‘মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মৃত সোহরাওয়ার্দি-ফজলুল হক’, নয়া ইতিহাস পাঠ মোল্লা ইউনূসের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অবদান মুছে ফেলতে গিয়ে বেনজির কাণ্ড ঘটিয়েছে রাজাকার মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। একাত্তরের বহু বছর আগে মৃত হিন্দু নিধন যজ্ঞের দুই হোতা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন সোহরাওয়ার্দি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতি জারি করে ও ফেসবুকে রীতিমতো পোস্ট করে ওই গাজাখুরি দাবি করেছেন ‘কুখ্যাত গাজাখোর’ তথা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। ওই বিবৃতি প্রকাশ হতেই রীতিমতো মশকরায় মেতে উঠেছেন নেটা নাগরিকরা। অনেকে ঠাট্টা করে লিখেছেন, ‘এই সব গাধারা নাকি ভবিষ্যতের নাগরিক গড়বেন!’

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ ডিসেম্বর। মুক্তিযুদ্ধের সময় নিশ্চিত হার বুঝতে পেরে এই দিনটিতেতে বাঙালি মেধা নিধনে মেতে উঠেছিল পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র ক্যাডাররা। শহীদুল্লাহ কায়সার-সিরাজউদ্দিন সহ বাংলাদেশের কয়েকশো সাহিত্যিক-সাংবাদিক-শিক্ষাবিদ-চিকি‍ৎসককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল। বাংলাদেশ জন্মের পর থেকেই ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবস হিসাবে পালন করা হয়। গত ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবসে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় পাক সেনার কুকীর্তি আড়াল করতে আসরে নামেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য তথা জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ শামিমউদ্দিন। পূর্বপুরুষ কসাইদের ন্যক্কারজনক ভূমিকা আড়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনারা বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছে-এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বুদ্ধিজীবিদের মেরেছে ভারতের সেনারা।’ রাজাকার শামিমের ওই মন্তব্য নিয়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। খালেদা জিয়ার দল বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের তরফে গতকাল সোমবার দিনভর রাজাকার শামিমের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সতীর্থকে বাঁচাতে রাতে আসরে নামেন আর এক রাজাকার তথা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

তিনি এক বিবৃতি জারি করে মুক্তিযুদ্ধের নয়া ইতিহাস হাজির করেন। দুই কসাই ফজলুল হক ও হোসেন সোহরাওয়ার্দি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে দাবি করে তিনি লেখেন, ‘অধ্যাপক শামিম শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি, এ কে ফজলুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানি সহ সকল শহিদকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছিলেন।’ ওই বিবৃতি দেখে চোখ থ মেরে যায় নেটা নাগরিক তথা মুক্তিযুদ্ধ শিবিরের সমর্থকদের। কেননা, মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার আট বছর আগে ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বেইরুটের এক হোটেলকক্ষে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা যান কসাই সোহরাওয়ার্দি। আর ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল মারা গিয়েছিলেন আর এক হিন্দু নিধনকারী ফজলুল হক। কিভাবে দুই মৃত মানুষ মুক্তিযুদ্ধের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিলেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

৩ অক্টোবর শুক্রের উল্টো চালে ধনসম্পত্তি উপচে পড়বে ৩ রাশির জাতকদের

পুজোতে ৪ রাশির ভাগ্যবদল, শুক্রের বক্রীগতিতে হাতে আসবে টাকা!

ক্রাশের থেকে প্রেমের প্রস্তাব, দাম্পত্য কলহ বাড়বে, সন্ধ্যায় প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে যান

পুজোতে সকালে শাড়ি পড়বেন? জেনে নিন এই ৫ ম্যাজিক ট্রিক

কম ঘুমালেই বাড়বে ওজন! দ্রুত বদলে ফেলুন এই অভ্যাস, নইলে পড়বেন বিপদে

চিকেনের লেগ পিস দিয়ে ঝালমুড়ি! মাত্র ৫ মিনিটে বানান সহজ এই রেসিপি

মেদ ঝড়াতে চান? প্রতিদিনের এই ১টি অভ্যাস বদলে ফেলুন!

ঘোড়ায় আগমন, বিদায় নৌকায়! দেবীর বাহন নিয়ে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে শাস্ত্র?

ঘনাচ্ছে গভীর নিম্নচাপ, সোম থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

পুরসভার পর এবার পঞ্চায়েতেও বসবে প্রশাসক, ঘোষণা দিলীপ ঘোষের

‘জঙ্গলমহলে বিভাজনের চেষ্টা করেছিল মমতার সরকার,’ পুরুলিয়া থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

অতিরিক্ত মানসিক চাপেই বাড়ে পেটের সমস্যা! জেনে নিন এই ৫ লক্ষণ

মাত্র ১টি পাতা! পেটের সমস্যা দূর করে কমাবে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল!

১ টাকায় মিলবে ২৪ জিবি ডেটা! অবিশ্বাস্য অফার আনল BSNL