এই মুহূর্তে




নির্দোষ ৪ জন! দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় ধৃত তিন চিকিৎসক ও দিনাজপুরের নিশারকেও মুক্তি দিল NIA

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হরিয়ানার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। যার মধ্যে রয়েছেন জাহান নিশার আলম। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ডাক্তারি পড়ুয়া। যাঁকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর থেকে পাকড়াও করা হয়েছিল। জানা যায়, সেখানে তাঁর পৈতৃক বাড়ি। এবংহ মা-বোনকে নিয়ে এখানে এক আত্মীয়র বিয়ে খেতে এসেছিলেন তিনি। আর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখান থেকে তাঁকে পাকড়াও করে ছিল NIA। তবে সূত্রের খবর, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার (১৬ নভেম্বর) চার চিকিৎসককে মুক্তি দিয়েছে NIA। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে তাঁদের কোনও নির্দিষ্ট যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নিশার ছাড়া মুক্তিপ্রাপ্ত তিন চিকিৎসকরা হলেন রেহান, মহম্মদ, মুস্তাকিম।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ভোরে লুধিয়ানার বাসিন্দা নিশারকে গ্রেফতার করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর থেকে। বাকিদের ধরা হয়েছিল হরিয়ানার নুহ্ থেকে। সেই থেকে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করছিল NIA তদন্তকারী অফিসারেরা। জেরার মুখে তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তাঁরা অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর উন-নবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, কিন্তু তাদের কাছ থেকে তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে NIA কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন যে, তদন্তে দিল্লিকাণ্ডের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগসূত্র মেলেনি। দীর্ঘ দিন আগে উমরের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় থাকলেও সাম্প্রতিক অতীতে উমরের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগ ছিল না। তাই তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ছাড়া পেয়েছেন সার বিক্রেতা দীনেশ সিংলাও। তবে, মুক্তি পাওয়া সকলকেই নজরদারিতে রাখা হবে বলে জানিয়েছে NIA।

নিশার উত্তর দিনাজপুরে সূর্যাপুরে বোনের বাগদান এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন। তখনই ছাত্রকে গ্রেফতার করে ইসলাম পুরে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। এরপর তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পরেও কোনও সন্দেহজনক তথ্য পাননি তদন্তকারীরা। অগত্যা শনিবার তাঁকে ‘ক্লিন চিট’ দিয়েই মুক্তি দেওয়া হয়। নিশারকে এনআইএ-র শিলিগুড়ি দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে নিশারের সরাসরি কোনও যোগসূত্র ছিল কি না, তা এখনও প্রমাণ হয়নি। উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার অদূরে থাকা একটি সাদা রঙের হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ১৩ জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন উমর নামে আল-ফালাহ্‌র এক চিকিৎসক। তিনিই মূল অভিযুক্ত, তবে শক্তিশালী বিস্ফোরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে নাকি তিনি পালিয়ে ছেন, তা এখনও খতিয়ে দেখছেন NIA তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তার আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন মুজাম্মিল আহমেদ এবং শাহীন সিদ্দীকি। যারা দিল্লির একই মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তখনই সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে আল-ফালাহ্‌।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

মেসিকে দেখতে হাহাকার ভক্তদের, ২৪ ঘণ্টা আগেই টিকিটের জন্য লম্বা লাইন

মাদক পাচারে শীর্ষস্থানে মোদি–শাহের খাসতালুক, সাংসদ মালা রায়ের প্রশ্নে চাঞ্চল্যকর তথ্য

গান্ধির নাম মুছতে আসরে মোদি সরকার, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম বদল

কাঁকড়া ধরতে গিয়ে সাক্ষাৎ যমের মুখে, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী মৎস্যজীবী

বয়সসীমা পেরনো মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ে ডাকের নির্দেশ হাইকোর্টের

রামপুরহাট ১নং ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ BLO -দের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ