সাধন নেই, ক্রেতা সুরক্ষ দফতরের নামে প্রতারণা

সাধনবাবুর প্রয়াণের পরে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা দফতরের নাম ভাঙিয়ে শুরু হয়েছে নতুন ধরনের প্রতারণা। তার জেরে চলছে পাল্টা প্রচারও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দফতরটা আগেও ছিল। কিন্তু সেই দফতরের কথা কার্যত কেউ জানতই না। বঙ্গবাসীকে সেই দফতর চিনিয়েছিলেন রাজ্যের প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে(Sadhan Pandey)। সংবাদমাধ্যম থেকে চ্যানেলে চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিয়ে, শর্ট ফ্লিম বানিয়ে সাধনবাবু শুধু বঙ্গবাসীর কাছে এই দফতরকে অত্যন্ত সফলভাবে তুলে ধরেছিলেন তাই নয়, রীতিমত সেই দফতরকে চূড়ান্ত জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সাধনবাবুর এই প্রচেষ্টার জন্যই মানুষ জেনে গিয়েছে জিনিস কিনতে গিয়ে বা পরিষেবা নিতে গিয়ে কোথাও ঠকে গেলে এই দফতরে গেলে একতা হিল্লে হবেই। কার্যত ক্রেতা সুরক্ষা দফতর(Consumer Affairs Ministry) আমজনতার কাছে এখন বিকল্প আদালত হয়ে উঠেছে। সাধনবাবুর প্রয়াণের পরে সেই দফতর কার্যত অভিভাবকজীন হয়ে পড়েছে। তার সব থেকে বড় প্রমাণ মিলল বেশ কিছু প্রতারণার(Cyber Crime) ঘটনায়। ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা দফতরের নাম ভাঙিয়ে শুরু হয়েছে নতুন ধরনের প্রতারণা।

ঠিক কী হয়েছে? কোভিডের জেরেভ লকডাউনের সময় থেকেই সাইবার প্রতারণা অনেক বেড়ে গিয়েছে এই রাজ্যের পাশাপাশি গোটা দেশেই। সেই সব প্রতারণার ঘটনায় এই রাজ্যে অনেকেই পুলিশের ওপর আস্থা হারিয়ে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দ্বারস্থ হন। এই দফতরের প্রতি আমজনতার আস্থা ও ভরসা আছে দেখেই এখন শুরু হয়েছে এই দফতরের নাম করে আমজনতাকে প্রতারণা করার পালা। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা দফতরের কর্মী পরিচয় দিয়ে প্রতারকেরা ফোন করছে কাউকে কাউকে। তাঁদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে, কোথাও বিমা করা আছে? বিমা করে কি সমস্যায় পড়েছেন? কাউকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে, জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না? বাড়িতে বয়স্ক মানুষ আছেন কি না তাও জেনে নেওয়া হচ্ছে। ওই সব ক্ষেত্রে সমস্যার কথা সামনে এলেই সেই সব সমস্যা সমাধানের অছিলায় বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে টাকাও চাইছে তারা। শুধু তাই নয়, প্রবীণ ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত বিমা ও সঞ্চয় সম্পর্কিত গোপন তথ্যও প্রতারকরা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই ধরনের বেশ কিছু ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা দফতরের আধিকারিকেরা। আর তার জেরেই এই সব ঘটনা ঠেকাতে তাঁরা পাল্টা প্রচারের পথে নেমেছেন।

প্রতারকদের পাতা ফাঁদে যাতে কেউ না পড়েন, তার জন্য ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দফতরের পক্ষ থেকে কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে। স্থানে স্থানে দেওয়া হয়েছে বড় বড় হোর্ডিং(Hoardings)। কলকাতা ও শহরতলি এলাকায় সেই সব হোর্ডিং দেওয়ার পাশাপাশি জেলায় জেলায় সেই সব হোর্ডিং দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জনবহুল স্থানে ওই সব হোর্ডিং টাঙানো হয়েছে। তাতে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দফতর থেকে কখনও কোনও কিছু জানতে চেয়ে ফোন করা হয় না। এটা স্রেফ প্রতারণা চক্রের কাজ। তাই এমন ঘটনা ঘটলে দ্রুত পুলিশকে ও ওই দফতরে জানাতে হবে। কেউ যেন প্রতারকদের ফাঁদে পা না দেন, সেই বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে আমজনতাকে।

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই