এই মুহূর্তে

‘‌আর কত মানুষের জীবন চান?‌’‌ মৃত্যুমিছিল নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে তোপ তৃণমূলের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাতে মূল বিতর্কিত আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কারণ এসআইআর করতে গিয়ে বাংলার বিপুল বৈধ ভোটারের নাম কেটে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, বিপুল ভোটারকে বিচারাধীন বলে তালিকায় তুলে ধরা হয়েছে। এই বিষয়টি একা লড়াই করে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় আত্মহত্যা করতে শুরু করেছেন বাংলার ভোটাররা। আর তা নিয়ে আজ, বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে কড়া বার্তা পোস্ট করল তৃণমূল কংগ্রেস। আর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে।

এদিকে এসআইআরের খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ নাম। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দিয়েছে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। অর্থাৎ, ২০২৫ সালের তালিকার নিরিখে বাদের খাতায় মোট ৬৩ লক্ষেরও বেশি ভোটার। এমনকী ৬০ লক্ষ ভোটার এখনও ‘বিচারাধীন’ (অ্যাডজুডিকেশন)। এই আবহে এবার আত্মহত্যার তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‌বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন—রক্তপিপাসুরা আরও একটি নিরীহ জীবন কেড়ে নিল! এক মর্মান্তিক শিহরিত ঘটনা, মালদহের শীতলপুর গ্রামের ৪৩ বছরের এক গৃহবধূ কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথাকথিত ‘‌চূড়ান্ত’‌ ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ‘‌আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’‌ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর তিনি এই নির্মম পথ বেছে নিয়েছেন।’‌

 

অন্যদিকে আতঙ্কেই আত্মঘাতী! এমন ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ঘোলা নয়াপাড়ায়। মৃত রফিক আলি গাজি (৪১)। বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এই ব্যক্তির দেহ। পরিবার সূত্রে খবর, এসআইআরের নোটিস আসার পর থেকে আতঙ্কে ছিলেন রফিক আলি। এরপর সমস্ত নথি জমা দিয়েছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা বের হয় সেখানে দেখা যায়, রফিক আলির নাম বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছে। আর তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তিনি। আর তারপর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর আসে মালদহের ঘটনাও। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, ‘‌রাষ্ট্রহীন হওয়ার ভয়ে ব্যথিত ওই দুর্বল বধূ ভেঙে পড়েন এবং চরম পদক্ষেপ নিলেন।’‌

এছাড়া নির্বাচন কমিশন যে মোদি–শাহের পুতুল হিসাবে কাজ করছে এই অভিযোগ বারবার তুলেছেন তৃণমূলের নেতা–মন্ত্রীরা। এবার বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হল ঘাসফুল শিবির। আজ এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে লেখা হয়, ‘‌মোদি–শাহ এবং জ্ঞানেশ কুমারের মতো পুতুলদের নেতৃত্বে তোমাদের পুতুল নির্বাচন কমিশন, এটাই কি তোমাদের ‘‌গণতন্ত্র’‌? তোমরা ভোটার তালিকায় কারচুপি করো, মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করো এবং শুধু হিসাব মেলানোর জন্য তাদেরকে হতাশার দিকে ঠেলে দাও? আর কত প্রাণ চাও? বাংলা তার মাটিতে ঝরে পড়া প্রতিটি রক্তের ফোঁটা মনে রাখবে।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

রান্নার গ্যাসের হাহাকার মেটাতে নবান্নে কন্ট্রোল রুম খুললেন মুখ্যমন্ত্রী, তোপ কেন্দ্রকে

সন্ধ্যা নামতেই আবহাওয়ার ভোলবদল, কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ঝাঁপিয়ে নামল বৃষ্টি

ভোট ঘোষণার আগেই ২৯৪ বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ কমিশনের

টালা থেকে এক বাসেই এবার সাঁতরাগাছি , রইল রুট ও ভাড়া

সৌজন্য মমতার, রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে বিমান বসুকে বিশেষ সম্মান

স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধে পাবেন টলিপাড়ার ৭ হাজার কলাকুশলী, দেবের অনুরোধে সাড়া মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ