এই মুহূর্তে

অন্ধকারে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন, ইন্দো-বাংলা বণিকসভার শীর্ষ পদে হিযবুত জঙ্গি‍!

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: খালেদা জিয়ার জমানায় তৈরি হওয়া ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের যৌথ সংগঠন ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই) এর “পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” নিল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকাররা। সবচেয়ে আশ্চর্যের হল, ঢাকায় থাকা ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকরা গতকাল সোমবারই (৮ ডিসেম্বর) এ খবর জানতে পেরেছেন। আর ওই খবর জানতে পারার পরেই কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকারদের ইন্দো-বাংলাদেশ বণিকসভার দখলের পিছনে অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

২১ বছর আগে ২০০৪ সালে খালেদা জিয়ার জমানায় ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক স্বার্থে তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। ঠিক হয়েছিল, দুই দেশের ১২ জন করে সদস্য নিয়ে পরিচালক পর্ষদ তৈরি হবে। গড়ে ওঠার পর থেকেই সংগঠনটিতে ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে এমন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা ছিলেন। সংগঠনের সর্বশেষ সভাপতি ছিলেন নিটল মোটরসের আব্দুল মতলুব আহমেদ। ২০২৫-২৭ মেয়াদের জন্য সংগঠনের ২৪ সদস্যের পর্ষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সবাই নির্বাচিত হন।

সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন পাকিস্তানপন্থী হিসাবে পরিচিত  রহমান শিপিং লাইনসের কর্ণধার মশিউর রহমান। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সিইএমএস) লিমিটেডের মেহেরুন নেসা ইসলাম এবং টরেসিড বাংলাদেশ লিমিটেডের অমিত কুমার তিওয়ারি। পরিচালক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন এয়ার টাচ লিমিটেডের মাওলানা ইয়াকুব শরাফতী, এ আর খান পাঠান সিএনজি ফিলিং স্টেশনের হুমায়ুন রশিদ খান পাঠান রুমেন, আয়ান ইন্টারন্যাশনালের আখতারুল ইসলাম রিমন, আদম ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ শরফুদ্দিন আলী, ইসলাম অ্যান্ড সন্সের হাবিব হাসান তালুকদার, ডা. লাল পাথ ল্যাবস বাংলাদেশের দেলোয়ার হোসেন, ডিএসএম কমোডিটিসের দীপক কুমার বড়াল, সেফ সি বাংলাদেশের এটিএম আলতাফ হোসেন লোটাস, উইকিটেক্স-বিডির একেএম সাইফুর রহমান, মাশরুবা মেডিকেল টেকনোলজিসের মনসুর আহমেদ, বায়োফার্মার লোকিয়াত উল্লাহ, আরআর-ইম্পেরিয়াল ইলেকট্রিক্যালসের মাহবুব হোসেন মিরধা, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার সৌরভ বিশ্বাস ও টাটা মোটরসের রাহুল কাম্বোজ।

এর মধ্যে এ আর খান পাঠান সিএনজি ফিলিং স্টেশনের হুমায়ুন রশিদ খান পাঠান রুমেনের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মেহেরুন নেসা ইসলামও ভারত বিদ্বেষী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশের তরফে যারা নয়া কমিটিতে এসেছেন তারা সবাই পাকিস্তান ঘনিষ্ঠ ও দিল্লি বিরোধী জেহাদের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গিয়েছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

হিন্দু নিধন যজ্ঞের হোতাদের জামাই আপ্যায়ন ঢাকার ভারতীয় দূতের, ক্ষোভে ফুঁসছেন মুক্তিযোদ্ধারা

জেলের গেটে প্রথমবার মৃত ছেলেকে কোলে নিয়ে স্ত্রীর মরদেহ ছুঁয়ে কাঁদলেন হাসিনার দলের ছাত্র নেতা

বাংলাদেশের নরসিংদীতে ফের হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে খুন

সুবর্ণ সুযোগ, ১৫,০০০ টাকার বিশাল ছাড়ে মিলছে Google Pixel 9a

Airtel আনল ধামাকা অফার, কম খরচে আনলিমিটেড কলিং আর ডেটার মজা ৭৭ দিনের জন্য

মাত্র ১০মিনিটেই ফুল চার্জ, চলবে দেড় দিন! 10001 mAh ব্যাটারি নিয়ে আসছে এই ফোন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ