এই মুহূর্তে




জমি দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরুদ্ধে প্রতিহংসা পরায়ণ হয়ে উঠেছে  তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  গত ১৭ নভেম্বর জুলাই গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনা ও তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছে। এবার আরও এক মামলায় শাস্তির মুখে বঙ্গবন্ধু কন্যা। অবৈধভাবে ঢাকায় জমি হাতানোর অভিযোগে দায়ের মামলায় দেশত্যাগী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া হল সাজা। ঢাকার পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির আলাদা তিন মামলায় সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে হাসিনাকে।

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হাসিনার বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করেছেন ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মহম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় ২৩ নভেম্বর। পৃথক তিন মামলায় অভিযুক্তের সংখ্যা ৪৭। তবে ব্যক্তি হিসাবে সেই সংখ্যা ২৩। অভিযুক্তরা হলেন, শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সহ ২০ জন। বাকিরা হলেন প্রাক্তন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, প্রাক্তন সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. কামরুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, প্রাক্তন সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, রাজউকের প্রাক্তন উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, উপপরিচালক হাবিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। আসামিদের মধ্যে একমাত্র মোহাম্মদ খুরশীদ আলম গ্রেফতার হয়েছেন।

গত বছরের ৫ অগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ভুরি-ভুরি মিথ্যা মামলা দায়ের হয়। গণহত্যার পাশাপাশি দুর্নীতিরও একাধিক মামলায় আসামী করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে বোন শেখ রেহানাকে প্লট বরাদ্দ দেন শেখ হাসিনা। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা পূর্বাচলের ১০ কাটা জমি বরাদ্দ করা হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আরও উঠে আসে, মায়ের নামে প্লটের দাবিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেন রেহানা-কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক। মামলার একমাত্র গ্রেফতার হওয়া আসামি তথা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন আধিকারিক খুরশিদ আলমের তরফে দাবি করা হয়, ‘তিনি সরকারি আধিকারিক হিসেবে ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ পালনে বাধ্য ছিলেন।’

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে না’, ইঙ্গিত দিলেন জয়শঙ্কর

ফোন কিনতে নিজের বাড়িতে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি, গ্রেফতার ৩ নাবালক

লন্ডন যাত্রা করবেন কি খালেদা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ রাতে

দিদি বেঁচে নেই, ওপার বাংলা থেকে ছুটে এল ভাই, শেষ দেখার ব্যবস্থা করল বিজিবি–বিএসএফ

নয়া কীর্তি পাকিস্তানের দালাল মোল্লা ইউনূসের,  ‘মুক্তিযুদ্ধ’ বদলে হল ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’

কাতার থেকে নয়, খালেদার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলান্স আসছে জার্মানি থেকে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ