এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




নারী পাচার কাণ্ডে ২০ বছরের সাজা ঘোষণা করলো ঝাড়গ্রাম জেলা আদালত




নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: গত বছরের ১৬ আগস্ট ঝাড়গ্রামের এক নাবালিকা স্কুল যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়ে যায়, পরিবার-পরিজন সারাদিন খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে শেষমেষ ঝাড়গ্রাম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। গত ১৭ই আগস্ট ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার(SP) অরিজিৎ সিনাহা একটি সিট গঠন করেন যার মাথা হিসেবে তিনি নিজেই দায়িত্ব নেন, এবং এই কেসের তদন্তের ভার দেন ঝাড়গ্রাম থানার আইআইসি বিপ্লব কর্মকারকে। সিট গঠনের পরেই ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার ও ঝাড়গ্রাম থানার আইসির তত্ত্বাবধানে ১৭ই আগস্ট খোঁজখবর নিয়ে দুজনের নাম বেরিয়ে আসে। তড়িঘড়ি দুপুরবেলায় কৌশিক সিংহ ওরফে (লাদেন) ও অজয় দাস নামে দুই ব্যক্তিকে পুরাতন ঝাড়গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে ঝাড়গ্রাম থানার আইসি, এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর “বাবর বেগ” নামে আরেক ব্যক্তির নাম উঠে আসে।

ঝাড়গ্রাম থানার(Jhargram P.S.) পুলিশ ধৃত “বাবর বেগকে” ঝাড়গ্রাম বিবেকানন্দ পল্লী থেকে গ্রেফতার করে। তিন অভিযুক্তকে একসাথে বসিয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনা ও ঝাড়গ্রাম থানার আইসি বিপ্লব কর্মকার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এই কান্ডের মূল মাথা “পিংকি বিশাল” এর নাম জানা যায়। ১৮ আগস্ট পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর থানার এলাকা থেকে পিংকি বিশালকে গ্রেফতার করে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। সব শেষে এই ঘটনার ধৃত চারজনকে একত্রিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুরো রহস্য স্পষ্ট হয় ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কাছে, সেই দিনই সন্ধ্যে নাগাদ ঝাড়গ্রাম রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশ নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করে। ১৯শে আগস্ট অভিযুক্তকে ঝাড়গ্রাম ADJ-2 আদালতে পেশ করা হয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর এই কেসের চার্জসিট জমা করেন ঝাড়গ্রাম থানার আইসি বিপ্লব কর্মকার, শেষমেস ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে ADJ-2 ঝাড়গ্রাম জেলা আদালত দশ মাসের মধ্যে এই কেসের সাজা ঘোষণা করলেন। নারী পাচার চক্রের মূল মাথা পিংকি বিশাল, কৌশিক সিংহ ওরফে (লাদেন), অজয় দাস ও বাবুর বেগকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করলো, এরই সাথে নাবালিকাকে ৩ লক্ষ টাকা সরকারি ক্ষতিপূরণ দেওয়া নির্দেশ দেন ঝাড়গ্রাম ADJ-2 আদালতের বিচারপতির।

এই কেসের সরকারি আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানান, এই কেসের মূল অভিযুক্ত পিংকি বিশাল ওই নাবালিকাকে ঝাড়গ্রাম থেকে অপহরণ করে বাইরে পাচার করার চক্রান্ত করে ছিলো। পাচার করার আগেই তাদের চক্রান্তকে ভেস্তে দেয় ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার ও ঝাড়গ্রাম থানার আইসি। সঠিক সাক্ষ্য প্রমাণ এর ভিত্তিতে নাবালিকার পরিবার তার বিচার পেয়েছে। এই সাজা ঘোষণার পর ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনাহা ও ঝাড়গ্রাম থানার আইসি(IC) বিপ্লব কর্মকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নাবালিকার পরিবার পরিজনরা।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

পুত্রহারা বাবাকে বেধড়ক মার, পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

রাজ্যের ১০ শহরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য মল, জমি চিহ্নিত করতে নির্দেশ রাজ্যের

জ্যোতিষীর রহস্য মৃত্যু, বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার পচাগলা দেহ

Police Clearance Certificate এবার রাজ্যজুড়ে মিলবে অনলাইনে

তোলা দিতে অস্বীকার, দুই মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে চলল গুলি

ফের শিশু চোর সন্দেহে গণপিটুনি, তদন্তে কাঁকসা থানার পুলিশ

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর