মার্কিন সেনা দিবস উদযাপনে আমন্ত্রণ পেয়ে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন আসিম মুনির

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ঘাড়ের শিরা বলে উল্লেখ করেছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলাতেও তাঁর হাত ছিল বলেই মনে করেন গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যখন যুদ্ধ চলছিল তখন মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তাঁর কথাতেই দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এর থেকে পরিষ্কার যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তান প্রীতি কিছু কম নেই। আগামী ১৪ জুন মার্কিন সেনা দিবস উদযাপনের জন্য ওয়াশিংটন ডিসি সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির আহমেদ শাহ। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনে অন্যান্য সামরিক নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত পাকিস্তানি দূতাবাসের সূত্র অনুসারে, মুনির ১২ জুন আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সফরে, আমেরিকা আফগানিস্তান ও ভারতকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ করতে পারে। ফলে এই আমন্ত্রণ ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও অবস্থানের চেয়ে চলমান মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পাকিস্তানের কৌশলগত গুরুত্বের সঙ্গে বেশি যুক্ত বলে মনে হচ্ছে। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতার কারণে আমেরিকা পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ পোষণ করছে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক আবহাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য বা নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখার সম্ভাবনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কম বলে সূত্রের খবর। এই সফর পাকিস্তানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) মুনিরের সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করছে এবং তাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করছে।

আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) সম্পর্কে পাকিস্তান আমেরিকার কাছ থেকে সাহায্য চাইবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে সত্য যে পাকিস্তান বিভিন্ন সম্যে নানা বিষয়ে মার্কিন মধ্যস্থতা চেয়ে এসেছে। অন্যদিকে ভারত দৃঢ়ভাবে তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততা প্রত্যাখ্যান করেছে। আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সংলাপ পছন্দ করে। মধ্যস্থতার পক্ষে তার অবস্থান পরিবর্তন করার সম্ভাবনা কম।

পাকিস্তান চিন সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তিকে তাদের দেশে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানের কাছে লিথিয়াম, তামা, সোনা এবং বিরল মূল্যবান খনিজ সম্পদ রয়েছে, যার জন্য তাদের বিনিয়োগ প্রয়োজন।

মুনিরের এই সফরের লক্ষ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ নিরাপত্তা সম্পর্ক পরিচালনা করা। পাকিস্তান সম্ভবত কাশ্মীরে মধ্যস্থতার বিষয়ে তার এজেন্ডা অনুসরণ করবে এবং তার খনিজ সম্পদে বিনিয়োগ চাইবে। তবে, বাস্তব ফলাফল সীমিত হতে পারে, কারণ ভারত কাশ্মীর সম্পর্কিত কোনও বহিরাগত দাবি মেনে নেবে না।

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই