Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...

দৈনিক মাথাপিছু জল ব্যবহারের বিধিতে বন্দি হল নিউটাউন

অদূর ভবিষ্যতেও নয়, মাত্র ৩০ মধ্যেই বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দাদের মিষ্টি পানীয় জলের সঙ্কটের মুখে পড়তেই হবে। শুধুমাত্র নিউটাউনের বুকে জলবিধি আরোপ করে এই সমস্যার আদৌ কোনও সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বার বার সতর্ক করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। আর তা রাজ্যজুড়েই বলবৎ করার আর্জিও জানাচ্ছিলেন তাঁরা। তবে গোটা রাজ্য জুড়েই তা বলবৎ করা না হলেও কলকাতার পাশেই গড়ে ওঠা নিউটাউনে তা বলবৎ হয়ে গেল। এবার থেকে নিউটাউনের স্থায়ী বাসিন্দারা দৈনিক মাথাপিছু ১২০ লিটার জলের বেশি ব্যবহার করতে পারবেন না। আর যাঁরা কর্মসূত্রে বা অন্য কারণে নিউ টাউনে আসেন, তাঁরা দৈনিক মাথাপিছু সর্বাধিক ৪০ লিটার পরিস্রুত জল খরচ করতে পারবেন। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘নিউটাউনের পুরনো এবং নতুন সব বাড়ির ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এমনিতে রুলস জারির পর থেকে তা কার্যকর হয়। কিন্তু ব্যবহারগত দিক যেগুলি থাকে, যেমন এই জল খরচের বিষয়টি, তা সবার ক্ষেত্রেই সমান ভাবে প্রযোজ্য।’

গত মাসেই ‘নিউ টাউন কলকাতা(বিল্ডিং) রুলস, ২০০৯’-এ জল ব্যবহারের উর্ধ্বসীমা নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করেছে রাজ্য সরকার। সেই সংশোধনী মেনেই এখন এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নিউ টাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা এনকেডিএ। তবে কীভাবে এই বিধি নিয়ন্ত্রীত হবে তা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। কেননা নিউটাউনের এক একটি বাড়ির জনসংখ্যা এক এক রকম। কোথাও একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাটে ২জন থাকেন, কোথাও ৪জন কোথাও বা তারও বেশি। সেক্ষেত্রে ওই সব বাড়িতে দৈনিক কত লিটার জল খরচ হচ্ছে তার হিসাব কীভাবে রাখা হবে, বা তা কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে কিংবা উর্ধ্বসীমার বেশি জল খরচ করলে বা করার প্রয়োজন পড়লে কী হবে সেই বিষয়ে নিউটাউনের অনেক বাসিন্দাই এখনও কিছু জানেন না। কলকাতা পুর এলাকায় বড় আবাসনের ক্ষেত্রে বাল্ক মিটারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হলেও তার ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া নেই। সেই হিসাবে ধরেই নেওয়াই হচ্ছে নিউটাউনে এবার প্রতিটি বাড়িতেই বাল্ক মিটার লাগানোর ওপরে জোর দেবে এনকেডিএ।

উল্লেখ্য পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন আগামী ৩০ বছরের মধ্যেই কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় তীব্র পানীয় জলের সংকট দেখা দিতে চলেছে যা কোনও ভাবেই এড়ানো যাবে না। এর মূল কারন যথেচ্ছাভাবে জলাভূমি ধ্বংস করে কংক্রিটের নির্মাণ গড়ে তোলা ও মাটির নীচেরকার জল চূড়ান্তভাবে অপচয় করা। এর জেরেই বৃহত্তর কলকাতার মাটির নীচে জলস্তর ক্রমশ নীচের দিকে নেমে চলেছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতেও নয়, মাত্র ৩০ মধ্যেই বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দাদের মিষ্টি পানীয় জলের সঙ্কটের মুখে পড়তেই হবে। শুধুমাত্র নিউটাউনের বুকে জলবিধি আরোপ করে এই সমস্যার আদৌ কোনও সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

অভিষেকের বাড়ির সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে ‘চোর চোর’, ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান, হতবাক পুলিশ

‘বেনোজল আটকাতে এখন বিজেপিতে যোগদান বন্ধ,’ স্পষ্টভাবে জানালেন শমীক

রিগিং করে দখল নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলালেন বিজেপি কর্মীরা

আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে দিল্লিকে ১৫৫ রানে বেঁধে রাখল চেন্নাই সুপার কিংস

তামিলনাড়ুতে চূড়ান্ত নাটক, কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ‘থলপতি’ বিজয়

বাংলায় ঐতিহাসিক জয়ের জন্য মোদিকে অভিনন্দন ট্রাম্পের

ভোটে ‘খড়কুটোর’ মতো উড়ে গেলেন একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ‘বিপ্লব’ দেখানো রাজন্যা

ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই জগদ্দলে চলল বুলডোজার

মমতার নিরাপত্তা হ্রাস করল কলকাতা পুলিশ, বাড়ির সামনে থেকে সরানো হল গার্ডরেল

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের উপর মার্কিন হামলায় নিহত ৫, আমিরশাহিতে ড্রোন হামলা ইরানের

কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি, সঙ্গে রাখুন ছাতা

করিমপুরে তৃণমূলের পার্টি অফিস ‘দখল’ কংগ্রেসের

‘পুশ ইন হলে ব্যবস্থা’, মোদি সরকারকে হুমকি বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রীর

‘আমার গায়ে রাজনৈতিক রং লাগাবেন না’, বিজেপি জেতার পরেই এমন কেন বললেন প্রসেনজিৎ?