রাজস্থানের বিকানির আসনে কংগ্রেসের জয়ের হ্যাটট্রিক রুখে বিজেপির হয়ে সংসদে গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৯০ তম জন্মদিনের আগে প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের হিম্যান ধর্মেন্দ্র। সোমবার ৮৯ বছর বয়সে মুম্বইয়ে নিজ বাসভবনে মারা যান বলে এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে। তাঁর প্রয়ানে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

X হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মোদি লিখেছেন, ” উনি ছিলেন একজন আইকনিক চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, এক অসাধারণ অভিনেতা। তিনি তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্র দিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করেছিলেন।  তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্র মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটেছিল। ধর্মেন্দ্রজি তাঁর সরলতা, নম্রতা এবং আন্তরিকতার জন্য সমানভাবে প্রশংসিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সিনেমার একটি যুগের পরিসমাপ্তি। এই অসীম বেদনার মুহূর্তে আমার সমবেদনা রইল তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অসংখ্য ভক্তদের প্রতি।”

মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার ১২ দিন পর প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। এর আগে শ্বাসকষ্টের সমস্যাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রকে, রাখা হয়েছিল লাইফ সাপোর্টে। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।  বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল।

২০১২ সালে পদ্মভূষণে ভূষিত হন ধর্মেন্দ্র। তিনি রেখে গেলেন দুই স্ত্রী প্রকাশ কউর ও হেমা মালিনীকে। হেমা নিজেও একজন রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে মথুরা থেকে তিনবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। ধরমজি রেখে গেলেন ছয় সন্তানকে। তাঁদের মধ্যে দুই ছেলে সানি দেওল, ববি দেওল এবং মেয়ে এষা দেওল অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত।

৭০-এর দশকে বিশ্বের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষদের একজন নির্বাচিত হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। অভিনয় দিয়ে তো বটেই, রাজনীতি দিয়েও মানুষের মন জয় করেছিলেন তিনি। খুব অল্প সময়ের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়ে রাজস্থানের বিকানির আসনে লড়াই করেন। এই আসনটি তার আগে টানা দু’বার জিতেছিল কংগ্রেস। প্রায় ৬০ হাজার ভোটে পরাজিত করেছিলেন চৌধুরী লাল দুবিকে।

মানুষ ধর্মেন্দ্রকে রাজনীতিতে জিতিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, সাংসদ হিসেবে তাঁর সময়কাল সমালোচনা ও বিতর্কে ঘেরা। বিশেষত সময় সংক্রান্ত বিরোধের জন্যই বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন ধর্মেন্দ্র। অভিনয়কে সময় দিতে গিয়ে রাজনীতিকে সময় দিতে পারেননি তিনি। সংসদে অধিবেশন চলাকালীন প্রায়শই নানা সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকতেন হি-ম্যান। তাঁর গড় উপস্থিতি এততাই কম ছিল যে বিরোধীদের নিশানার সম্মুখীন হতে হত তাঁকে।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ধর্মেন্দ্র রাজনীতি থেকে সরে এসেছিলেন। ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি আর কখনও রাজনীতিতে ফিরবেন না। পরে ধরমপুত্র সানি দেওল সাংবাদিকদের বলেন যে তাঁর বাবা রাজনীতি বিষয়টিকে খুব একটা পছন্দ করেন না। তিনি যে এতে যোগদান করেছিলেন তার জন্য অনুতপ্ত। ধর্মেন্দ্র’র স্ত্রী অভিনেত্রী স্ত্রী হেমা মালিনী অবশ্য চুটিয়ে রাজনীতি করেছেন। রাজ্যসভার সাংসদও হয়েছেন তিনি।

ভারত-মায়ানমার সীমান্তে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় নিহত ১ জওয়ান, জখম ৪

ফের বিহার, এবার তরুণীকে রাস্তা দিয়ে তুলে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

‘জীবন শেষ…’, মধ্যরাতে আচমকা রহস্যময় পোস্ট শঙ্কর চক্রবর্তীর! কী হল অভিনেতার?

‘বাংলায় হবে সাইকেল তৈরির কারখানা’, কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখালেন শুভেন্দু

চাকদহে ৩ লক্ষ টাকার ট্যাব উদ্ধার, গ্রেফতার ২

ময়দা মাখা-বেলার ঝামেলা নেই, সন্ধ্যার চায়ের আড্ডা জমান সুজি-আলুর শিঙাড়ায়

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের আগে কোমর বেঁধে মাঠে নির্বাচন কমিশন, প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বৈঠক

‘বাবা কোনও ভুল কাজ করেনি’, মিলন প্রধানের জামিনের পর যা বলল মেয়ে অরুণিমা

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে স্বস্তি, অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান

সম্ভল হিংসা মামলায় যোগী সরকারকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা সুপ্রিম কোর্টের

জঙ্গিযোগের সন্দেহে দক্ষিণ দিনাজপুরে NIA-র তল্লাশি

নিয়োগ দুর্নীতির সিবিআই-এর মামলাকে ডিলিস্ট করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

পুজোর ভিড় সামলাতে কতটা তৈরি তিলোত্তমা? মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে কড়া নজরদারি পুলিশের

এশিয়াডের মঞ্চে ভারতের জয়জয়কার, শুটিংয়ে সোনা জিতলেন নীরু ধান্দা