এই মুহূর্তে

মোদির কোপে বাংলার মা ও শিশুর গ্রাস, বরাদ্দ প্রাপ্যের এক-তৃতীয়াংশ মাত্র

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের বিধানসভার হাত কিছুতেই ভুলতে পারছে না পদ্মশিবির। উপরন্তু যত দিন গড়াচ্ছে ততই বাংলায় পায়ের নীচের মাটি হারিয়ে চলেছে বিজেপি(BJP)। পরিস্থিতি এমনই যে খোদ বাংলা(Bengal) থেকে নির্বাচিত বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদরা এখন প্রকাশ্যেই বলে চলেছেন যে ২৪’র ভোট যুদ্ধে বাংলা থেকে ১টিও আসন পাবে না বিজেপি। এই অবস্থায় ড্যামেজ কন্ট্রোলে না নেমে গেরুয়া শিবির কার্যত এমন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যাতে করে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকার এবং বিজেপি উভয়েই বাংলার আমজনতার রোষানলে পড়ে। ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে রেখে মোদি সরকার যে অমানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকেও এবার ছাড়িয়ে গেল মোদি সরকারেরই অপর একটি সিদ্ধান্ত। এবার বাংলার মা ও শিশুদের খাবারে(Food for Mother and Children) কোপ বসালো মোদি সরকার। রাজ্যের মা-শিশুর পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য খাতে বাংলার প্রাপ্য ৯৯৪ কোটি টাকা। অথচ মোদি সরকার সেখানে বরাদ্দ করেছে মাত্র ৩৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রাপ্যের এক-তৃতীয়াংশ মাত্র।

শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় বাংলার নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়েছেন, রাজ্যের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির(ICDS Center) মাধ্যমে শিশু, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও প্রসূতি মায়েদের নিয়মিত পুষ্টিযুক্ত খাবার সরবরাহ করা হয়। এই খাতেই রাজ্যের প্রাপ্য ছেঁটে ফেলার পাশাপাশি চলতি অর্থবর্ষে নির্ধারিত বরাদ্দের অনেক কম টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ কমানোর প্রতিবাদে এবং দ্রুত বকেয়া টাকা ছাড়ার দাবিতে বারবার কেন্দ্রের কাছে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু সুরাহা হয়নি। রাজ্যের ছ’মাস থেকে ছ’বছর পর্যন্ত বয়সের প্রায় ৭০ লক্ষ শিশু এবং ১২ লক্ষ অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও প্রসূতি প্রতিদিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে পুষ্টিযুক্ত খাবার পান। আধার সংযুক্তিকরণ হয়েছে এমন উপভোক্তার সংখ্যার বিচারে বাংলার জন্য ৯৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হওয়া উচিত। রাজ্যের তরফে তা যথা সময়ে জানিয়েও দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রকে। সেই অঙ্ক কাটছাঁট করে রাজ্যকে চলতি অর্থবর্ষে ৬৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। অথচ এ পর্যন্ত মাত্র ৩৩৭ কোটি টাকা ছেড়েছে তারা, যা প্রাপ্যের এক-তৃতীয়াংশ মাত্র।   

সূত্রের খবর, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি পরিচালনায় নিযুক্ত সুপারভাইজার, ডিপিও এবং সিডিপিওদের বেতন বাবদ অর্থ দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে মোদি সরকার। বর্তমানে ৩,৯২৪ জন সুপারভাইজার, ২৫৭ জন সিডিপিও এবং ২৩ জন ডিপিও বাংলায় কাজ করছেন। গত আগস্ট মাস থেকে এই আধিকারিকদের বেতন খাতে টাকা দেওয়াও বন্ধ করেছে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্য সরকার এদের কাউকেই ছেঁটে ফেলে দেয়নি। বরঞ্চ রাজ্যের কোষাগার থেকেই তাঁদের বেতন দেওয়া হচ্ছে। ঘটনা হচ্ছে, মিড ডে মিল প্রকল্প রূপায়ণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্র। সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যে সরকার মিড ডে মিল নিয়ে এত প্রশ্ন তুলছে, তারাই আবার বাংলার মা-শিশুর পুষ্টির টাকা আটকে রাখছে। তাই তৃণমূলের দাবি, ‘কেন্দ্রের এই দ্বিচারিতার জবাব মানুষ যথা সময়েই দেবে।’

Published by:

Koushik Dey Sarkar

Share Link:

More Releted News:

যাদবপুরের সার্ভে পার্ক এলাকাতে ভুয়ো কল সেন্টার চক্রের হদিশ, ধৃত ৮

২৭ ফেব্রুয়ারি দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ দ্বিতীয় হুগলি সেতু

শিশুদের বিরল রোগ দূরীকরণে বিশেষ উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা

কেন্দ্রের রিপোর্টেই ফাঁস বাংলাকে নিয়ে গেরুয়ার মিথ্যা প্রচার

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, জানতে চাইলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক

দলের মুখ পুড়িয়ে দিলেন কোনঠাসা দিলীপ, উগরে দিলেন ক্ষোভ

Advertisement

এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর