এই মুহূর্তে

বিতর্কিত ৩ নয়া ফৌজদারি আইন এখনই কার্যকর না করতে মোদিকে চিঠি মমতার

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকালই নবান্নে এসে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম(P Chidambaram)। নবান্ন সূত্রে খবর, মমতার সঙ্গে চিদাম্বরমের সেই বৈঠক নির্ধারিত হয়েছিল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সোনিয়া গান্ধির(Sonia Gandhi) নির্দেশেই। মূলত কংগ্রেসের সঙ্গে মমতার দূরত্ব ঘুচিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন সরকারকে নানা ইস্যুতে কোনঠাসা করতে রণকৌশল নির্ধারণের জন্যই সেই বৈঠক হয়েছে। সেখানেই বিতর্কিত তিন নয়া ফৌজদারি আইন যাতে কার্যকর না হয় তা নিয়েও আলোচনা হয়। সেই বৈঠকের পরে পরেই এদিন মমতা চিঠি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে(Narendra Modi)। সেই চিঠিতে তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে এই ৩ বিতর্কিত আইন এখনই যেন কার্যকর না করেন।

সামনেই সংসদীয় অধিবেশন। সপ্তদশ লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে ৯৫ জন বিরোধী সাংসদকে গোটা অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করে নতুন দণ্ডসংহিতা সংক্রান্ত ৩টি বিল পাশ করিয়েছিল সরকার। সেটি আইন হিসেবে বলবৎ হওয়ার কথা ১ জুলাই, যখন নতুন লোকসভার অধিবেশন চলবে পুরোদমে। সেই আইন বলবৎ হওয়ার আগেই পদক্ষেপ করলেন মমতা। গত বছরের শেষদিকে পুরনো ফৌজদারি আইনের পরিবর্তে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য বিল পাশ করায় কেন্দ্র। এই তিন আইনকে একসঙ্গে ন্যায় সংহিতা বলা হয়। এই নয়া আইন কার্যকর করা নিয়ে বিস্তর আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা। কিন্তু সেসব আপত্তি উড়িয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র। জানিয়ে দেওয়া হয়, ১ জুলাই ওই তিন আইন কার্যকর হবে দেশজুড়ে। শুরু থেকেই তৃণমূল নেত্রী এই আইন কার্যকরে আপত্তি জানিয়ে এসেছেন। এদিনও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সেই বিরোধিতার প্রসঙ্গ অবগত করেছেন তাঁর পাঠানো চিঠিতে।

মোদিকে পাঠানো মমতার চিঠিতে তৃণমূল সুপ্রিমো যেমন মোদিকে অনুরোধ করেছেন নৈতিকভাবে কেন্দ্রের এই আইন এখনই কার্যকর করা উচিত নয়, তেমনই জানিয়েছেন, দণ্ড সংহিতা আইন যেসময়ে পাশ হয় তখন অধিকাংশ সাংসদ সাসপেন্ড ছিলেন। যথাযথভাবে আলোচনাও হয়নি এই আইন নিয়ে। এই আইন যদি কার্যকর হয়, তাহলে পুলিশি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তাছাড়াও এই আইনে বেশ কিছু গলদ থাকতে পারে। অসঙ্গতি থাকতে পারে আইনের নানা ধারায়। তাই অন্তত ১ জুলাই এই আইন কার্যকর না করে সময়সীমা খানিকটা হলেও পিছিয়ে দেওয়া উচিত। মমতার সাফ কথা, ‘ওই তিন আইন স্বৈরাচারী মানসিকতা থেকে পাশ করানো হয়েছিল। গণতন্ত্রের কালো দিনে আইনটি তৈরি হয়েছিল। আমার মনে হয় এবার এই আইনটি পুনরায় খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। ওই তিন আইন নতুন করে সংসদে পেশ করতে হবে। ওই আইনগুলি সেসময় দ্রুততার সঙ্গে পাশ করানো হয়েছিল। এবার ওই আইনের অনেক ধারাতেই আপত্তি জানানো হবে। সেটা হলে, নতুন জনপ্রতিনিধিরাও আইনগুলি খতিয়ে দেখার সুযোগ পাবেন।’

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

ফের চলন্ত মেট্রোর সামনে যাত্রীর মরণঝাঁপ, ব্লু -লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত

বিধানসভা ভোটে ‘মোদি-শাহ-জ্ঞানেশের’ বিরুদ্ধে বাঙালির লড়াই, জানিয়ে দিল তৃণমূলপন্থী বিদ্ধজনরা

তীব্র গরমের আগেই সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, কৃষকদের উদ্দেশে জানালেন নয়া বার্তা

এআই মডেল তৈরি ও প্রশিক্ষণে উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার, কেমন করে গড়ে উঠবে?‌

বাবার পদবী চট্টোপাধ্যায় ছেলের চ্যাটার্জি কেন?‌ এসআইআর শুনানিতে হাজির শোভনদেব পুত্র সায়নদেব

ভোটের আগেই হতে পারে Group C এবং Group D-র লিখিত পরীক্ষা! জানুন সম্ভাব্য দিনক্ষণ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ