বিএলও অ্যাপে তোলাই হয়নি ২০০২ সালের সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা, ঢোঁক গিলে নয়া নির্দেশ কমিশনের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ প্রথমে বলা হল ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। তারপর তা নেমে এল ৫৮ লক্ষে। এটাও কি সঠিক তথ্য?‌ এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে। কারণ ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের নথিতে গড়মিল আছে বলে দাবি করেছিল নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাদের নাম বাদ গেল?‌ কোথায় থাকেন তাঁরা?‌ আর তাঁদের নাম কী?‌ এই তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলে দাবি তুলেছেন অভিষেক। এমনকী তা প্রকাশ করার দাবিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনারের দুয়ারে নয়াদিল্লি যাবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। আর তারপরই দেখা গেল, বাংলায় সমস্ত জেলাশাসকদের নয়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কী সেই নয়া নির্দেশিকা?‌ সূত্রের খবর, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা সঠিকভাবে তোলাই হয়নি বিএলও অ্যাপে। ফলে শেষ তালিকায় নিজের বা আত্মীয়দের নাম থাকা সত্ত্বেও তাঁরা ‘আনম্যাপড’ হিসেবে রয়েছেন। এই ঘটনার জেরে ২০০২ সালের তালিকায় নিজের বা আত্মীয়দের নাম না থাকা ভোটারের দলে চলে গিয়েছেন অনেকে বলে অভিযোগ। তাই তাঁদেরকেও শুনানির তালিকায় রাখা হয়। এবার ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে আসার পর শীতঘুম ভাঙল নির্বাচন কমিশনের। তাই এই পরিস্থিতিতে বাংলার সব জেলাশাসককে পাঠানো হয়েছে নয়া নির্দেশ। এবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এইসব চিহ্নিত ভোটারদের শুনানির নোটিশ দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই এমন ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লক্ষ। তাহলে কি এই সংখ্যা আরও কমবে?‌ উঠছে প্রশ্ন।

এখন কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে?‌ নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এখন এমন ভোটারদের নামে ইস্যু হওয়া নোটিশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভুল সংশোধন করে নতুন করে এমন ভোটারদের তথ্য অ্যাপে আপলোড করতে বলা হয়েছে। আর বিএলওরা আবার এমন ভোটারদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের ছবি তুলে আপলোড করবে। এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত আনম্যাপড ভোটারদের মধ্যে ১০ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৬০টি শুনানির নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। এমন অবস্থায় এসআইআর ঘোষণা করা হল কেন? উঠছে প্রশ্ন।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ এসআইআর পর্ব শুরু হওয়া থেকে বহু বিএলও এবং নাগরিক আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছে। বৈধ নাগরিকের নাম বাদ দেওয়া যাবে না এবং দু’‌মাসের মধ্যে এই কাজ কেমন করে শেষ করা যাবে তা নিয়ে জবাব চেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। পরে দেখা যায় অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়ানো হলেও বাংলার ক্ষেত্রে একই নিয়ম মানা হয়নি। অর্থাৎ বাড়েনি সময়সীমা। একযাত্রায় পৃথক ফল হওয়ায় জবাব চেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশন এই ভুল নিয়ে ঢোঁক গিলেছে। তাই এখন জেলাশাসকদের নয়া নির্দেশ পাঠিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য

‘খাম’ প্রতীক নিয়ে আইএসএফের মামলা খারিজ, ভোটের মাঝে হস্তক্ষেপে নারাজ হাইকোর্ট

পানমশলা বিজ্ঞাপনী বিতর্কে FDA-এর শোকজ নোটিশের জবাব দিলেন শাহরুখ-অজয়-টাইগার

‘জ্ঞানেশ কুমার ভূতুরে ভোটার ছেঁটে দিয়েছে তাই বিরোধীদের রাগ,’ কটাক্ষ দিলীপের

আকাশপথে বাংলায় এল বিহারের বাঘিনী, বুধেই বক্সায় প্রবেশ

প্রেমিকার জন্য জলখাবার কিনতে গিয়ে ভরা বাজারে স্ত্রীর কাছে ধরা পড়লেন স্বামী, তার পর…

ভারতের বিরুদ্ধে শতরান করেও ছিটকে গেলেন গ্রিভস, দ্বিতীয় ODI-তে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আয়কর তদন্তের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বাসু ভাগনানি, লন্ডনে হাসপাতালে ভর্তি প্রযোজক

বিহারে আমলা দম্পতির বাড়িতে অভিযানে উদ্ধার টাকার পাহাড়, সঙ্গে অমূল্য রতন

এশিয়াডে চিনকে হারিয়ে তিরন্দাজিতে সোনা জিতল ভারতের মেয়েরা

কাশ্মীরের বদগামে এনকাউন্টার! খতম লস্করের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ শীর্ষনেতা

লক্ষ্যভেদ, এশিয়াডে তিরন্দাজিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ফের সোনা জিতল ভারত

এসআরএফটিআই-কাণ্ডে নবান্নের বড় পদক্ষেপ, ছয় সদস্যের সিট গঠন

সাতসকালে অন্ডালে ED-র হানা, কার বাড়িতে পৌঁছল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ?