এই মুহূর্তে




চিন সীমান্তে নতুন সামরিক বিমানঘাঁটি উদ্বোধন ভারতের, নেপথ্যে কোন পরিকল্পনা?

নিজস্ব প্রতিনিধি: কিছুদিন আগেই অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত ঘেঁষা তিব্বতের লুনজে বিমানঘাঁটিতে নতুন করে চিনের ৩৬টি শক্তিশালী বিমান ঘাটি নির্মাণের খবর সামনে এসেছিল। এবার জানা গিয়েছে চিন সীমান্তে নতুন সামরিক বিমানঘাঁটি উদ্বোধন করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার একজন প্রতিরক্ষা কর্তা জানিয়েছেন, চিনের সঙ্গে বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তের কাছে যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য সক্ষম একটি নতুন বিমানঘাঁটিতে ভারতের বিমানবাহিনী প্রধান একটি সামরিক পরিবহন বিমানের উদ্বোধন করেছেন। এই বিমানঘাঁটিটি এমন এক সময়ে সক্রিয় করা হয়েছে যখন অরুণাচল প্রদেশে ‘পূর্বী প্রচণ্ড প্রহার’ নামে একটি সেনা মহড়া চলছে।  প্রশ্ন উঠছে চিন সীমান্তের কাছে নতুন সামরিক বিমানঘাঁটি উদ্বোধনের পিছনে ভারতের কোন পরিকল্পনা রয়েছে কিনা।

লাদাখে নিওমা বিমানঘাঁটি সক্রিয় করেছে ভারত। সম্প্রতি ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিওমা বিমানঘাঁটির উন্নয়ন করা হয়েছে।পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ কিছুটা গললেও সীমান্ত নিয়ে দুই পক্ষই সতর্ক রয়েছে। গত অক্টোবরে সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা কমাতে দুই দেশের চুক্তি হয়। বিশেষ করে সীমান্ত সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিন সফরের পর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনাকর্তা বলেছেন, বুধবার লাদাখের মুধ-নিওমা বিমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর প্রধান এ. পি. সিং সি-১৩০জে বিমানটি অবতরণ করেন। বিমান বাহিনী এই কর্মকর্তা বিষয়টিকে স্পর্শকাতর বলেও উল্লেখ করেন। এই অঞ্চলের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বিমান ঘাঁটিটি চিনের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) দূরে অবস্থিত।

প্রতিবেশী চিন এবং পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল সঞ্জীব কাপুর এক্স-এ লিখেছেন, “লাদাখের এই নতুন বিমান ঘাঁটি, যা যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য সক্ষম, আমাদের উভয় প্রতিপক্ষের জন্যই একটি নতুন চ্যালেঞ্জ আনবে।” তবে তিনি এটাও বলেন যে, ওই একই উচ্চতায় চিনেরও একটি বিমানঘাঁটি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সীমান্ত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়ে চিন এবং ভারতের মধ্যে অবিশ্বাস রয়ে গিয়েছে। ভারত এবং চিনের মধ্যে ৩,৮০০ কিলোমিটার (২,৪০০ মাইল) দীর্ঘ একটি দুর্বল সীমানা রয়েছে। ১৯৫০ সাল থেকে এটি বিতর্কিত। ১৯৬২ সালে এই সীমান্ত নিয়ে যুদ্ধ হয়েছিল। তারপর ২০২০ সালে গালওয়ালে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর পর সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে যায়। তবে ২০২৪ সালের চুক্তিতে সম্পর্কে কিছুটা শিথিলতা আসে এবং পুনরায় ভারত ও চিনের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয়।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মেসির, মাঠে হাজির রাহুল গান্ধিও

আড়াই লাখ টাকার পোষা ম্যাকাওকে বাঁচানোর চেষ্টা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ব্যবসায়ীর, কী করল পাখি?‌

বামেদের হটিয়ে তিরুঅনন্তপুরম পুরনিগম দখল করল বিজেপি, খুশিতে ডগমগ ‘মোদিভক্ত’ শশী থারুর

যুবভারতী থেকে শিক্ষা, মেসির জন্য বিশেষ নিরাপত্তা মুম্বই পুলিশের

এনডিএ সাংসদদের বিশেষ নৈশভোজ মোদির, বিলাসবহুল খানাপিনার মেনুতে কী ছিল?‌

‘আনমোল বিষ্ণোইকে এক বছর হেফাজতে নিতে পারবে না কোনও রাজ্য পুলিশ’, বেনজির নির্দেশিকা শাহি মন্ত্রকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ