ঘর বাঁধার স্বপ্ন অধরাই রইল, কলকাতার অনামিকা আর লখনউয়ের নীলেশের প্রাণ কাড়ল আগুন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুহূর্তেই শেষ এক ভালবাসার গল্প! আর মাত্র কয়েক মাস পরেই বিয়ের সানাই বাজত। কিন্তু ভাগ্য সহায় হল না। একসঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়ার স্বপ্ন ছিল, সংসার গড়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু জীবনসঙ্গী হওয়া আর হল না, মৃত্যুই তাদের একসঙ্গে করে দিল চিরকালের জন্য। এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তরুণ-তরুণীর জীবনই থেমে গেল। লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন লেগে প্রাণ হারান কলকাতার অনামিকা সামন্ত (২৭) এবং তাঁর হবু স্বামী নীলেশ কুমার (২৮)। এই মর্মান্তিক ঘটনায় মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার বাসিন্দা অনামিকা কর্মসূত্রে গত কয়েক বছর ধরে লখনউয়ে থাকতেন। 

জানা গিয়েছে, কলকাতার মেয়ে অনামিকা। কর্মসূত্রে লখনউয়ে থাকতেন তিনি। অনামিকা গেম ডেভেলপমেন্ট সংস্থায় থ্রিডি আর্টের কাজ করতেন। আর সেখানেই নীলেশ ছিলেন তাঁর সহকর্মী।একসঙ্গে কাজ করতে করতেই তাঁদের মধ্যে এক ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়। তাঁরা তিন বছর ধরে একে অপরকে চিনতেন। অবশেষে সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে রাজি হয়েছিল দুই পরিবারও। সম্প্রতি অনামিকার বাবা-মা কলকাতা থেকে লখনউ গিয়ে নীলেশের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী নভেম্বরে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। নীলেশের দাদা অভিষেক কুমার জানান, অনামিকার পরিবার কয়েক দিন আগেই তাঁদের বাড়িতে এসেছিল বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে। পরের সপ্তাহে কলকাতা যাওয়ার কথা ছিল আমাদেরও। কিন্তু সেই সমস্ত পরিকল্পনা মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, যে ভবনে কোচিং সেন্টারে আগুন লাগে, তার তৃতীয় তলায় ছিল অনামিকা ও নীলেশের কর্মস্থল। সোমবার (২২ জুন) আচমকাই সেই তলাতেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ভয়াবহতায় আর বেরিয়ে আসতে পারেননি তাঁরা। 

আরও পড়ুন: ‘১০ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠিয়েছি’, বিধানসভায় দাবি শুভেন্দুর

নীলেশের পরিবার জানায়, প্রথমে এই দুর্ঘটনার কথা জানতেন না তাঁরা। সোমবার সন্ধ্যায় মর্গ থেকে ফোন আসার পর তাঁরা জানতে পারেন নীলেশের মৃত্যু হয়েছে। একইভাবে শোকে কাতর অনামিকার পরিবারও। অনামিকার পরিবারে রয়েছেন তাঁর বাবা বিশ্বনাথ সামন্ত, মা সুলেখা সামন্ত এবং এক ভাই। অন্যদিকে নীলেশ চার ভাইবোনের মধ্যে একজন ছিলেন। দুই পরিবারেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখ্য, সোমবার লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভবনের উপরের তলায় ছিল কোচিং সেন্টার এবং তার নিচের তলায় গেম ডেভেলপমেন্ট সংস্থার অফিস। দুর্ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই পড়ুয়া। ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে প্রশাসন। কোচিং সেন্টারটি সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

হোপ-পলের যুগলবন্দিতে ভারতকে দুরমুশ করে সিরিজে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ওয়েস্ট ইন্ডিজের

নবরাত্রির রাতে এই কাজ করলেই ঘুচবে দারিদ্র্য, খুলবে চাকরির দরজা

জার্মানিতে বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু তিন ভারতীয়র, পুড়িয়ে মারার শঙ্কা

বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে ৫০ কেজির রুপোর পালকিতে চেপে আসে নবপত্রিকা

তাণ্ডব চালিয়ে শতরান শাই হোপের, জিততে শ্রেয়সদের চাই ২৪৮ রান

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমানার অভিযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে পিটিয়ে মারল মৌলবাদীরা

দুর্গাপুজোতে ভুল করেও মুখে দেবেন না ৫ সবজি-ফল-শাক

ঠাকুর দেখার ফাঁকে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া, কলকাতার সেরা ফিশ রোল পাবেন কোথায়?

 ৫২ হাজার ৮৭৮ কোটিতে বিক্রি হচ্ছে IDBI ব্যাঙ্ক, অনুমোদন দিল কেন্দ্র

আগরকরের উত্তরসূরি কে? ভারতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্থিব পটেল

‘আরশোলাদের বিক্ষোভের সময়ে পরিষেবা বাতিল হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে দাবি দিল্লি মেট্রোর

কোচবিহার জেলা পরিষদের নতুন সভাধিপতি তৃণমূলের টিকিটে জেতা হিমানি ইশর

সুখবর, রেল কর্মচারিরা ৭৮ দিনের পুজো বোনাস পাবেন

ICC টি টোয়েন্টি ক্রমতালিকায় ভারতীয়দের দাপট, শীর্ষের কারা