পুজোয় থাকুক ঠাকুরবাড়ি হেঁশেলের ছোঁয়া! বানিয়ে নিন রুই মাছের এই বিখ্যাত রেসিপি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : আসছে উমা ! অবশেষে অপেক্ষার অবসান কাটিয়ে উৎসবে মেতে উঠবে বাঙালি। হাতে আর বেশি সময় নেই। চারিদিকে পুজো পুজো গন্ধ। এইসময় আরও একটা গন্ধ আকাশে বাতাসে ভেসে আসে বৈকি তা হল জিভে জল আনা সব খাবারের গন্ধ। সারা বছর বাদে এইসময়টা তো একটু ভালমন্দ না হলে কি চলে। খাদ্যরসিকদের পেটপুজো বলে কথা। তবে যেন তেন রান্না বা মেনু তো চলবে না মশাই। স্বাদে গুণে সেরা তো হবেই কিন্তু তার সঙ্গে থাকা চাই ঐতিহ্যের ছোঁয়া। আর যদি তা যদি হয় ঠাকুরবাড়ির হেঁশেলের আদলে তা হলে তো কোন কথাই নেই। ঠাকুর বাড়ির হেঁশেল সাক্ষী থেকেছে নানান নিত্যনতুন পদের। এর মধ্যে অন্যতম হল ‘মাছের পোটলি’। একবার চেখে দেখলে আহা অমৃত…। জেনে নিন বানাবেন কীভাবে।

এই সুস্বাদু ডিসটিতে রান্নার উপকরণ লাগে নাম মাত্র। ঠাকুরবাড়িতে রান্নাটি প্রধানত হত শোল মাছ দিয়ে। তবে শোল মাছ নেহাতই পাওয়া না গেলে রুই মাছও চলত। তবে চাইলে ভেটকি, কাতলা ইত্যাদি মাছ দিয়েও ‘মাছের পোটলি’ রান্না করা যেতে পারে।

উপকরণ : শোল, রুই অথবা ভেটকি মাছ ২৫০ গ্রাম, হলুদ, ঘি , আদা বাটা , লঙ্কাবাটা , পেঁয়াজ বাটা , গরম মশলা গুঁড়ো ,স্বাদ অনুসারে লবন, পটল ৫০০ গ্রাম, ময়দা বা কর্ন ফ্লাওয়ার, প্রয়োজনমতো সাদা তেল

প্রণালী :  প্রথমে মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে বেছে নিন। রুই নিলে পেটির মাছ হলেই ভালো হয়। এরপর হলুদ মাখিয়ে মাছের পিসগুলি নরম করে সামান্য ভেজে নিন। বেশি ভাজলে কিন্তু চলবে না। কড়া হলে খেতে ভালো লাগবে না। হালকা ভাজা হয়ে গেলে ঠান্ডা হওয়ার পর মাছগুলি থেকে কাঁটা ছাড়িয়ে নিন।

এবার একটি পাত্রে মাছগুলি হাত দিয়ে মেখে নিন। এবার পুর তৈরি করতে হবে। কড়াইয়ে দুই চামচ ঘি দিয়ে গরম করুন। এতে দিয়ে দিন আদা, পেঁয়াজ এবং লঙ্কাবাটা। পেঁয়াজ আদার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এতে মাছগুলি দিয়ে কষাতে থাকুন। প্রয়োজন মতো লবন ও গরম মশলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে গ্যাস বন্ধ করে নিতে হবে। এই প্রসঙ্গে বলা ভাল, সাবেকি রান্নায় মশলা ফোঁড়ন বা চিনি দেওয়ার নিয়ম ছিল না। কিন্তু চাইলে এতে কালোজিরে ফোঁড়ন, চিনি, টোম্যাটো কুচি ইত্যাদি দিতে পারেন)

এবার পটল ভালো করে ধুয়ে লম্বালম্বি করে আধখানা করুন। পটলের বীজ বের করে নিন। এবার পটলগুলি তেলে ভেজে নিন। এবার আধখানা পটলের মধ্যে মাছের পুর ভরে অন্য পটলের আধখানা দিয়ে চাপা দিয়ে আটকে দিন। খেয়াল রাখবেন পটল যেন খুলে না যায়।

এবার একটি পাত্রে ময়দা, ঘি এবং সামান্য লবন মিশিয়ে তাতে অল্প জল দিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। ব্যাটারটি যেন খুব বেশি পাতলা না হয়। এবার মাছের পুর ভরা পটল ময়দার গোলায় চুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন। ‘মাছের পোটলি’ খেতে হয় গরম গরম।

তবে এটি স্ন্যাক্স হিসেবে খেতে পারেন তেমনই গরম ভাতে মেখে খেতে পারেন। গরম ভাতে ডাল মেখে পোটলি সহযোগে খেলে স্বাদ জিভে লেগে থাকবে।

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

ছাগল নাকি গেছো ভূত! গাছের মগডালে দিব্যি চলে ভোজ, জানেন কোথায়?

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

বেকারদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা কবে থেকে ঢুকবে? দিনক্ষণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই