মঙ্গলবার আষাঢ় অমাবস্যা, জানুন পুজোর নিয়ম ও পিতৃদোষ মুক্তির উপায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভের জন্য বছরের কিছু বিশেষ তিথির মধ্যে আষাঢ় অমাবস্যা অন্যতম। জ্যোতিষশাস্ত্র ও সনাতন ধর্মমতে, এই দিনে করা স্নান, তর্পণ, দান ও পিতৃস্মরণ বহু জন্মের ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং জীবনের নানা বাধা-বিপত্তি দূর করার পথ খুলে দেয়। ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) পালিত হবে পবিত্র আষাঢ় অমাবস্যা। বিশ্বাস করা হয়, এই তিথিতে সঠিক নিয়মে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা ও দান করলে পিতৃদোষের প্রভাব কমে, সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় এবং জীবনে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী আষাঢ় মাসের অমাবস্যা তিথি অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত। এই তিথিকে অনেকেই পিতৃ অমাবস্যা নামেও চেনেন।

স্নান ও দানের শুভ সময়

জ্যোতিষ মতে, অমাবস্যা তিথিতে সূর্যোদয়ের পরের সময়টি পবিত্র স্নান ও দানের জন্য সবচেয়ে শুভ।

অমৃতযোগ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ভোর ৫:৩২ মিনিট থেকে সকাল ৮:৪৫ মিনিট পর্যন্ত।

শুভ সময় : সকাল ১১:৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১২:৩৫ মিনিট পর্যন্ত।

আষাঢ় অমাবস্যায় কীভাবে করবেন পূর্বপুরুষদের তর্পণ?

১. ভোরবেলা উঠে সম্ভব হলে কোনও পবিত্র নদীতে স্নান করুন। নদীতে যাওয়া সম্ভব না হলে বাড়িতে স্নানের জলে কয়েক ফোঁটা গঙ্গাজল মিশিয়ে স্নান করুন। এরপর ঈশ্বরের স্মরণ করে শুভ কর্মের সংকল্প নিন।

২.স্নান শেষে একটি তামার পাত্রে জল, রক্তচন্দন ও লাল ফুল রেখে ‘ওঁ সূর্যায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করুন।

৩. এরপর একটি তামা বা ব্রোঞ্জের পাত্রে জল, কাঁচা দুধ, কালো তিল, যব (হব) ও কুশ মিশিয়ে দক্ষিণমুখী হয়ে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তর্পণ করুন।

৪. এদিন বাড়িতে নিরামিষ খাবার রান্না করুন। খাবার পরিবেশনের আগে গরু, কুকুর, কাক, দেবতার উদ্দেশ্যে এবং পিঁপড়ের জন্য পাঁচটি পৃথক অংশ উৎসর্গ করার প্রথা রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, এতে পিতৃপুরুষরা সন্তুষ্ট হন।

৫. তর্পণ সম্পন্ন হওয়ার পর একজন ব্রাহ্মণকে অন্নদান করুন। পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী তিল, বস্ত্র, খাদ্যশস্য বা জলভর্তি পাত্র দান করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পেতে সন্ধ্যায় কী করবেন?

জ্যোতিষশাস্ত্রে অশ্বত্থ গাছকে দেবতা ও পিতৃপুরুষদের আবাসস্থল হিসেবে মানা হয়। তাই আষাঢ় অমাবস্যার সন্ধ্যায় অশ্বত্থ গাছের নীচে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করুন। এছাড়াও বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার অথবা দক্ষিণ দিকের কোণে পূর্বপুরুষদের নামে তিল বা সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো শুভ বলে বিশ্বাস করা হয়। ধর্মীয় মত অনুযায়ী, এই আচার পালন করলে পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ হয় এবং সংসারে সুখ, শান্তি ও আর্থিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।

যৌনাঙ্গের যত্নে এই ৬ ভুল করছেন না তো? অজান্তেই বাড়তে পারে সংক্রমণের ঝুঁকি

বেপরোয়া গতির গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু তীর্থযাত্রীর, ঘাতক এসইউভি পুড়িয়ে দিল ক্ষুব্ধ জনতা

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের পাশে মেসি, হাসপাতাল  নির্মাণে দিলেন ২৬ লক্ষ ইউরো

ফ্রিজে রাখলেই বিষ! এই ৫টি খাবার ভুলেও রেফ্রিজারেটরে রাখছেন না তো?

অক্টোবরেই বিরল ‘মহালক্ষ্মী রাজযোগ’, উন্নতির শিখরে পৌঁছবেন ৪ রাশির জাতকরা

সংসারে টাকার অভাব? আর্থিক সঙ্কট দূর করতে ফ্রিজের উপর রাখুন তিনটি জিনিস

জামুইয়ে মোটরবাইক থেকে তরুণীকে নামিয়ে যৌন হেনস্থাকে ‘ছোট্ট ঘটনা’ আখ্যা মন্ত্রীর

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার সাতক্ষীরার সাংসদ

বিরল কীর্তি গড়তে চলেছেন তারেক, বাবা-মায়ের পর রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় ভাষণ দিচ্ছেন

ধোনিদের কোচ বদল, ফ্লেমিংয়ের জায়গায় এলেন জাহির খান

মঙ্গলে বাইরে বেরোলে সঙ্গে রাখুন ছাতা, দিনভর ভোগাবে বৃষ্টি

পাসপোর্টের বদলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ! হাতেনাতে দুই সিভিক ভলান্টিয়ার গ্রেফতার

বদলের বাংলায় চৈতন্যদেবকে সম্মান, মহাপ্রভুর নামে হচ্ছে বিশ্ববাংলা সরণি?

মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন শান্তিপুরের দম্পতি