হাসনে ত্রিমুখী যুদ্ধ, অঙ্কের নিরিখে এগিয়ে ঘাসফুল শিবির

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরের সংগঠন কার শক্তিশালী?‌ এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ একদিকে বিজেপি নেতারা বলছেন, তাঁরা এবার ক্ষমতায় আসবেই। তাই তাঁরা আত্মতুষ্টিতে রয়েছে। অপরদিকে বুথস্তর সংগঠন শক্তিশালী করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষিত হয়নি। কিন্তু ভোটের উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছে চায়ের দোকান, আড্ডার ঠেকে। বিশেষ করে চায়ের দোকানগুলিতে সকাল, সন্ধ্যা নিয়ম করে ভোট–চর্চার আসর বসছে। সেখানে বসলেই কানে আসবে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। আলোচকদের কেউ কেউ আবার ভোটের ফল পর্যন্ত ঘোষণা করে দিচ্ছেন। অনেকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস আবার ক্ষমতায় ফিরবে। অন্যপক্ষ বিজেপির হয়ে সওয়াল করছেন। তবে হাসন কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার একটি সাধারণ বিধানসভা কেন্দ্র। বীরভূম লোকসভা আসনের অধীনে সাতটি বিভাগের মধ্যে একটি। এটি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং রামপুরহাট ২ এবং নলহাটি ২ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লক নিয়ে গঠিত।

এখানে এখনও পর্যন্ত হওয়া ১৪টি বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে কংগ্রেস আটবার জয়লাভ করে। তারপরে আরসিপিআই চারবার জয়লাভ করেছে। ফরওয়ার্ড ব্লক এবং তৃণমূল কংগ্রেস একবার করে এই আসনটি জিতেছে। কংগ্রেস দুই দশক ধরে হাসনে আধিপত্য বিস্তার করে—১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে টানা পাঁচবার জয়লাভ করে। ২০১১ সালে কংগ্রেসের অসিত কুমার মাল আরসিপিআই–এর কমল হাসানকে ২৬,৪৫২ ভোটে পরাজিত করেন। তৃণমূল ২০১৬ সালে অসিত মালের অতীত সাফল্যের উপর ভর করে তাঁকে প্রার্থী করে। কিন্তু কংগ্রেসের মিল্টন রশিদ তাঁকে ১৬,১৫৪ ভোটে পরাজিত করেন। তৃণমূল অবশেষে ২০২১ সালে জয়লাভ করে যখন তাদের মনোনীত প্রার্থী অশোক কুমার চট্টোপাধ্যায় বিজেপির নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫০,৬১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

হাসনে বিজেপির উত্থান ধীর গতিতে হলেও তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি হাসন বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের পরে ২৯,৯১০ ভোটে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই বিধানসভা কেন্দ্রে ব্যবধান বেড়ে ৩৮,৯৫৮ ভোটে পৌঁছে যায়। যা বিজেপির পক্ষে ভাল ইঙ্গিত। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অসিত মাল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অশোককুমার চট্টোপাধ্যায় ভোট পান—১০৮২৮৯। আর বিজেপি প্রার্থী নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় ৫৭৬৭৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

২০২৪ সালে হাসনের নথিভুক্ত ভোটার সংখ্যা ছিল ২,৫৯,৬৭৪ জন, যা ২০২১ সালে ছিল ২,৪৮,১১৩ এবং ২০১৯ সালে ছিল ২,৩৫,৯৩৪ জন। বীরভূম জেলার উত্তর–মধ্য অংশে হাসন অবস্থিত। যা ময়ূরাক্ষী নদীর তীরবর্তী উর্বর সমভূমিতে রয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এখানকার মানুষজনকে ব্যাপক হয়রানি, হেনস্থার শিকার হতে হয়। তার প্রভাব পড়তে পারে ভোটবাক্সে। তার উপর একের পর এক সামাজিক প্রকল্প এখানে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আর মানুষের উপকার হয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে দুই ফুলের মধ্যে টানটান লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আজকের রাশিফল: ধনতেরাসে কাদের ঘরে আসবে ধন-সম্পদ! কার ভাগ্যে অশনি সংকেত?

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা