কলকাতার এই প্রাচীন শিব মন্দিরে ভস্ম মাখেন মহাদেব

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায়: সমগ্র মহাজগতের অধিকর্তা দেবাদিদেব মহাদেব। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত। সারা দেশ জুড়েই তাঁর অসংখ্য জাগ্রত মন্দির আছে। ঠিক তেমনই কালীক্ষেত্র কলকাতাতে ভক্তরা মহাদেবের যে মন্দিরগুলো অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করে, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল শ্রী ভূতনাথ মন্দির । কলকাতার আহিরীটোলার নিমতলা এলাকায় গঙ্গার তীরে এই মন্দির অবস্থিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্থানে  ভগবান মহেশ্বরের বাস। প্রতি শ্রাবণ এবং চৈত্রমাসে তাই এই মন্দিরে ভক্তদের ব্যাপক ভিড় হয়। এছাড়া সারাবছরই অগণিত ভক্তরা তাদের নানা মনস্কামনা জানাতে এই মন্দিরে ভিড় করেন।

কথিত আছে, কলকাতার ভূতনাথ মন্দির শুধুমাত্র একটি মন্দির নয়, এটি একটি ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান। আনুমানিক ১৫২৭ সালে রাজা অজবর সেন এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। এই মন্দিরটি প্রাচীন নিমতলা শ্মশানের কাছে অবস্থিত হওয়ায় এখানে দেবাদিদেবকে ভস্মধারী রূপে পূজা করা হয়। তাই, প্রচলিত নিয়মানুসারে শ্মশানের ছাই দিয়ে আরতি করা হয় মহাদেবকে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহাদেব স্বয়ং রাতে আসতেন এই শ্মশানে এবং ভস্মে আচ্ছন্ন হয়ে থাকতেন। প্রাচীন জনশ্রুতি অনুযায়ী, একজন সিদ্ধ সাধু সেই শ্মশানে তপস্যা করতেন। এমনকি, প্রত্যহ রাতে শিবলিঙ্গ নিজে থেকে আলোকিত হতেন এবং কোনও কোনও ভক্ত বিভিন্ন অলৌকিক অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন এই মন্দিরে।

ভক্তদের বিশ্বাস, তারা এই মন্দিরে মনের শান্তি খুঁজে পান এবং কথিত আছে, এই মন্দিরে এসে মহাদেবের পূজা করলে মনস্কামনা পূরণ হয়। মন্দিরে ভিড় থাকলে ভক্তদের বেশিক্ষণ এক জায়গায় দাঁড়াতে দেওয়া হয় না। শ্রাবণের সোমবারগুলিতে এই মন্দিরে লক্ষাধিক ভক্তের  ভিড় হয় ও সারারাত ধরে ভক্তরা পুজো দেন আর শিবের মাথায় জল ঢালেন। এই সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণে এখানে নিরাপত্তার ব্যাপক বন্দোবস্ত থাকে। জানা যায়, এই মন্দিরের পাশে অবস্থিত বজরংবলী হনুমানের মন্দিরও। যে সমস্ত দর্শনার্থী ভূতনাথ মন্দির দর্শন করেন, সেই ভক্তদের অনেকে আবার পাশের হনুমান মন্দিরেও পুজো দেন। শহর কলকাতার বিভিন্ন এলাকা তো বটেই, বিভিন্ন জেলাগুলি থেকেও এই প্রাচীন মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভিড় জমান ভক্তরা।

জানেন কেন কিডনির গ্লুকোজ সহনশীলতার সর্বোচ্চসীমা ১৮০ মিলিগ্রাম হয়?

গা ছমছমে অনুভূতি পেতে চান? কার্শিয়াঙের এই জায়গায় গেলেই মিলবে ‘মুণ্ডহীন’ ভূতের দেখা

ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, কুলগাঁওয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক

‘তাহিরের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল’, বললেন নিহত গোয়েন্দাকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাই

প্রতিদিন এক কাপ ব্ল্যাক কফিতেই সুরক্ষিত থাকবে হার্ট ও লিভার

সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? চাকরির সঙ্গে ভালবাসা বাঁচাতে খেয়াল রাখুন এই বিষয়ে..

ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদির সঙ্গে বৈঠক ট্রাম্পের বিশেষ দূতের, জোর জল্পনা

অভিভাবকদের ফেসবুক আসক্তি কি পরিবারে দূরত্ব বাড়াচ্ছে? সমাজমাধ্যম থেকে দূরে থাকার উপায়

রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার মনোনীত সদস্যের তালিকা প্রকাশ করল বিকাশ ভবন

আশ্রয়ের খোঁজে মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় যেতে গিয়ে সলিল সমাধি ৪১ জনের

ডিমের পর মিড ডে মিলে এবার পড়ুয়াদের পাতে মাছও! বড় ঘোষণা নিশীথের

৫৩ বছর আগে অপহরণের চিঠি বোতলে ভরে ভাসানো হয়েছিল সমুদ্রের জলে, তার পর…

পার্কিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

১৮ বছর বাদে বাড়ি ফিরলেন ‘মৃত’ দাদা, ভূত দেখার মতো চমকে উঠলেন ভাই