২০০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরে পিন্ড আকারে বিরাজমান শনিদেব, কোথায় জানেন?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনিদেবের রাগের সঙ্গে অল্প-বিস্তর পরিচিতি রয়েছে অনেকেরই। তিনি রুষ্ট হলে বিপদ সামনেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু শনিদেব মানেই খারাপ, তা নয়। শনিদেব কর্মফল দেন। মানুষ যা কর্ম করবে, তার ফল দেবেন শনিদেব। দেশজুড়ে ছোট বড় শনি মন্দির রয়েছে। সেখানে শনিদেবের মূর্তিও থাকে। কিন্তু দেশের মধ্যে এমন একটি মন্দির রয়েছে, যেখানে শনিদেব বিরাজ করেন পিন্ড আকারে। এখানে শনিদেবের নির্দিষ্ট কোনও আকার নেই। এই মন্দিরটি ২ হাজার বছরের পুরোনো। 

কাশীর পরে উজ্জয়নই একমাত্র জায়গা যেখানে ভগবান শিবের আশীর্বাদের পাশাপাশি মা ভগবতী এবং শনিদেবের আশীর্বাদও মেলে। উজ্জয়নে একটি শনি মন্দির রয়েছে, সেটি ২হাজার বছরের পুরোনো। এখানে শনিদেব বসে রয়েছে পিন্ড আকারে। তাঁরা গায়ের রংও কালো নয়, গেরুয়া। এই মন্দিরের সুনাম সর্বজনবিদিত। কোনও সমস্যায় পড়লে অনেকেই এই প্রাচীন মন্দিরে আসেন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে। শনিদেবের ধাইয়া ও সাড়েসাতি থেকে মুক্তি পেতে এই মন্দিরে আসেন। বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে শুভফল পান। 
কোথায় অবস্থিত এই মন্দির?
২০০০ বছরের পুরনো এই শনি মন্দিরটি উজ্জয়নের শিপ্রা নদীর কাছে ত্রিবেণী ঘাটের তীরে অবস্থিত। যেখানে শনিদেব এবং নবগ্রহ উভয়েরই আশীর্বাদ পাওয়া যায়।  শনি অমাবস্যার সময়ে মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে।

স্থানীয়দের বিশ্বাস
স্থানীয়দের বিশ্বাস এই মন্দিরে গেলে বহু গুরুতর সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। কারও ৯ গ্রহের ভারসাম্য বজায় না থাকলে সহজ আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দুঃখ দূর করা সম্ভব হবে। যারা কষ্টে ভুগছেন, মন্দিরে তাঁদের ব্যবহৃত চপ্পল এবং কাপড় রেখে আসা উচিত। মনে করা হয় যে এটি করলে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। 

শনিদেবের বিশেষ রং
অন্যান্য মন্দিরের থেকে এখানে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্য অন্য মন্দিরে দেখতে পাওয়া যায় না। শনিদেবের মূর্তির রং এখানে কালো নয়, বরং গেরুয়া রঙের হনুমানের মূর্তির মতো। মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে শনিদেব পিন্ড আকারে রয়েছেন। এই পিন্ডের ওপরে ক্রমাগত তেল ঝরতে থাকে। শনিদেবের এই রূপকে ভগবান শিবের অবতার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
এই মন্দিরে পুজো করার তাৎপর্য রয়েছে। সারা দেশ থেকে ভক্তরা এই পুজো করতে আসেন। বিশ্বাস করা হয় , যদি কেউ শনির সাড়েসাতি বা ধাইয়ার প্রভাবে থাকেন, তাহলে পুজো খুবই উপকারি। এটি শনিদেবের কুদৃষ্টির প্রভাব কমায়। শনিদেবের আশীর্বাদে জীবনে ইতিবাচকতা আসে। ধীরে ধীরে সমস্ত ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মন্দিরটি একসময় খুব ছোট ছিল। এখন বাইরের অংশটি একটি শেড দিয়ে ঢাকা। মন্দিরের উঠোনে একটি পুরানো পিপুল গাছ রয়েছে। সেখানে কেবল সুতো বেঁধে রাখলেই ইচ্ছাপূরণ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। আনুমানিক প্রায় ২০০০ বছর আগে মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য।
 

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই