এই মুহূর্তে

খিদিরপুরে বৈঠক করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে হুমায়ুন কবীর, হকিস্টিক নিয়ে তাড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার সন্ধ্যায় বৈঠক করতে গিয়ে তারা খেলেন ভরতপুরের বিধায়ক এবং নতুন দলের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বুধবার সন্ধ্যে সাড়ে ছটার সময় খিদিরপুরের ওয়েস্টিন এলাকায় সংখ্যালঘুদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। নির্দিষ্ট সময় খিদিরপুরের(Khidirpore) ওই এলাকায় হাজির হন হুমায়ুন কবীর। কিন্তু সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন হুমায়ুন কবীরের গাড়ি পৌঁছানো মাত্র তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায়। শ্লোগান ওঠে হুমায়ুন কবীর ‘গো- ব্যাক’। দীর্ঘক্ষণ ধরে তার গাড়ি আটকে রেখে স্লোগান দেওয়া হয়। বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গাড়ি নিয়ে এগোতে না পেরে গাড়ি থেকে নেমে আসেন। তখন তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। তুমুল ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। হুমায়ুনের অভিযোগ ওই এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের লোকজন এই বিক্ষোভ সংঘটিত করে।

তাঁকে বৈঠক করতে সেখানে দেয় না। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে হুমায়ুন পিছু হটেন। অভিযোগ হুমায়ুন গাড়ির দিকে এগিয়ে গেলে তাঁর পিছনে ধাওয়া করে ওই এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। গাড়িতে উঠে চলে যাওয়ার সময় হুমায়ুন কবীরকে হকি স্টিক নিয়ে তাড়া করা হয়। হুমায়ুন দাবি করেন খিদিরপুরে পরিকল্পিতভাবে কিছু মানুষজন ভুল বুঝে তাঁর ।ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনার পেছনে রাজ্যে শাসক দলের অবিশনটি রয়েছে বলে ভরতপুরের বিধায়ক(MLA Bharatpur) অভিযোগ করেন। অপরদিকে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয় এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষজন কোন অশান্তি চায় না। বহিরাগতরা এসে সেখানে বৈঠক করে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। তাই এলাকার মানুষ বহিরাগতদের ওই এলাকায় প্রবেশ করতে বাধা সৃষ্টি করেছে। খিদিরপুর এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে তাতে বদ্ধপরিকর সেখানকার মানুষ।

ভরতপুরের সাম্প্রদায়িক বীজ খিদিরপুরে বপন করা যাবে না বলে দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। হুমায়ুন কবীর আগামী দিন আবার ওই এলাকায় আসবেন এবং বৈঠক করবেন বলে দাবি করেছেন। বিক্ষোপকারীদের দাবি ভরতপুরের বিধায়ক সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াতে যতবার খিদিরপুর এলাকায় আসবেন ততবার তিনি তারা খাবেন জনগণের। ধর্মের নামে রাজনীতি খিদিরপুরের মানুষ পছন্দ করে না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন উন্নয়ন করছেন জাত- ধর্ম- বর্ণ নির্বিশেষে সেই সময় বহিরাগতরা এসে এলাকায় চক্রান্ত পাকানোর চেষ্টা করছে। ভোটের আগে শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে চাইছে। ভোট রাজনীতি শুরু করেছে। তাই এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষ বাধ্য হয়েছে প্রতিবাদে গর্জে উঠতে।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, ভরতপুরের বিধায়ক বলেন,খিদিরপুরে ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যক্তিগত কাজে তিনি যান।স্থানীয় বাসিন্দারা এবং টিএমসি যুব নেতা শাহবাজ আলম এবং তার নেতৃত্বে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন গো- ব্যাক স্লোগান দিয়ে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

লক্ষ্মীবারে রাজ্য বাজেটে সরকারি কর্মচারিদের জন্য কত শতাংশ ডিএ ঘোষণা? জল্পনা তুঙ্গে

‘ফিরহাদ হাকিম মুর্শিদাবাদে পা রাখলে আস্ত ফিরবেন না’, হুমকি হুমায়ুন কবীরের

দিল্লি জয়ের পরে কলকাতায় ফিরলেন মমতা, তবে মুখ খুললেন না

এবার তৃতীয়বার বঙ্গ–সফরে আসছেন অমিত শাহ, সাংগঠনিক বৈঠকে মিলবে ফল?‌

‘‌ফাটাফাটি খেলা’‌ শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, বেসামাল বিরোধীরা আটকে রইল সমালোচনায়

SIR নিয়ে কমিশনের অফিসে তৃণমূলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ