মধ্যপ্রদেশে ‘জয়-বীরু’, রাজস্থানে গহলৌত কংগ্রেসকে ডুবিয়ে দিলেন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমজনতার প্রত্যাখিত তিন নেতার উপরে ভরসা করে করেই মধ্যপ্রদেশ আর রাজস্থানে ডুবল কংগ্রেস।ওই তিন নেতা হলেন কমল নাথ, দিগ্বিজয় সিং ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। বার বার প্রত্যাখিত হওয়া সত্বেও কেন ওই তিন নেতাকে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে না, রবিবার বিধানসভা ভোটে শোচনীয় হারের পরেই সেই প্রশ্ন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতার দাবি, গত চার দশকের বেশি সময় ধরে দলে ছড়ি ঘোরানো তিন নেতাকেই এবার সংগঠন থেকে রাজনৈতিক সন্ন্যাসে পাঠানো উচিত।

পাঁচ বছর আগে তরুণ-তুর্কি নেতা শচিন পাইলট বিজেপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করে মরুরাজ্যে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন। কিন্তু দল ক্ষমতায় আসার পরেই উড়ে এসে জুড়ে বসার মতোই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন সাধারণ মানুষের কাছে রাজ্যের সবচেয়ে ঘৃণিত নেতা হিসাবে পরিচিত অশোক গহলৌত। গত পাঁচ বছরে তাঁর একমাত্র কাজ ছিল, প্রতিপক্ষ শচিন পাইলটকে কোনঠাসা করা আর সন্তান বৈভবকে বৈভবশালী করা। এবারের বিধানসভা ভোটের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও পাইলট শিবিরের যোগ্য নেতাদের বঞ্চিত করেছেন। পরিবর্তে নিজের খাস ভৃত্য গোত্রের নেতাদের টিকিট দিয়েছেন।

মধ্যপ্রদেশে দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসে শেষ কথা বলে চলেছেন বার বার ব্যর্থ কমল নাথ-দিগ্বিজয় সিং। নিজেদের ‘শোলে’ সিনেমার অমিতাভ-ধর্মেন্দ্রর মতো ‘জয়-বীরু’ বলে আখ্যা দেন দুই পোড়খাওয়া নেতা। অথচ দুজনের আস্তিনে লুকানো রয়েছে ছোড়া। একে অন্যকে কীভাবে বিপাকে ফেলবেন, সব সময়ে সেই ছক কষে চলেছেন। অরুণ যাদব থেকে শুরু করে রাজ্যে কংগ্রেসের প্রতিভাবান ও যোগ্যতাসম্পন্ন নেতাদের সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে দেননি। গতবার বিজেপিকে সরিয়ে দলকে ক্ষমতায় ফেরাতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন তরুণ-তুর্কি নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। অথচ দল ক্ষমতায় আসার পরে তাঁর অবদান অস্বীকার করে সুবিধাবাদী হিসাবে পরিচিত কমলনাথকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়েছিলেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতটত্ব। এবারের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে কংগ্রেসের পক্ষে যে হাওয়া উঠেছিল, সেই হাওয়া কাজে লাগানোর কোনও চেষ্টা চালাননি দুই নেতা। শুধু বিবৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমে ভেসে থাকার নিরলস চেষ্টা চালিয়েছেন।

কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব সব কিছু জেনেও চুপচাপ বসেছিলেন। পাছে ভোটের আগে এই নেতারা বিদ্রোহ করে দলকে বিপাকে ফেলেন সেই আশঙ্কায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দুই রাজ্যেই কংগ্রেসকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে কমল নাথ, দিগ্বিজয় সিং আর অশোক গহলৌতের মতো বয়সের ভারে ন্যুব্জ নেতাদের সরিয়ে তরুণ ও যুব প্রজন্মকে নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। তরুণ ও যুব ভোটারদের কাছে নতুন করে বার্তা দিতে হবে।

 

পুজোতে সকালে শাড়ি পড়বেন? জেনে নিন এই ৫ ম্যাজিক ট্রিক

কম ঘুমালেই বাড়বে ওজন! দ্রুত বদলে ফেলুন এই অভ্যাস, নইলে পড়বেন বিপদে

চিকেনের লেগ পিস দিয়ে ঝালমুড়ি! মাত্র ৫ মিনিটে বানান সহজ এই রেসিপি

মেদ ঝড়াতে চান? প্রতিদিনের এই ১টি অভ্যাস বদলে ফেলুন!

ঘোড়ায় আগমন, বিদায় নৌকায়! দেবীর বাহন নিয়ে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে শাস্ত্র?

অতিরিক্ত মানসিক চাপেই বাড়ে পেটের সমস্যা! জেনে নিন এই ৫ লক্ষণ

মাত্র ১টি পাতা! পেটের সমস্যা দূর করে কমাবে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল!

১ টাকায় মিলবে ২৪ জিবি ডেটা! অবিশ্বাস্য অফার আনল BSNL

ঘনাচ্ছে গভীর নিম্নচাপ, সোম থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

পুরসভার পর এবার পঞ্চায়েতেও বসবে প্রশাসক, ঘোষণা দিলীপ ঘোষের

‘জঙ্গলমহলে বিভাজনের চেষ্টা করেছিল মমতার সরকার,’ পুরুলিয়া থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

ফাঁকা রাস্তার ধারে পাথর দিয়ে এটিএম ভেঙে লুঠের চেষ্টা! আটক যুবক

‘ONGC অয়েলফিল্ড নিয়ে কোনও রাজনৈতিক বিভাজন নয়,’ সাফ বার্তা শমীকের

রেজিনগরে ভোটপ্রচারে যাচ্ছেন মমতা-অভিষেক, তালিকা প্রকাশ করল কালীঘাট তৃণমূল