এই মুহূর্তে




১৪ লক্ষ নিখোঁজ কি বাদ পড়বে খসড়া তালিকা থেকে? দিনে দিনে বাড়ছে চাপানউতোর

নিজস্ব প্রতিনিধি: এন্যুমারেশন ফর্ম বিলি এবং ডিজিটাইজেশনের প্রক্রিয়া যতই এগোচ্ছে ততই বাড়ছে নিখোঁজভোটারের সংখ্যা। সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জানা গিয়েছিল ১০ লক্ষ ৩৩ হাজারের মতো এন্যুমারেশন ফর্ম ভোটার পর্যন্ত বিলি করা যায়নি। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লক্ষতে। এর অবশ্য বেশ কিছু অর্থ দাঁড়ায়। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ওই ব্যক্তিদের অনেকে হয় মৃত অথবা স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন অথবা কোনও বিদেশি নাগরিক থাকলে তিনি ফর্ম নেননি। এই সংখ্যাটা আগামী দিনে আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সিইও দফতরের আধিকারিকরা।

তবে এই ১৪ লক্ষের মধ্যে একাংশ অন্যত্র থাকার কারণে এখনও ফর্ম নিতে আসেননি। তাই বলা যায়  দিনে দিনে বদলাবে সংখ্যাটা। যারা এন্যুমারেশন ফর্ম ফিল আপ করেননি খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম থাকবে না। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী SIR – এর কাজ শেষ হওয়ার কথা ৪ ডিসেম্বর যদিও কাজ সময়ে শেষ করতে জেলা স্তরে মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বরের মধ্যে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল BLO দের। স্বভাবতই সেই কাজ শেষ হয়নি। সূত্রের খবর এদিন বিকেল ৩টে পর্যন্ত ৭০ শতাংশের বেশি ফিল আপ করা ফর্মের ডিজিটাইজেশন হয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫ কোটি ৩৭ লক্ষ ৫১ হাযারের কিছু বেশি

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান নিখোঁজ মানেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নয়। এদের মধ্যে যারা মৃত, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় উঠবে না। কেউ যদি ঠিকানা বদল করে থাকেন এবং সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারেননি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে তারা নতুন করে আবেদন জানাতে পারবেন ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। এরপরেও যদি কেউ ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান বা সংশোধন করতে চান তাহলে পুনরায় ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে ৮ই জানুয়ারির মধ্যে। অন্যথায় আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটার তালিকায় এইসব নিখোঁজের নাম থাকবে না। 

সিইও দফতরের মতে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা। সেখানে নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা প্রচুর। শুধু উত্তর কলকাতাতেই ১ লক্ষ নাম পাওয়া গিয়েছে, রাজ্যের সিইও দফতর থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে SIR-এর কাজের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। পুরো পর্বের দিনক্ষণ আগেই ঠিক করা হয়ে গিয়েছে। এই দিনক্ষণ যদি বদলানো হয় তাহলে সেই দায়িত্বও তাদের।

সোমবার রাতে সিইও জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে জানিয়ে দেন যে সব বিএলও ডিজিটাইজেশনের কাজে পিছিয়ে রয়েছেন তাঁদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনে বিডিও দফতরে ডেকে এনে ওয়াইফাই ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করতে হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের পক্ষ থেকে জোর কদমে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এই নিখোঁজদের পরিসংখ্যান কমানো যায় এখন দেখার বিষয় আদপে নির্বাচন কমিশন কতটা সক্ষম হয় একটা নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করতে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের মালিকানা কার? কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ, বিচার শুরু কবে?

বিদ্যুতের বিল ২ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা, ঘুম ছুটেছে গোলাম নবী খানের

জায়ের বাবাকে নিজের বাবা সাজিয়ে SIR ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগ বিজেপি নেত্রীর বিরুদ্ধে

দুর্ঘটনার কবলে শেখ শাহজাহান মামলার মূল সাক্ষী, আদালতে যাওয়ার পথে মৃত ২

চায়ের দোকানে দুই গোষ্ঠীর বচসা,বুকে সজোরে ঘুষি,মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর

প্রধান বিরোধী দল হতে উদ্যোগ নিচ্ছে সিপিএম, বিশেষ কোন পরিকল্পনা লালপার্টির?‌

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ