‘অযোগ্য’দের নিয়ে ইন্ডোরের সভা থেকে কী বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরিহারা প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর সঙ্গে সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে যেমন ‘যোগ্যদের’ দু’মাসের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন, তেমনই অযোগ্যদের নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন। যাদের গায়ে ‘অযোগ্য’ বলে তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা সত্যি অযোগ্য নাকি রাজনৈতিক ফায়দা লাভের উদ্দেশে ‘যোগ্য-অযোগ্য’ তত্ত্ব সামনে আনা হয়েছে তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সে বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

এদিন নেতাজি ইন্ডোরের সভায় তিনি বলেন, ‘আগে যোগ্যদের বিষয়টি মিটে যাক। তার পর যাদের ‘অযোগ্য’ বলা হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কী কী তথ্য আছে আমি দেখব। আপনাদের সঙ্গেও কথা বলব। কিন্তু যদি সত্যিই অযোগ্য বলে প্রমাণিত হন, তখন কিন্তু আমার আর কিছু করার থাকবে না। কাকে কেন অযোগ্য বলা হয়েছে, কে তদন্ত করেছে, আলাদা করে সেটা দেখতে হবে। আলাদা করে সেটা নিয়ে আমি কথা বলব। সকলে নিশ্চিন্তে থাকুন।’ একই সঙ্গে ‘যোগ্য-অযোগ্য’ তত্ত্বের ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে বিবাদে না জড়ানোরও অনুরোধ জানিয়েছছেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘যোগ্য-অযোগ্য বলে গোলমাল লাগাবেন না। নিশ্চিন্ত ভাবে আপনারা শিক্ষা দিন, শিক্ষিত করুন।’

এদিনের সভায় যোগ্যদের দু’মাসের মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা যোগ্য তাঁদের চাকরি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।আমরা দু’মাসের মধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা করে দেব। যোগ্যদের কারও চাকরি বাতিল হবে না। যাঁরা যোগ্য তাঁদের চাকরি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই পুরোটা করব।’ পাশাপাশি চাকরিহারাদের আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কর্মস্থলে কাজ চচালানোর অনুরোধও জানান। তাঁর কথায়, ‘আপনাদের তো কেউ বরখাস্ত করেনি এখনও পর্যন্ত। কোনও নোটিশ পেয়েছেন? আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি না প্রমাণ করতে পারলে কেউ আপনাকে তাড়াতে পারে না।’ যোগ্য-অযোগ্যদের বিষয়টি নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের কাছে আমরা ব্যাখ্যা চাইব। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার আগে আমাদের জানতে হবে, যাঁরা স্কুলে পড়াতেন, তাঁদের জন্য আদালতের ব্যাখ্যা কী? স্কুল কে চালাবেন? বাকি কাজ কে চালাবেন? কাউকে না খাইয়ে মারার অধিকার তো কারও নেই। চাকরি দিতে পারবেন না, আমার অনুরোধ তাঁরা যেন চাকরি কেড়ে না নেন। শিক্ষা দফতর যা করার করবে।’

মুখ্যমন্ত্রী এদিন অভিযোগ করেন, ‘২০২২ থেকে খেলা শুরু করেছিল। নোংরা খেলা। সুপ্রিম কোর্ট এখনও জানাতে পারেনি কারা যোগ্য, কারা অযোগ্য। আইনে বলা আছে, একজন নিরাপরাধী্ও যেন শাস্তি না পায়।অথচ এক সঙ্গে এতজনের চাকরি চলে গেল।’ তিনি যে কারও চাকরি কেড়ে নেওয়া কিংবা খাওয়ার পক্ষে নন, তার উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি আমি জীবনে জেনে শুনে কারও চাকরি খাইনি। তাই অনেক বদহজম হওয়া সত্ত্বেও সিপিএমের কারও চাকরি খাইনি। আমি বেঁচে থাকতে কোনও যোগ্যদের চাকরি কেড়ে নিতে দেব না।’ চাকরিহারাদের যন্ত্রণার তিনিও যে শরিক তা উল্লেখ করে মমতা বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো শোকে কাতর।’ যোগ্যরা যাতে সসম্মানে চাকরি ফিরে পান তার জন্য নতুন করে আইনি লড়াই শুরু করা হচ্ছে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চাকরিহারা যোগ্যদের জন্য আইনি লড়াই লড়বেন অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, কপিল সিব্বল, প্রশান্ত ভূষণ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাকেশ দ্বিবেদীরা।’

বিয়ের চারবছরের মাথায় বিচ্ছেদ বঙ্গতনয়ার, স্বামী সুরজের সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণা মৌনির

১.৩২ লাখের পোশাকে কানের মঞ্চে তারা সুতারিয়া, ফ্যাশনে ঝড় তুললেন নায়িকা

অযোধ্যায় জমি কিনলেন বড় পর্দার ‘রাম’ রণবীর, কত দাম পড়ল?

ভিডিও কলে বলেছিলেন ‘শেষবারের মতো তাকাও’, তারপর যা ঘটল তা কল্পনারও বাইরে

কিউআর মেনু থেকে নম্বর চুরি, মধ্যরাতে তরুণীর ফোনে এল যে বার্তা…

৪ কোটি টাকায় বিলাসবহুল গাড়ি কিনলেন শাহরুখ খান

ডায়ালিসিস ও ইনসুলিন থেকে মিলতে পারে মুক্তি, নতুন দিশা দেখাল দিল্লির AIIMS

টানা ৭-৮ ঘন্টা পড়াশোনা, কোন মন্ত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় পুরুলিয়ার সৌমিক?

হিমাচল বাদে ১৬ রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে স্পিকার পদে রথীন্দ্রনাথ বসু, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, প্রথম দশে ৬৪ জন

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে নির্ধারিত শব্দ বিধি মানতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম শ্রীরামপুরের মেঘা, ভবিষ্যতের জন্য কী পরিকল্পনা?

শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা, ঠাঁই পেলেন বৈভব সূর্যবংশী