১ বছরে স্বাস্থ্যইঙ্গিতে জীবন বাঁচল ৪০০ স্ট্রোক আক্রান্তের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা Tele Medicine প্রকল্প স্বাস্থ্যইঙ্গিত সক্ষম হয়েছে গত ১ বছরে ৪৫১জন স্ট্রোক আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাণ বাঁচাতে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে রাজ্যের ১২টি হাসপাতালে চালু হয় স্বাস্থ্যইঙ্গিত(Sastha Ingit) প্রকল্পটি। যা আদতে একটি Tele Medicine প্রকল্প। তারপর ধীরে ধীরে রাজ্যের আরও ২৬টি হাসপাতালকে এই প্রকল্পে জোড়া হয়। আর এই সব হাসপাতের সঙ্গেই জুড়ে দেওয়া হয় Bangur Institute of Nero Sciences-কে। সেখানকার চিকিৎসকেরাই রাজ্যের ওই ৩৮টি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যইঙ্গিত প্রকল্পের মাধ্যমে। আর তার জেরেই দেখা যাচ্ছে গত ১ বছরে স্ট্রোকে আক্রান্ত(Stroke Patient) ৪০০ জন রাজ্যবাসীর জীবন বাঁচিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) চালু করা Tele Medicine প্রকল্প স্বাস্থ্যইঙ্গিত।

আরও পড়ুন আবাসের টাকা কী আসছে, নয়া নির্দেশে ছড়ালো জল্পনা

জানা গিয়েছে, রাজ্যের যে ৩৮টি সরকারি হাসপাতলে এখন স্বাস্থ্যইঙ্গিতের মাধ্যমে স্ট্রোকে আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হচ্ছে সেখানে কোনও নতুন স্ট্রোক আক্রান্ত মরণাপন্ন রোগী এলেই সিটি স্ক্যান করে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে বাঙ্গুরে। অবস্থা বিচার করে রোগীর মাথায় জমাট বাঁধা রক্ত তরল করার প্রক্রিয়া জানিয়ে দিচ্ছে বাঙ্গুরের বিশেষজ্ঞরা। সেইমতো দেওয়া হচ্ছে জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন। জমাট বাঁধা রক্ত গলে যেতেই মৃত্যুমুখ থেকে ফিরছেন সিংহভাগ মানুষ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০-৪০ হাজার টাকা দামের এই ইঞ্জেকশনগুলি এই ৩৮টি হাসপাতালে সরবরাহ করে রাজ্য‌। স্ট্রোকের রোগীরা তা পান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। 

আরও পড়ুন কেন্দ্রের কাছ থেকে রাজ্যের সেরা শিরোপা পেল দুই হাসপাতাল

২০২১ সালের ডিসেম্বরে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে রাজ্যের ১২টি হাসপাতালে স্বাস্থ্যইঙ্গিত প্রকল্পটি চালু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তারপর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে শুরু হয় মূল প্রকল্প। ধাপে ধাপে রাজ্যের মহকুমা, জেলা থেকে মেডিকেল কলেজে ছড়িয়ে পড়ে এই কাজ। তারপর মাত্র এক বছরে টেলি-মেডিসিনের মাধ্যমে ৪৫১ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করা হয়। প্রাণ বাঁচে ৯০ শতাংশ রোগীর। প্রকল্পের অন্য‌তম কো-অর্ডিনেটর তথা Bangur Institute of Nero Sciences’র চিকিৎসক ডাঃ অর্পণ দত্ত জানিয়েছেন, ‘সিটি স্ক্যান রিপোর্ট দেখে ও রোগীর নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক অবস্থা বিচার করে Tele Medicine’র মাধ্যমে আমরা দু’টি ওষুধের যে কোনও একটি দিতে বলি। তাতে ম্যাজিকের মতো কাজ হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ রোগীর শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সম্ভাবনা রোধ করা গিয়েছে।’

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই