চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দেবী দুর্গা এখানে আসেন দ্বিভূজা রূপে, শিবকে পুজো করা হয় বাড়ির জামাই রূপে

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবী দুর্গার নানান রূপ, প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন অবতারে মর্ত্যে আগমন হয় দেবী দুর্গার।কখনো থিমের সাজে আবার কখনো বনেদিয়ানায় সেজে ওঠেন দেবী দুর্গা। কিন্তু জানেন কি, উত্তর কলকাতার ভোলানাথ দত্ত বাড়িতে দেবী দুর্গা অত্যন্ত শান্ত রূপে সপরিবারে আসেন। মায়ের হাতে থাকে না কোনো অস্ত্র। ঠিক যেন শান্তশিষ্ট স্বভাবের বাড়ির মেয়ে বাপের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। আর এই পুজোর সব থেকে আকর্ষণীয় দিক, ভগবান শিবকে এই বনেদি বাড়িতে জামাই রূপে পুজো করা হয়। বিডন স্ট্রিটের হেদুয়া মোড় থেকে ছোট স্কটিশ স্কুলের দিকে ১০মিনিট হাঁটলেই ভোলানাথ দত্ত বাড়ি। প্রচলিত আছে এই ভোলানাথ নাকি চাঁদ সদাগরের বংশধর।

পুজো সূচনার ইতিহাস

এই বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো সূচনা হয়েছিল ১৯০৫ সালে। ভোলানাথ ছিলেন গন্ধ দ্রব্যের ব্যবসায়ী। তিনি সর্বপ্রথম তাঁর বারাণসীর বাড়িতে দুর্গাপূজার সূচনা করেছিলেন। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত এখানে মায়ের আরাধনা করা হতো। এরপর ১৯২৫ সাল থেকে কলকাতায় দত্তবাড়ির আদিবাড়ি গোলক দত্ত লেনে মায়ের পুজো শুরু করা হয়। তারপর থেকে এখানেই পুজো হয়। বিখ্যাত এই বনেদি বাড়িতে অন্নভোগ দেওয়ার পরিবর্তে দেওয়া হয় মিষ্টি ফল এবং পাঁচ রকম ভাজা। অষ্টমী এবং নবমীর দিন আয়োজন হয় ধুনো পোড়ানোর। বাড়ির মহিলারা দেবী মায়ের সামনে দুই হাতে এবং মাথায় নতুন গামছা নিয়ে তার উপর বসান নতুন মালসা। সেই মালসাতেই পোড়ানো হয় ধুনো। এখানে বেড়া অঞ্জলি দেওয়া হয়। দশমীর দিন সূর্যাস্তের পর ঠাকুরদালান থেকে প্রতিমাকে বের করা হয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দার্জিলিংয়ে হিমালয়ান রেলে চড়িয়ে মা দুর্গাকে রংবুলের বাংলো নদীতে নিরঞ্জন

লণ্ঠনের আলো দেখিয়ে উমাকে বিদায় সংখ্যালঘুদের, সম্প্রীতির ছবি মরা মহানন্দার ঘাটে

‘আসছে বছর আবার হবে’, বিষন্ন মন নিয়ে দশমীর রাতেও মণ্ডপে-মণ্ডপে হাজির দর্শনার্থীরা

দশমীতে হয় না বিসর্জন, উত্তরের চাষি পরিবারের কুটিরে ভান্ডানি রূপে বিশ্রাম নেবেন উমা

আবারও শুরু দিন গোনা! জেনে নিন আগামী বছরে দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট, কী কী বার থাকছে ছুটি?

প্রথা মেনেই ইছামতিতে বিসর্জন টাকি রাজবাড়ির দুর্গা প্রতিমার, নদীর পাড়ে ভিড় দুই বাংলার মানুষের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ