অভিভাবকদের ফেসবুক আসক্তি কি পরিবারে দূরত্ব বাড়াচ্ছে? সমাজমাধ্যম থেকে দূরে থাকার উপায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: অভিভাবকদের অতিরিক্ত ফেসবুক আসক্তি বর্তমান যুগে পারিবারিক দূরত্ব বাড়িয়ে তুলেছে! প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে আজ অনেক পরিবারেই তৈরি হচ্ছে এক অদৃশ্য দেওয়াল, যেখানে একই ছাদের নিচে থেকেও মানুষ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন। অবশ্য ফেসবুক ব্যবহার করলেই যে সমস্যা, তা নয়। বন্ধু-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, তথ্য জানা কিংবা বিনোদনের জন্য উপকারী হতে পারে। কিন্তু যখন ফেসবুক বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, দৈনন্দিন দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একই ঘরে থেকেও অনেক সময় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথাবার্তা কমে যাচ্ছে। আবার পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে গেলেও যদি বেশির ভাগ সময় ফোনেই কাটে, তাহলে দুরন্ত মুহূর্তগুলো উপভোগ করার সুযোগ কমে যায়। নতুন নোটিফিকেশন, লাইক, মন্তব্য কিংবা ভিডিও দেখার সময় মস্তিষ্কে ডোপামিন নামের একটি রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। এটি ভাল লাগার অনুভূতি তৈরি করে। সেই অনুভূতি আবার পেতে অনেকেই অজান্তেই বারবার ফোন হাতে নেন। এ ছাড়া ফেসবুকের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর পছন্দ বুঝে একই ধরনের আরও কনটেন্ট দেখায়। ফলে পাঁচ মিনিটের জন্য ফোন হাতে নিলেও কখন যে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা কেটে যায়, অনেকেই টের পান না।

কখন বিষয়টি সমস্যা হিসেবে লক্ষণীয়

মনোযোগের অভাব: সন্তানেরা বাবা-মায়ের সাথে কথা বলার সময় অনেক সময়ই তাদের ফেসবুকে ব্যস্ত দেখতে পায়।

আবেগের দূরত্ব: মুখোমুখি কথোপকথন কমে যাওয়ায় পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হচ্ছে।

অনুকরণ প্রবণতা: বাবা-মায়ের এই অভ্যাস দেখে শিশুরাও দ্রুত মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে।

মানসিক অবসাদ: পারিবারিক সময় কমে যাওয়ায় ছোটদের মনে একাকীত্ব ও ক্ষোভের জন্ম হচ্ছে।

ফেসবুক আসক্তি কাটানোর উপায়

ডিজিটাল ডিটক্স: প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য (যেমন—খাওয়ার সময় বা ঘুমানোর আগে) মোবাইল সম্পূর্ণ দূরে রাখুন।

পারিবারিক আড্ডা: প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা পরিবারের সবাই মিলে প্রযুক্তি ছাড়া গল্প বা ইনডোর গেমসে মেতে উঠুন।

নোটিফিকেশন বন্ধ করা: সামাজিক মাধ্যমের অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন, যাতে বারবার ফোন দেখার ইচ্ছে না হয়।

অ্যাপ ব্যবহারের সীমা: ফোনে স্ক্রিন টাইম ট্র্যাকার ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহারের দৈনিক সময় বেঁধে দিন।

যদি অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের কারণে পারিবারিক সম্পর্ক, ঘুম, কাজ বা মানসিক স্বাস্থ্যে স্পষ্ট প্রভাব পড়ে এবং নিজে থেকে ব্যবহার কমানো সম্ভব না হয়, তাহলে একজন মনোরোগবিশেষজ্ঞ বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে পারেন। ফেসবুক নিজে সমস্যা নয়। সমস্যা তখনই, যখন এটি বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করার জন্য, জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়।

জানেন কেন কিডনির গ্লুকোজ সহনশীলতার সর্বোচ্চসীমা ১৮০ মিলিগ্রাম হয়?

গা ছমছমে অনুভূতি পেতে চান? কার্শিয়াঙের এই জায়গায় গেলেই মিলবে ‘মুণ্ডহীন’ ভূতের দেখা

ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, কুলগাঁওয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক

‘তাহিরের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল’, বললেন নিহত গোয়েন্দাকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাই

প্রতিদিন এক কাপ ব্ল্যাক কফিতেই সুরক্ষিত থাকবে হার্ট ও লিভার

সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? চাকরির সঙ্গে ভালবাসা বাঁচাতে খেয়াল রাখুন এই বিষয়ে..

ঢাকায় দীনেশ ত্রিবেদির সঙ্গে বৈঠক ট্রাম্পের বিশেষ দূতের, জোর জল্পনা

রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার মনোনীত সদস্যের তালিকা প্রকাশ করল বিকাশ ভবন

আশ্রয়ের খোঁজে মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় যেতে গিয়ে সলিল সমাধি ৪১ জনের

ডিমের পর মিড ডে মিলে এবার পড়ুয়াদের পাতে মাছও! বড় ঘোষণা নিশীথের

দিল্লি দাঙ্গায় আইবি আধিকারিক খুনে প্রাক্তন আপ নেতা তাহির হুসেনের যাবজ্জীবন

৫৩ বছর আগে অপহরণের চিঠি বোতলে ভরে ভাসানো হয়েছিল সমুদ্রের জলে, তার পর…

পার্কিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

১৮ বছর বাদে বাড়ি ফিরলেন ‘মৃত’ দাদা, ভূত দেখার মতো চমকে উঠলেন ভাই