ঘরের এই দিকে রাখুন একটি জিনিস, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে আপনার আটকে থাকা কাজ পাবে গতি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাস্তুশাস্ত্র শুধু যে ঘরের দিকনির্দেশনার একটি পদ্ধতি তা নয়, বরং জীবনে শান্তি, ইতিবাচকতা, সুখ এবং স্থিতিশীলতা আনার একটি সহজ ও প্রাচীন পদ্ধতি হিসাবে বিবেচিত হয়। ভারতীয়রা বহু বছর ধরে বাস্তুর নীতি অনুসরণ করে আসছে, কারণ এটি প্রকৃতির সঙ্গে ভারসাম্য তৈরি করতে সাহায্য করে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে কিছু জিনিসপত্র সঠিক স্থানে রাখলে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের উপর তার প্রভাব পড়ে। এর ফলে মানসিক শান্তি বজায় থাকে। পাশাপাশি সম্পর্ক মধুর হয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থাও মজবুত হয়। বাস্তু অনুসারে, বাড়িতে পাঁচটি জিনিস রাখা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই বাস্তু পন্থাগুলি কী কী।

তুলসী গাছ

তুলসীকে দেবী লক্ষ্মীর একটি রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাড়ির উঠোনে বা উত্তর-পূর্ব দিকে এই গাছ লাগালে পরিবেশে পবিত্রতা এবং ইতিবাচক শক্তি আসে। বলা হয়, যেখানে নিয়মিত তুলসী গাছের পুজো করা হয়, সেখানে পরিবারের মধ্যে ভালবাসা, সম্প্রীতি এবং মানসিক শান্তি বিরাজ করে।

জল ভরা ঘট

ঘটকে সমৃদ্ধি এবং পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাড়ির উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে জল ভরা ঘট রাখলে জল উপাদানের ভারসাম্য বজায় থাকে। এটি মানসিক স্বচ্ছতা, সাফল্য এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করে। অনেকে ঘটে চন্দন, লবঙ্গ বা ফুলও রাখেন, যা ইতিবাচক শক্তি আরও বৃদ্ধি করে।

শঙ্খ

শঙ্খ সমুদ্র মন্থনের ফলে উঠেছিল। তাই এটি দেবী লক্ষ্মীর মতোই পবিত্র এবং কমলাসনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। ঠাকুরঘরে  শঙ্খ রাখা বা বাজানো অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। শঙ্খের শব্দ পরিবেশকে পবিত্র করে এবং নেতিবাচক শক্তি দূর করে। এটি বাড়িতে শান্তিপূর্ণ এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে।

স্বস্তিক চিহ্ন

স্বস্তিক চিহ্ন হল শুভতা, সাফল্য এবং সৌভাগ্যের প্রতীক। প্রধান প্রবেশদ্বার বা ঠাকুরঘরে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকলে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। এই চিহ্ন নতুন সূচনা এবং অব্যাহত অগ্রগতিরও প্রতীক।

পিতল বা তামার ঘণ্টা

সমস্ত ধাতুর মধ্যে পিতল এবং তামাকে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। বাড়ির ঠাকুরঘরে পিতলের ঘণ্টা স্থাপন করা এবং পুজোর সময় বাজানো অত্যন্ত শুভ। এটি ইতিবাচক শক্তিকে সক্রিয় করে এবং নেতিবাচকতাকে দূর করে।

নিম্নচাপ সরে গেলেও কাটেনি বৃষ্টির রেশ! ভোর থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরবঙ্গে জারি হলুদ সতর্কতা

কঙ্গোয় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, মৃত দুই সেনা আধিকারিক-সহ ১৪

আদিবাসীদের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমার পর দুর্গার বিসর্জন, কোথায় ঘটে এমন ঘটনা?

চোখে জ্বালা কিংবা চুলকানি হলেই নিজের মতো আই ড্রপ ব্যবহার করছেন? সাবধান!

শনির কৃপায় ৮৩ দিন ৫ রাশির জাতকদের জীবনে আসবে টাকার জোয়ার

পিতৃপক্ষে দান করুন ৭ জিনিস, ভাগ্য চমকাবে, সংসারে উপচে পড়বে ধন-সম্পত্তি

শনির কুদৃষ্টি, সারাদিনে অনেক কাজে বাধা পড়বে, তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না

হত্যার পর ৯ টুকরো, ২ মাস বাদে শারজা থেকে জন্মভিটেয় ফিরল কন্নড় যুবকের দেহ  

বদলের বাংলাদেশে এবার বগুড়ার কালীমন্দিরে ভাঙচুর চালাল দুষ্কৃতীরা

‘এসআইআর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলুন’, জ্ঞানেশের রক্তচাপ বাড়ালেন বিজেপি সঙ্গী উপেন্দ্র কুশায়াহা

স্টেট ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের সুখবর, ধর্মঘটের তিনদিন এটিম থেকে টাকা তুললে চার্জ দিতে হবে না

ব্যাঙ্কের লকার খুলতেই চক্ষুচড়কগাছ, গায়েব দেড় কোটি টাকার সোনার গয়না! তদন্তে পুলিশ

ভারী বৃষ্টির জেরে ধস, বন্ধ শিলিগুড়ি-দার্জিলিং টয়ট্রেন পরিষেবা

সরকারি হাসপাতালে সফল অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের জটিল অপারেশন