সন্তোষ, অশ্বিনী বৈষ্ণবরাও। বৈঠলের অন্যতম আলোচ্য ছিল, ভোটের হারে ধস। শহর কিংবা গ্রাম, ভোট কেন কম পড়ছে, সেটা জানার জন্য দ্বিতীয় দফার পরই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে থাকা দলীয় নেতৃত্বকে বলা হয়েছিল বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাতে। বিজেপির কাছে চিন্তার কারণ হল, বিগত তিন বছর ধরে সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে বুথ স্তরের সংগঠনে। উচ্চ পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠক কিংবা কৌশল নির্মাণে নয়। অনেক বেশি আলোচনা হয়েছিল বুথ স্তর কমিটি গঠন এবং তাদের দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে। অথচ এখন দেখা যাচ্ছে, বিজেপি শাসিত রাজ্য হোক কী অ-বিজেপি শাসিত রাজ্য, সর্বত্রই নীচুতলার নেতাকর্মীরাই কার্যত বসে গিয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, বিজেপির নিজের ভোটব্যাঙ্ক যেখানে শক্তিশালী, সেইসব রাজ্য এবং লোকসভা কেন্দ্রগুলিতেও ভোটাররা বুথমুখী হচ্ছেন না।

এখন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছেন, বিজেপির বুথ স্তরের কর্মী ও নেতারাই ভোটারদের বুথে নিয়ে আসতে ব্যর্থ হচ্ছেন। প্রতিটি ভোটপর্বেই দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের তুলনায় বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের হার কমেছে। এমনকী গতকাল বৈঠক চলাকালীন বিভিন্ন রাজ্য থেকে রিপোর্ট এসেছে, ভোটদানের হার মোটেও আশানুরূপ নয়। আর এখানেই উঠে আসছে বিগত ১০ বছর ধরে বিজেপির অন্দরে থাকা গণতন্ত্র ও খোলা হাওয়াকে টুঁঠি চিপে খুন করে মোদি-শাহিরাজ কায়েমের বিষফল। বিরুদ্ধে স্বর, পছন্দ করেন না দুইজনই। আর তার জেরেই এই ১০ বছরে দলের একের পর এক সুচিন্তিত নেতা-নেত্রী ক্রমশই কোনঠাসা হয়েছেন। যেই বিরুদ্ধে কিছু কথা বলেছেন বা বেসুরো হয়েছেন তাঁকেই কোনঠাসা করে দেওয়া হয়েছে। দলের রাজনীতির ময়দান থেকেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেড়ে নেওয়া হয়েছে সব পদ, সব ক্ষমতা। মুখে স্বচ্ছতার কথা বলেও অনান্য দলের দাগী নেতাদের নিজেদের দলে ঢুকিয়ে নিয়ে নিজেদের পাল্লা ভারী করে গিয়েছেন মোদি-শাহ। আর এখন দলের সেই বিক্ষুব্ধ নেতা থেকে কর্মী তাঁরা সব সরে গিয়েছেন এই দুইজনের পাশ থেকে, দলের পাশ থেকে। এতদিন যারা ভয়ে হোক, ভক্তিতে হোক নতমস্তকে থাকতে বাধ্য হয়েছেন, তাঁরাই এখন মক্ষোম মুহুর্তে বিজেপির মুণ্ডপাত করছেন। আর তার জেরেই ভোটে ধস পদ্মের বাক্সে। এখন দলের কর্মীরাই বলছেন, ‘এই বিজেপি আর না, আর না, আর না।’ তাঁরা এটাও মানছেন এটা অটল-আদবানীর বিজেপিও নয়।

তারাতলাকাণ্ডে শ্রমিক সরবরাহকারী-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

তারাতলাকাণ্ডে মৃত্যু একমাত্র উপার্জনকারীর, শোকে মুহ্যমান ভাটপাড়ার চৌধুরী পরিবার

তারেক রহমানের উপদেষ্টার ‘হেনস্থা’ নিয়ে দিল্লির ব্যাখ্যা খারিজ করল ঢাকা

কালিয়াচকের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বকুল শেখকে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরাল পুলিশ

হায়ালুরোনিক অ্যাসিড নাকি গ্লিসারিন, ত্বকের জন্য কোন ময়েশ্চারাইজিং উপাদান বেশি কার্যকর?

জরাজীর্ণ ঘরে ফরাসি স্ত্রী ও ৫ সন্তানকে বন্দি করে এক যুগ নির্যাতন, পাষণ্ড পাকিস্তানির পর্দাফাঁস

চিংড়িহাটা উড়ালপুল টানা ৬০ ঘন্টা বন্ধ থাকবে, বিকল্প পথ কী জেনে নিন…

অনামিকার মরদেহ জগৎবল্লভপুরে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন পড়শিরা

‘পাসপোর্ট-ও নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়’, জানিয়ে দিল বিদেশ মন্ত্রক, তুঙ্গে বিতর্ক

কলকাতায় ছাড়পত্র পাওয়া সমস্ত নির্মাণ কাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ, নবান্নে জানালেন শুভেন্দু

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ ভেঙে নিহত ৫, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বাইকে টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত্যু দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের

তারাতলার ভেঙে পড়া গুদামের নকশায় গাফিলতি! অনুমোদন দিয়েছিল ফিরহাদের পুরবোর্ড

তীব্র গরমেও সতেজ থাকবে ছাদবাগান, জেনে নিন গাছ বাঁচানোর ৫টি সহজ উপায়