গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা জানতে পেরে জোর করে গর্ভপাত, বেঘোরে প্রাণ গেল গৃহবধূর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঁচি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন ‘বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও’ এর শ্লোগান তুলেছেন, ঠিক তখনই লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে। পুত্র সন্তানের আকাঙ্খা ছিল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের। তাই অবৈধভাবে গৃহবধূর গর্ভস্থ ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর তাতেই ধরা পড়ে পরিবারে আসতে চলা নয়া সদস্য পুত্রসন্তান নয়, কন্যা সন্তান। তা জানতে পেরেই জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়েছিল। আর সেই গর্ভপাত করানোর সময়েই বেঘোরে প্রাণ গেল ২৪ বছর বয়সী গৃহবধূর। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামী, একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক, ওই কেন্দ্রের এক কর্মী এবং একজন নার্সকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ধানবাদ পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধানবাদের শ্যামডিহ চকের বাসিন্দা সোনু কেওয়াতের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল কিরণ কুমারীর। বিয়ের পর থেকে স্বামী সোনু কেওয়াত ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন কিরণকে পুত্রসন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করেছিল। সম্প্রতি গর্ভধারণ করেন কিরণ। গর্ভস্থ ভ্রুণ পুত্র নাকি কন্যাসন্তান তা জানতে লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য কিরণকে পরীক্ষা করাতে রাজি করান। শ্যামডিহ চকের ‘সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় কন্যাশিশু হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে কিরণকে গর্ভপাত করাতে বাধ্য করা হয়। তাঁকে শ্যামডিহ চকেরই একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। গর্ভপাতের সময় কিরণের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মেয়ের অকালমৃত্যুর পরে পুলিশের কাছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন কিরণের বাবা রাজেন্দ্র কেওয়াত। তিনি অভিযোগ করেন, ওই বেসরকারি ক্লিনিকটিতে গর্ভপাতটি যথাযথভাবে করা হয়নি এবং কোনও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না।’ তদন্তে নেমে পুলিশ কিরণের স্বামী সোনু কেওয়াত, ‘সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর পরিচালক শচীন কুমার কেওয়াত, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মী বিজয় গোস্বামী এবং শহীদ নির্মল মাহাতো মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের (এসএনএমএমসিএইচ) নার্স সুলোচনা দেবীকে গ্রেফতার করে। আদালতে পেশ করা হলে চারজনকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। কিরণের শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবর-ভগ্নিপতি, ননদ-জা সহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনকে খুঁজছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষতা পদক পেলেন রাজ্যের আট পুলিশ আধিকারিক

অস্ট্রেলিয়াকে দুরমুশ করে ১১ বছর পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা

নিরামিষের বদলে চিকেন বিরিয়ানি! এয়ারপোর্টে হুলস্থূল কাণ্ড

বাড়িতে মধুচক্র-মাদকের আসর বসানোর দায়ে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি

টেস্টে নয়া মাইলফলক স্পর্শ কাগিসো রাবাদার, দ্রুততম ৩৫০ উইকেটের মালিক

৪ ছটাক জমির জন্য কাকিমাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুন করল ভাইপোরা

লিফট ব্যবহারে ‘না’, কংক্রিটের ভারী চাঙর মাথায় সিঁড়ি বেয়ে ২১ তলায় উঠলেন শ্রমিক

ইনস্টাগ্রাম আইডি চেয়ে না পেয়ে মাঝরাস্তায় শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেফতার দুই

গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা জানতে পেরে জোর করে গর্ভপাত, বেঘোরে প্রাণ গেল গৃহবধূর

‘জ্ঞানেশ কুমার ‘গদ্দার’, পদ ছাড়তেই হবে’, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে তোপ খাড়গের

‘ছোট আঙারিয়া থেকে নন্দীগ্রাম, সব মামলার ফাইল খুলব,’ সিপিএমকে নিশানা শুভেন্দুর

CAA-তে আবেদনে আর লাগবে না বাংলাদেশি প্রমাণপত্র! বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে প্রথম টেস্টে ধরাশায়ী টাইগাররা, চার দিনেই শেষ খেলা

ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসেই দিনের পর দিন নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন! অভিযুক্ত পুলিশকর্তা