এই মুহূর্তে




দিনে গরম রাতে শীত, প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা, সুস্থ থাকতে চিকিৎসকদের পরামর্শ কী, জেনে নিন

নিজস্ব প্রতিনিধি: নভেম্বর মাস প্রায় মাঝামাঝি এসে গিয়েছে। কিন্তু এখনো শীতে কাবু হয়নি কলকাতা। দুপুর হলেই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোরের শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাঘুরি করছে। ফলে অফিস থেকে বাড়ির বেডরুম কোথাও এখনো ফ্যান পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বেশি রাতের দিকে অথবা ভোরের দিকে শীত অনুভব হলেও অন্য সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকায় গরম জামা কাপড় সেভাবে গায়ে তোলেনি আপামর বাঙালি। তবে এই সময় সাবধান থাকতে হবে এমনটাই বলছেন শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। নভেম্বর মাস শীতকাল তাই শুষ্ক বায়ুর দরুন বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেশি রয়েছে। এই সময় শিশু সহ হাঁপানি রোগীদের খুব সাবধানে থাকতে হবে। বিশিষ্ট চিকিৎসক সমীর বিশ্বাস(Dr.Samir Biswas) জানান, বেশি করে মাক্স(Musk) ব্যবহার করতে হবে ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তিদের। ভোরের দিকে যারা মর্নিং ওয়াক করতে যান তাদের অবশ্যই মাফলার ব্যবহার করতে হবে।

শিশুদের খুব সাবধানে রাখতে হবে। যাতে ধূলিকণা থেকে তাদের শরীরে কোন রোগের প্রাদুর্ভাব না ঘটে। মরশুমের যে সকল ফল আমদানি হবে সেগুলি বেশি করে খেতে হবে। গরম জলে স্নান করতে যারা পছন্দ করেন তাদের উদ্দেশ্যে চিকিৎসকের সুপরামর্শ হল দেহের তাপমাত্রা থেকে এক ডিগ্রি বেশি গরম জলে স্নান করা অথবা খাওয়া যেতে পারে। শীত পুরোপুরি না আসায় যে যে সাবধানতা অবলম্বন করার প্রয়োজন সেগুলি করতে হবে। না হলে ধূলিকণা থেকে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল। অপর বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস(Dr.Arindam Biswas) জানান, শীতকালে সাবধানতা অবলম্বন না করলে ঠান্ডা লেগে বা ব্যাকটেরিয়া থেকে নিউমোনিয়া সহ জ্বর হতে পারে। ভাইরাস বাতাসে ঘুরছে। তাই ভাইরাসের দরুন শরীরে রোগ হতে পারে। শীতকালে জল বেশি করে খেতে হবে। শুধু তাই নয় বয়স্ক ব্যক্তিরা ভোরের কুয়াশার মধ্যে প্রাতঃভ্রমণে বা মর্নিংওয়াকে বের হবেন না। একটু বেলার দিকে এই সময় মর্নিং ওয়াক করা উচিত। না হলে পরের কুয়াশা থেকে শরীরে সর্দি কাশির প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে তাতে চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের মন্তব্য, পুরোপুরি ফ্যান দীর্ঘ সময় চালানো যাচ্ছে না।

আবার গরম ও অনুভব হচ্ছে। যারা এসি(A.C.) ব্যবহার করছেন তাদের এসি থেকে দূরত্ব অর্থাৎ এসির মুখ কিছুটা ঘুরিয়ে দিতে হবে। এসি মেশিন ছয় মাস অন্তর অবশ্যই সার্ভিসিং করাতে হবে। জ্বর জ্বালা হলে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। চিকিৎসকের কাছে যান। অনেক সময় সর্দি জ্বর হলে তা কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়। শিশুদের সাবধানে রাখতে হবে। শুষ্ক ধূলিকণা থেকে ভাইরাস দ্বারা যাতে রোগে আক্রান্ত কেউ না হয় তার জন্য শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। চিকিৎসক থেকে পরিবেশবিদ সকলেরই একটি মাত্র পরামর্শ শীত পুরোপুরি আসেনি। কিন্তু আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। বাতাসে শুষ্ক আবহাওয়া দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এই পরিবেশে কান নাক মুখ বেশি রাতের দিকে ও ভোরের দিকে বাইরে বের হলে ঢাকতে হবে। মুখে মাক্স ব্যবহার করতে হবে। মাফলার ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘ গ্রীষ্মকালের পর শীতের মরসুম এসে গিয়েছে। ঋতু পরিবর্তনে তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

অসুস্থ ছেলের ওষুধ আনতে গিয়ে সব শেষ, নড়বড়ে সেতু পার হতে গিয়ে নদীতে ডুবে মৃত্যু ব্যক্তির

মেসির সফরের মূল উদ্যোক্তা গ্রেফতার হওয়ার পরই পাকড়াও করার দাবি তুললেন রাজ্যপাল, মাঠে নামল বিজেপি

ফুটবল তারকা মেসির সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত কে?

‘ব্যর্থতা’ আড়ালে বিমানবন্দর থেকে মেসির সফরের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রুকে গ্রেফতার করল পুলিশ

যুবভারতীতে অশান্তি পাকানোর ষড়যন্ত্রের খবর জেনেও সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেয়নি বিধাননগর পুলিশ!

নলেন গুড়ের সন্দেশের ‘মেসি মূর্তি’, ফুটবলের রাজপুত্রকে বিশেষ উপহার ফেলু মোদকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ