‘বিজেপির মিশন বাংলা’, ১৬০+ আসনে জয় টার্গেট করে ঝাঁপাচ্ছেন মোদি-শাহরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাড়ে চার বছর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ‘অব কি বার, দোশো পার’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝাঁপিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা। তবে সংগঠন না থাকায় ভোটে ভূমিশয্যা নিতে হয়েছিল পদ্ম প্রার্থীদের। ২০০-র বেশি আসনে জয় তো দূর অস্ত, ১০০ আসনের গণ্ডিও ছুঁতে পারেনি। ৭৭ আসনেই থমকে গিয়েছিল বিজেপির জয়রথ। ফের আরও একটি নবান্ন দখলের ভোটযুদ্ধ সামনে। ২০২১ সালের ভোটযুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আর ২০০-র বেশি আসনে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে না ঝাঁপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তবে কত আসনে জয়ের লক্ষ্য রেখেছেন?

বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী বিধানসভা ভোটে নবান্ন দখলের যুদ্ধে নামার জন্য ‘মিশন বেঙ্গল’ বা ‘মিশন বাংলা’ নামে এক রণনীতি তৈরি করা হয়েছে। ওই রণনীতি অনুযায়ী, ১৬০টির বেশি আসনকে জয়ের লক্ষ্য করা হচ্ছে। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গে ৪৫, মধ্য বঙ্গে ৩০ ও দক্ষিণবঙ্গে ৮৫টির বেশি আসন রয়েছে। গতবার বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টি এসেছিল পদ্ম শবিরের ঝুলিতে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে জিতেছিল ৩২টি আসনে আর মধ্যবঙ্গ থেকে জিতেছিল ১৫টি আসনে।

গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূল-কংগ্রেস ও সিপিএম থেকে আসা দলবদলুদের জামাই আদর করে ভোটের টিকিট দিয়েছিলেন অমিত শাহ-জেপি নাড্ডারা। শুভেন্দু অধিকারীর মতো হাতে গোনা দলবদলু ছাড়া বাকিরা মুখ থুবড়ে পড়েছিল। দুর্নীতির অভিযোগ থাকা তৃণমূল-সিপিএম-বিজেপি নেতাদের প্রার্থী করায় সাধারণ মানুষের কাছে যেমন ভুল বার্তা গিয়েছিল, তেমনই ‘নব্যদের’ গুরুত্ব দেওয়ায় গোঁসা করে হাত গুটিয়ে নিস্ক্রিয় হয়ে বসেছিলেন দলের ‘আদি’ নেতা-কর্মীরা। এবার আর সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের মুখে অন্য দল থেকে টিকিটের লোভে আসা নেতাদের প্রার্থী না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন যারা জড়িত, তাদের প্রার্থী করার উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিহারের বিধানসভা ভোটে যে পদ্ধতি প্রয়োগ করে সাফল্য এসেছে, বাংলাতেও সেই পদ্ধতি প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা। প্রথমত পরিযায়ী শ্রমিকরা যে সব বিজেপি শাসিত রাজ্যে কাজ করছেন, সেখানকার নেতা-কর্মীদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিযায়ী শ্রমিকদের সিংহভাগ ভোট বিজেপির বাক্সে পড়ে। জাতিগত সমীকরণের বিষয়টির উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য অনগ্রসর, তফশিলি জাতি-উপজাতিদের সিংহভাগ আসনে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রচারে পরিবারতন্ত্র ও দুর্নীতির ইস্যুকে মুখ্য করা হবে। ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা দেওয়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী লক্ষ্য হিসাবে অভিযোগ তুলে লাগাতার প্রচার চালানো হবে।

বিজেপির এক শীর্ষ নেতৃত্বের কথায়, ‘গত বিধানসভা ভোটে ৩৮ শতাংশের বেশি পেয়েছিল দল। গত দুটি বিধানসভা ও দুটি লোকসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলার ২৯৪ আসনের মধ্যে ১০০টি আসনে কখনও না কখনও জিতেছেন দলের প্রার্থীরা। ফলে ওই ১০০ আসনে একটা শক্ত ভিতের উপরে দাঁড়িয়ে। ওই ১০০ আসনের পাশাপাশি বাকি ৬০ থেকে ৭০ আসনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।’

আইপিএল শেষ হলেই চাকরি হারাতে পারেন ৩ দলের অধিনায়ক, তালিকায় কারা?

শেখ হাসিনার বেয়াইকে চোখের জলে চির বিদায়

জ্বালানি সঙ্কটের কারণে ঢাকাগামী বিমান পরিষেবা বন্ধ করল এয়ার ইন্ডিয়া

উচ্চমাধ্যমিকে ফার্স্ট আদৃতকে ফোন করলেন মুখ্যমন্ত্রী, শুভেচ্ছা জানিয়ে আর কী বললেন?‌

সিংহাসন ফিরে পেল ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’, ‘পরিণীতা’, ‘পরশুরাম’-এর কী হাল?

হিমাচল বাদে ১৬ রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

‘‌অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাংলার মানুষ চেয়েছে বলেই হবে’‌, স্পষ্ট বার্তা শমীকের

জন্মদাতা বাবার লাগাতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৬ বছরের কিশোরী, পুলিশের জালে নরপশু

উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে স্পিকার পদে রথীন্দ্রনাথ বসু, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, প্রথম দশে ৬৪ জন

আইনজীবী হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির মমতা, কোন মামলা লড়ছেন?

জীবনের পরীক্ষার পর উচ্চমাধ্যমিকেও সফল অদ্রিজা, ৮২টি কেমো নিয়েও মেধাতালিকায় স্থান

মাওবাদী অর্ণব দামের জামিনের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট

মধ্যপ্রদেশে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ৩, আহত ২৩