চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কৃষ্ণনগরকাণ্ডে সিট গঠন, সাহায্য নেওয়া হচ্ছে সিআইডি’রও, জানালেন সুপ্রতিম

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: নদিয়া(Nadia) জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরের(Krishnanagar) বুকে এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যু(Unnatural Death of a Young Lady) ঘিরে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সেই ঘটনা প্রসঙ্গেই এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের এডিজি(দক্ষিণবঙ্গ)(WBSP ADG-South Bengal) সুপ্রতিম সরকার(Supratim Sarkar)। সেখানেই তিনি জানান যে, ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট(Special Investigation Team) গঠন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে রাজ্য সরকারের নিজস্ব গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’রও(CID) সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। যদিও ‘নির্যাতিতা’র পরিবারের দাবি, তাঁকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের তদন্তে তা৬দের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। তাই তাঁরা সিবিআই তদন্ত চাইছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সুপ্রতিম জানান, শোকগ্রস্ত ওই পরিবারের দাবির প্রতি তাঁদের পূর্ণ মর্যাদা রয়েছে। এদিন কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ‘নির্যাতিতা’র দেহের ময়নাতদন্ত হচ্ছে। পরিবারই এই দাবি জানিয়েছিল। সেই দাবি মেনেই সব কিছু হচ্ছে।

আরও পড়ুন, ‘নেতা একজনই – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমরা কর্মী’, দলকে বার্তা অনুব্রতের

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম এদিন জানান, ‘নির্যাতিতার পরিবার বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত চেয়েছিলেন। আমরা এই নিয়ে আদালতে আবেদন করি। আদালত তা মঞ্জুর করেছে। এদিন কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যত ক্ষণ হাতে না আসছে, তত ক্ষণ নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। ঘটনার তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হয়েছে। সিটের নেতৃত্বে রয়েছে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে। ঘটনার নেপথ্যে সব সম্ভাব্য কারণ আমরা খতিয়ে দেখছি। সিআইডির সাহায্য নিচ্ছি। ঘটনাস্থলে এডিজি(সিআইডি) এসেছেন দল নিয়ে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞেরা এসেছেন। আমরা আশাবাদী, সত্য প্রকাশ পাবে।’

আরও পড়ুন, শুভেন্দুকে ধাক্কা দিয়েই এগরার পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা আনছে তৃণমূল

এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তৃতীয় কোনও পক্ষের উপস্থিতির সম্ভাবনা বাড়ছে। কেননা এই ঘটনায় ধৃত যুবক রাহুল বোসের মায়ের দাবি অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ বাড়ি ফিরে আসে। মায়ের দাবি, ছেলে তাঁকে জানিয়েছিল, সে সিনেমা দেখতে গিয়েছিল। এর পর সামান্য কিছু খেয়ে ছেলে ঘুমিয়ে পড়ে। ওই মহিলার দাবি, রাত ৮টা নাগাদ তরুণীর মায়ের ফোন আসে তাঁর ছেলের মোবাইলে। তরুণীর মাকে পরে ফোন করার কথা বলে তাঁর ছেলে।  রাত ১০টা নাগাদ তরুণীর মা আবার ফোন করেন। তাতে ঘুম ভাঙে তাঁর ছেলের। এর পরেই তাঁর ছেলে তরুণীর মাকে ফোন করে। ফোনে কথা বলার পরেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সে। ঘণ্টাখানেক পর বাড়ি ফিরে আসে। তার পর শুতে চলে যায়। আর এখানেই তদন্তকারীদের প্রশ্ন, সন্ধ্যা ৭টা থেকে নির্যাতিতা কোথায় ছিলেন আর কার সঙ্গে ছিলেন? তাহলে কী তৃতীয় কেউ রয়েছে এই খুনের পিছনে? একই সঙ্গে সামনে এসেছে রাহুলের কাছ থেকে নির্যাতিতার ৪০ হাজার টাকা ধার নেওয়ার বিষয়টি। সেই টাকা কোথায় গেল?’ আপাতত এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভবানীপুরে মমতার প্রস্তাবক ব্যবসায়ী মিরাজ শাহের বাড়িতে আয়কর হানা

‘‌মা–মেয়ের পা ধরে ক্ষমা চাওয়াব’‌, সবংয়ে বিজেপি কর্মীদের চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি, হরিণঘাটার ঘাসফুল কাউন্সিলরের গ্রেফতারে সরব তৃণমূল

ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজির অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘বিজেপি প্রার্থীকে দলের কর্মীরাই মানছে না’, সবংয়ে মানস-অমলের তফাৎ বোঝালেন অভিষেক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ