হিন্দু-শিখ কিংবা বৌদ্ধ ছাড়া অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে পিছড়ে বর্গের স্বীকৃতি হারাতে হবে

হিন্দু-শিখ কিংবা বৌদ্ধধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্ম গ্রহণ করলেই তফসিলি জাতি বা পিছড়ে (SC) বর্গের স্বীকৃতি হারাতে হবে দেশের নাগরিককে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হিন্দু-শিখ কিংবা বৌদ্ধধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্ম গ্রহণ করলেই তফসিলি জাতি বা পিছড়ে (SC) বর্গের স্বীকৃতি হারাতে হবে দেশের নাগরিককে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) যুগান্তকারী রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ তফসিলি জাতির কোনও ব্যক্তি হিন্দু-শিখ কিংবা বৌদ্ধধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্ম যদি গ্রহণ করেন তাহলে তিনি আর এসসি ক্যাটাগরির আওতায় থাকবেন না। আদালত জানিয়েছে, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হলেই তাঁর তফসিলি জাতির মর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সুতরাং এই ধরনের ব্যক্তিরা এসসি-এসটি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে কোনও সুরক্ষা পাবেন না। কোনও বাড়তি সুযোগও পাবেন না। আদালত আরও স্পষ্ট করেছে যে, যদি কেউ খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, তিনিও এসসি-এসটি আইনের আওতায় যোগ্য হবেন না।

আসলে সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের একজন ধর্মীয় যাজক চিন্থাদা আনন্দ এসসি-এসটি আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট আজ ঐতিহাসিক রায়টি দিল। চিন্থাদা আনন্দের অভিযোগ ছিল যে, খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহনের পর থেকেই কিছু লোক তাঁকে জাতপাত তুলে গালিগালাজ করেছে, তাঁর ওপর হামলা করেছে এবং তাঁকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তিনি একজন খ্রিস্টান যাজক। পাশাপাশি তিনি এসসি ক্যাটাগরির নাগরিক। প্রথম এই মামলাটি উঠেছিল অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টে। যেখানে হাইকোর্ট রায়ে বলেছিল, কোনও ব্যক্তি যদি খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হন, তাহলে তাঁর কাছে এসসি শংসাপত্র থাকলেও তিনি এসসি মর্যাদা পাবেন না। এরপরেই আনন্দ অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেন।

এদিন মামলাটির শুনানি করতে গিয়ে বিচারপতি পি.কে. মিশ্র এবং এন.ভি. অঞ্জারিয়ার বেঞ্চ হাইকোর্টের সেই সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে জানায় যে, কোনও ব্যক্তি খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে সক্রিয়ভাবে সেই ধর্ম পালন করলে, তাঁকে তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট আরও পর্যবেক্ষন করেছে যে, আনন্দ গত এক দশক ধরে চার্চের প্রার্থনা পরিচালনা করছেন। ঘটনার সময়েও তিনি খ্রিস্টধর্ম পালন করছিলেন, যার ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তফসিলি জাতি (SC) মর্যাদা বাতিল হয়ে গিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণরূপে বহাল রেখে আদালত আরও বলেছে যে, বর্তমান মামলায় আবেদনকারী দাবি করেননি যে তিনি খ্রিস্টধর্ম থেকে তার মূল ধর্মে পুনরায় ধর্মান্তরিত হয়েছেন। কারণ তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে খ্রিস্টধর্ম পালন করছেন এবং যাজক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর সঙ্গে হওয়া ঘটনার সময়েও তিনি একটি প্রার্থনা সভা পরিচালনা করছিলেন। এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায় যে, ঘটনার দিন তিনি খ্রিস্টধর্মের অনুসারী ছিলেন। অতএব,  তিনি আর আইনীভাবে তফসিলি জাতির মর্যাদা পাবেন না। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তটি এমন সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তফসিলি জাতির মর্যাদা শুধুমাত্র হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

১০ মিনিটেই ঘরে বানিয়ে ফেলুন রেস্তোরাঁ স্টাইল ‘গার্লিক বাটার বেকড স্যামন’

রাজ্যে প্রায় ৬ হাজার সরকারি কর্মী নিয়োগ হবে, বড় ঘোষণা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

লুকআউট নোটিস জারি হতেই ইডি দফতরে হাজির ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস

ভুলে যান তেলের কথা, জলেই বানান ধবধবে ফুলকো লুচি! জেনে নিন সম্পূর্ণ পদ্ধতি

চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, গ্রেফতার ২

বাড়িতেই বানান হোটেলের কায়দায় মশলাদার সোয়া চাপ, স্বাদে হার মানবে আমিষ পদও

উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, প্রথম দশে ৬৪ জন

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অশ্লীল মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায়, গ্রেফতার ২

আইনজীবী হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির মমতা, কোন মামলা লড়ছেন?

‘লড়াই নয়, একসঙ্গে কাজ হোক’, ট্রাম্পকে বার্তা চিনা প্রেসিডেন্টের

কলকাতার জয়রথ রুখে দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে বিরাটরা

IPL-এ ‘রান মেশিন’ হয়ে উঠেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান, জিতে নেবেন অরেঞ্জ ক্যাপ?

তিলজলা অগ্নিকাণ্ডে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড দমকলের আধিকারিক

মাথায় হেলমেট না থাকায় তিনদিনে ৩ হাজার চালকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা পুলিশের