আদালতের রায়ে চাকরি বেঁচে যাওয়ায় হাইকোর্ট চত্বরে অকাল হোলিতে মাতলেন শিক্ষকরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে লড়াই করেছে। তাদের সংসারে অশান্তি ছিল। জীবনে অশান্তি ছিল। কিন্তু বিচার ব্যবস্থার প্রতি ভরসা ছিল। একসাথে থেকে যে লড়াই আমরা লড়েছি, অবশেষে সত্যের জয় হয়েছে। বুধবার হাইকোর্টের(High Court) ডিভিশন বেঞ্চের রায় প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বহাল থাকার পর এই প্রতিক্রিয়া দেন আন্দোলনকারী শিক্ষক শিক্ষিকারা। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তারা জানান, তাদের জীবনে যে রঙ হারিয়ে গেছিল তা আবার ফিরে আসবে। এই রায় বের হওয়ার পর জেলায় জেলায় আবির খেলায় মেতে ওঠেন চাকরি ফিরে পাওয়া শিক্ষক শিক্ষিকারা। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় যে পক্ষপাতদুষ্ট ছিল ডিভিশন বেঞ্চের রায় তা প্রমাণিত হল এমনটাই মন্তব্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

বুধবার সকাল থেকে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের দিকে নজর ছিল গোটা রাজ্যের। গত ২০২৩ সালে মোট ভর্তি হাজার শিক্ষকের নিয়োগের বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল সিঙ্গেল বেঞ্চে। তবে চোখে মুখে উৎকণ্ঠা নিয়ে সকাল থেকে হাইকোর্টের বাইরে হাজার হাজার যে শিক্ষক-শিক্ষিকারা জড়ো হয়েছিলেন তাদের মনের মধ্যে আশা ছিল যে তাদের জয় হবে। দীর্ঘ দুবছর ধরে তারা যে লড়াই করে গিয়েছিলেন সেই লড়াইয়ে জয় পেতেই উচ্ছ্বাস আর আনন্দে হাইকোর্টের বাইরের চত্বরে তারা মেতে ওঠেন। কেউ কেউ আবার কান্নায় ভেঙে পড়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন।

এক শিক্ষক প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান, দু’বছর ধরে সমাজের সঙ্গে সংসারের সঙ্গে যে লড়াই করেছি আজ মনে হচ্ছে সত্যি এই জয়, সত্যের জয়। অপর এক শিক্ষক জানান অনেক বাসে ট্রেনে উপহাস শুনতে হয়েছে।  ২৬ হাজার গেছে এবার ৩২ হাজার যাবে। কিন্তু হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ প্রমাণ করল সত্যের জয় হয়। শিলিগুড়ি থেকে নদিয়া, হুগলি থেকে বর্ধমান সর্বত্র অকাল হোলি খেলাতে বুধবার মেতে ওঠেন প্রাথমিকের শিক্ষক শিক্ষিকারা।এদিন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেওয়ার সময় বলে, কিছু নিয়মে অনিয়ম হয়েছে । কিন্তু তার জন্য সবার চাকরি বাতিল করা উচিত বলে মনে করছে না আদালত। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রাথমিক স্কুলের ৩২ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিল করে দিয়েছিলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে প্রাথমিকে প্রায় ৪২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়াতে বেনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছিল। এরপর ২০২৩ সালের মে মাসের ১২ তারিখ ওই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চাকরি হারিয়েছিলেন ৩২ হাজার প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়(Ex Justice Avijit Gangopadhay) নির্দেশ দিয়েছিলেন চাকরি বাতিল হলেও ওই শিক্ষকেরা স্কুলে যাবেন ।তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে রাজ্যকে। সেখানে যোগ্য এবং উত্তীর্ণদের চাকরি বহাল থাকবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? প্রতিদিন মেনে চলুন এই ৮ নিয়ম

সকালে উঠেই হাত-পা অবশ, কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, স্ট্রোকের লক্ষণ নয় তো?

৩৬৪ দিনই জলের নিচে বিগ্রহ, কেরলমের এই মন্দির ঘিরে রয়েছে বিস্ময়কর কাহিনি

আজকের রাশিফল: কাউকে টাকা ধার দেওয়ার আগে সাবধান থাকবেন কারা?

পঞ্জাবকে হারিয়ে আইএসএলে জয়ের হ্যাটট্রিক মোহনবাগানের

কলার খোসা ফেলে না দিয়ে বাড়িতেই বানান প্রাকৃতিক হেয়ার টনিক

রাশি বদল দেবগুরু বৃহস্পতির, জানুয়ারি পর্যন্ত টাকার জোয়ারে ভাসবে ৩ রাশি

গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা জানতে পেরে জোর করে গর্ভপাত, বেঘোরে প্রাণ গেল গৃহবধূর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষতা পদক পেলেন রাজ্যের আট পুলিশ আধিকারিক

অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে ১১ বছর পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

বাড়িতে মধুচক্র-মাদকের আসর বসানোর দায়ে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি

ইনস্টাগ্রাম আইডি চেয়ে না পেয়ে মাঝরাস্তায় শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেফতার দুই

CAA-তে আবেদনে আর লাগবে না বাংলাদেশি প্রমাণপত্র! বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম টেস্টে ধরাশায়ী টাইগাররা, চার দিনেই শেষ খেলা