পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ১৮৬০ কোটি টাকা দ্রুত খরচের নির্দেশ

চলতি অর্থবর্ষের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মোট ৪,৩৭৬ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২,৫১৬ কোটি টাকা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের(Fifteenth Finance Commission) কাজে যথেষ্ট গতি এসেছে। পরবর্তী কিস্তির টাকা পাওয়া নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার টার্গেট আগেই ঠিক করে দিয়েছিল রাজ্য সরকার(West Bengal State Government)। সেই অনুযায়ী কাজও এগোচ্ছে প্রতিটি জেলায়। তবে বর্তমানে রাজ্যের কাছে পড়ে রয়েছে এই খাতের প্রায় ১,৮৬০ কোটি টাকা। এই টাকায় দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্যের প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। চলতি অর্থবর্ষের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মোট ৪,৩৭৬ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২,৫১৬ কোটি টাকা। বাকি পড়ে থাকা ১,৮৬০ কোটি টাকা দ্রুত খরচ না হলে সেই টাকা যেমন দিল্লিতে ফেরত চলে যাবে তেমনি দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আসাও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই রাজ্যের তরফে এখন জেলা প্রশাসনগুলিকে চাপ দেওয়া হচ্ছে যাতে দ্রুত পড়ে থাকা টাকা খরচ করা যায়।

রাজ্যে গ্রামোন্নয়ন প্রকল্পের(Village Development Project) সামগ্রিক রূপায়ণ নিয়ে পুজোর ছুটির পর পর্যালোচনা বৈঠক করে রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক মহল। সেখানেও কাজে গতি আনার ওপর জোর দেওয়া হয়। এই খাতের টাকা মূলত দু’ভাবে খরচ করা হয়। শর্তাধীন তহবিলের টাকা খরচ হয় নিকাশি এবং পানীয় জল সরবরাহ পরিকাঠামো গড়তে। আর নিঃশর্ত তহবিলের টাকা খরচ হয় গ্রামীণ এলাকায় রাস্তাঘাট, কালভার্ট প্রভৃতির মতো কিছু পরিকাঠামো নির্মাণে। এবছরের প্রথম কিস্তির প্রায় ১,৬০০ কোটি টাকা রাজ্য পেয়েছে। এর ৭৫ শতাংশ অর্থ শীঘ্রই খরচ এবং তার অনলাইন অডিট সম্পূর্ণ করার টার্গেট নিয়েছে রাজ্য। কারণ এটি সম্পূর্ণ হলেই মিলবে পরবর্তী কিস্তির টাকা। অব্যবহৃত অর্থ সেই লক্ষ্যেই দ্রুত খরচের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন(Nabanna)। আগের কিস্তির টাকা খরচের হিসেব কেন্দ্রের কাছে ডিসেম্বরের মধ্যেই পাঠানোর টার্গেট নেওয়া হয়েছে। সেটি সম্ভব হলে ২০২৪ সালের শুরুতেই চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া যেতে পারে।  

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, বরাদ্দের ৬০ শতাংশের কম খরচ হয়েছে ৯টি জেলায়—দুই ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, মালদা, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম। সবচেয়ে বেশি টাকা পড়ে রয়েছে মুর্শিদাবাদে(Murshidabad) জেলায় যার পরিমান প্রায় ২২১ কোটি টাকা। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এখনও বাকি ২১৭ কোটি টাকার কাজ। ১০০ দিনের কাজের জন্য নতুন টাকা দেওয়া বন্ধ রেখেছে দিল্লি। এমনকী, আগের প্রাপ্য ৭ হাজার কোটি টাকাও আটকে রেখেছে তারা। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা পেতে আর যাতে কোনওভাবেই দেরি না-হয়, সেদিকে নবান্ন যথেষ্ট সতর্ক। সেই কারণেই জেলাগুলিকে দ্রুত টাকা খরচের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাহাড়-নদী-ঝর্না-জলাধার একসঙ্গে উপভোগ করতে চান? ঘুরে আসুন ঝাড়খণ্ডের এই ঠিকানায়

তালিবানি রক্তচক্ষু উপেক্ষা, আফগানিস্তানে ৫ গুণ বেড়েছে আফিম চাষ

কর্মক্ষেত্রে সাফল্য, প্রেমেও সুখের সময়, নভেম্বর কেমন কাটবে তুলা রাশির জাতকদের?

স্বাদ ও স্বাস্থ্যের পারফেক্ট কম্বিনেশন, ওটস দিয়ে বানিয়ে ফেলুন এগ কাঠি রোল

৯০০০mAh ব্যাটারি, দুর্দান্ত প্রসেসর, ৭০০০ টাকা ছাড়ে মিলছে OnePlus Nord 6

শীতের মরশুমে মন খাইখাই করে? খিদে বেড়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছে ৪ কারণ

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৬৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের দৌলতে ইতিহাসে বেন ডাকেট

বীরভূমের নানুরে কাজল শেখের বাড়িতে পুলিশ, চলছে তল্লাশি, কারণ কী?

নতুন করে সাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ, কোন-কোন জেলায় শুক্রে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি?

ডিজিটাল প্রতারণায় ব্যাঙ্কের গাফিলতি প্রমাণিত হলে দিতে হবে পুরো টাকা ফেরত, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

বিহারে বিধান পরিষদ নির্বাচনে ‘রামধাক্কা’ খেল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট

ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে সতীর্থদের বিশেষ উপহার দেবেন কেন

বাস্তব জীবনে কেমন স্বামী চান? খুল্লামখুল্লা জানিয়ে দিলেন ‘রামায়ণ’-এর সীতা

বোনের আত্মহত্যার শোকে তিন সন্তানকে নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ দিদির