মোদির গুণগান শোনাতে হবে!‌ নেতা–কর্মীদের ফরমান দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে সব দল ঘর গোছাতে ব্যস্ত। আর বঙ্গ–বিজেপিতে এখন প্রার্থী তালিকা নিয়ে গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে উঠেছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই নাম বাদের তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে তা প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়নি। কারণ এই তথ্য যদি বাইরে বেরিয়ে আসে তাতে ব্যাপক গোষ্ঠীকোন্দল দেখা দেবে। এমনকী যাঁরা টিকিট পাবেন সেই নামের তালিকা দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়ে সেখান থেকে সিলমোহর নিয়ে আসতে চাইছে রাজ্য নেতৃত্ব। এই আবহে এবার বঙ্গ–বিজেপির কাছে নয়া ফরমান চলে এল।

এদিকে বঙ্গ–বিজেপি নয়া কর্মসূচি নিয়ে বাংলার মানুষের মন বুঝতে নেমে পড়েছে। তার জন্য ড্রপ বক্স থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া, চিঠি, ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপে বিজেপি সম্পর্কে মানুষের মন জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তার মধ্যেই চলে এল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ফরমান। যা নিয়ে এখন মাথা চুলকাচ্ছে বঙ্গ–বিজেপির নেতারা। এবার থেকে প্রত্যেকদিন অন্তত ১০ জনকে ফোন করে মোদির গুণগান শোনাতে হবে! এভাবেই বুঝে নিতে হবে টেলিফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তির মন। কথার মারপ্যাঁচে উপলব্ধি করতে হবে ওই ব্যক্তি পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দেবেন কিনা। যদি সদর্থক মনে হয়, তাহলে কয়েক মিনিট কথা বলতে হবে বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে বাংলায় বিজেপির সংগঠন এখনও অত্যন্ত দুর্বল। তার উপর এসআইআর পর্বে মানুষজন বিজেপির উপর খাপ্পা। সেখানে এমন পদক্ষেপ কতটা কাজে লাগবে তা নিয়ে সন্দিহান সব পক্ষই। কিন্তু ফোন করে যাঁদের সদর্থক মনে হবে না?‌ সেক্ষেত্রে কী করণীয়?‌ এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ফরমান—যে ব্যক্তি এখনও বিজেপিকে ভরসার জায়গা বলে মনে করতে পারছেন না, সেক্ষেত্রে তাঁর ‘মগজ ধোলাই’ করতে হবে। এমনকী বেশিক্ষণ ধরে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে হবে। আর ওই ফোন নম্বরটি চিহ্নিত করে রাখতে হবে। যাতে দু’‌দিন অন্তর ওই নম্বরে ফোন করে মগজ ধোলাই হয়েছে কিনা জেনে নিতে হবে বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া রাজ্য নেতৃত্ব চাইছে এবার তাদের প্রার্থী তালিকায় দিল্লি সিলমোহর দিয়ে দিক। কিন্তু তার মধ্যেই এমন এক ফরমান এসে পড়ায় প্রার্থী তালিকা শিকেয় উঠেছে। তবে বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মন দিয়ে করতে হবে এই কাজ। রোজ বেছে নিতে হবে নতুন ১০ জনকে। আর ফোন করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্তের মানুষের সঙ্গেই কথা বলা যাবে। একইসঙ্গে যেহেতু এটা জনমত সমীক্ষার অংশ তাই কোন এলাকার মানুষের কাছ থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া মিলছে সেটা নিজের এলাকার বিজেপি নেতৃত্বের কাছে জানিয়ে দিতে হবে। যাতে তাঁরা মাঠে–ময়দানে নেমে কাজ করতে পারেন। তারপর খসড়া রিপোর্ট তৈরি করতে হবে দলকে বলে সূত্রের খবর।

গুন্ডাদমন আইন কেন প্রয়োজন? বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

‘রাজপুত ইতিহাসকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা’, আইনি বিপাকে অজয় দেবগনের ‘চৌহান’

রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় ধৃতদের হয়ে লড়বেন না কোনও আইনজীবী

এবার ‘হেরা ফেরি ৩’-র পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রিয়দর্শন, আদৌ ছবি তৈরি হবে?

‘গুন্ডাদের পাতালে ঢুকিয়ে দিতেই এই বিল,’ বিধানসভায় বললেন শঙ্কর ঘোষ

দলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরে দাঁড়ালেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ

ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে ভেন্ডিং লাইসেন্স নয়, কলকাতায় শুরু হকার নিয়ন্ত্রণ

প্রবল গরমে নাজেহাল অবস্থা, ১৫ জুলাই পর্যন্ত মর্নিং স্কুল, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য় সরকারের

জয়পুরে নির্মীয়মাণ ভবনের দেওয়াল ধসে নিহত ৩ শ্রমিক, শুরু উদ্ধারকাজ

বন্দরে ববির ‘ডান হাত’ শামস ইকবাল গ্রেফতার, এবার ফিরহাদের পালা?

আফগানিস্তানের মাটিতে হামলা চালিয়ে ২৯ জঙ্গিকে নিকেশ করল পাকিস্তানি সেনা

‘কোনও ভুল করিনি,’ শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির পরেও সুর চড়ালেন হুমায়ুন

সরকারের দেওয়া সময় শেষ, পটনার সরকারি বাংলো খালি করছেন রাবড়ি দেবী

৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ-খুন, অভিযুক্ত বৃদ্ধকে ফাঁসির সাজা দিল পুণের আদালত