রাজ্যবাসীকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর চিনিয়েছিলেন সাধন পাণ্ডে

২০১১ সালে পরিবর্তনের পরে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঁপে ছিলেন সাধন পাণ্ডের হাতে। কার্যত এক দশকের এই সময়ে তিনি এই দফতরের খোলনলচে বদলে রেখে তো দিয়েই ছিলেন, সেই সঙ্গে আমজনতার কাছে এই দফতরের দরজাও খুলে দিয়েছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলায় যে ক্রেতা সুরক্ষা নিয়ে কোনও দফতর আছে সেটাই জানতেন না বাম জমানার মানুষেরা। ২০১১ সালে পরিবর্তনের পরে এই অচেনা অথচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ দফতরকে আমজনতার কাছে তুলে ধরার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঁপে ছিলেন সাধন পাণ্ডের হাতে। কার্যত এক দশকের এই সময়ে তিনি এই দফতরের খোলনলচে বদলে রেখে তো দিয়েই ছিলেন, সেই সঙ্গে আমজনতার কাছে এই দফতরের দরজাও খুলে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পরে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরকে আর কোনও মন্ত্রী এতটা আমজনতার কাছে তুলে ধরতে পারেননি। তাঁর উদ্যোগেই রাজ্যের বহু বাসিন্দা ক্রেতা সুরক্ষা দফতরে এসে তাঁদের অভিযোগ জানিয়েছেন ও সুবিচার পেয়েছেন। সাধনবাবু আজ না থাকলেও তাঁর এই কাজ কিন্তু রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এক মাইল স্টোন হিসাবে থেকে গেল। অনেকেই এদিন কিন্তু স্বীকার করছেন, বাংলার মানুষকে  ক্রেতা সুরক্ষা দফতর চেনানোর অসাধ্যসাধন কাজ করছিলেন সাধন পাণ্ডে।

২০১১ সালের রাজ্যে ক্ষমতাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে নেতৃত্বে যে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল, তাতে স্থান পেয়েছিলেন সাধন পাণ্ডে। সেই সময়ই তাঁকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেন মমতা। ১৯৯৯ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এই দফতরের জন্ম হয়। সেই সময় থেকেই কৃষি ও কৃষি বিপণন দফতরের সঙ্গেই কাজ করত এই দফতর। বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের হাতে থাকত ক্রেতা সুরক্ষা দফতরটি। কিন্তু মমতা ক্ষমতায় এসেই ক্রেতা সুরক্ষার বিষয়টিকে পৃথক দফতরের হাতে দেন। দায়িত্ব দেওয়া হয় বর্ষীয়ান রাজনীতিক সাধনকে। সেই সময় পর্যন্ত রাজ্যের মানুষের স্পষ্ট কোনও ধারণাই ছিল না এই দফতরের ব্যাপারে। প্রথম থেকেই তাই কড়া হাতে কাজ শুরু করেছিলেন সাধনবাবু। রাজ্যের মানুষ কোনও পণ্য কিনে প্রতারিত হলে সহজেই যাতে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ছিল এই দফতরের কার্যকারিতা, প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের কথা বিজ্ঞাপন আকারে তুলে ধরার ব্যবস্থা করেছিলেন। কলকাতার মেটড়ো স্টেশনের টিভিতে বিজ্ঞাপন থেকে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন, এফএম রেডিও চ্যানেলে বিজ্ঞাপন এমনকি দফতরের নিজস্ব ওয়েবসাইটের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি।

কলকাতায় থাকা দফতরের খোলনলচে বদলে ফেলার পাশাপাশি জেলাস্তরে থাকা ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগের বিভিন্ন শাখাকেও সক্রিয় করে তোলেন তিনি। এমনকি আইন পড়ুয়ারাও এই দফতরের অভিযোগের শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তাঁর আমলেই। গত বছর জুলাই মাসে সাধন অসুস্থ হওয়ার পর ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্বে পান সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৪ নভেম্বর তাঁর প্রয়াণের পর সেই দায়িত্বে আছেন মানস ভুঁইয়া ও প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। সাধনবাবুর এই উদ্যোগ নিয়ে এদিন রাজ্যের আরেক প্রবীণ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘উপভোক্তা দফতর নিয়ে রাজ্যে মানুষের কোনও ধারনাই ছিল না। যদি কোনও বিক্রেতা আপনাকে ঠকায় তাহলে আপনি কী করবেন, কোথায় যাবেন? কীভাবে প্রতিলার পাবেন, এসব কিছুই জানতেন না আমজনতা। সাধনই দেখিয়েছে ক্রেতাসুরক্ষা দফতরের রাস্তা। এই সচেতনতাটা সাধনই তৈরি করেছে। ওর কোনও ভয়ডর ছিল না।’

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা

নিলামের আগে ৬ কোটিতে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারকে হায়দরাবাদ থেকে কিনল চেন্নাই