চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ঝালদায় কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় আটক দাদা-ভাইপো

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাম্প্রতিককালে রাজ্যে হয়ে যাওয়া ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনে ৪টি পুরসভায় ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়া(Purulia) জেলার ঝালদা(Jhalda) পুরসভাও। সেখানে ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল(TMC) ও কংগ্রেস(INC) উভয়েই ৫টি করে ওয়ার্ডে জিতেছে। ২টি ওয়ার্ডে জিতেছে দুই নির্দল প্রার্থী। এরপর থেকেই সেখানে পুরবোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে কংগ্রেস ও তৃণমূল দুই দলই। এই বোর্ড গঠনের লড়াই এবঙ্গা শহরের পুরপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস এবং শহরের ৪ বারের কাউন্সিলর তপন কান্দু(Tapan Kandu)। ২ নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থন নিয়ে সেখানে তপনবাবুকে পুরপ্রধান করে বোর্ড দখলের ছক কষছিল কংগ্রেস। কিন্তু ঘটনাচক্রে রবি সন্ধ্যায় সেই তপনবাবুই খুন হয়ে গিয়েছেন দুষ্কৃতীদের হাতে। সেই খুনের ঘটনায় পুলিশ এবার আটক করল তপনবাবুরই দাদা ও ভাইপোকে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় রাজনীতি জড়িয়ে নেই। বরঞ্চ জড়িয়ে রয়েছে পারিবারিক বিবাদ।

যদিও পুলিশের এই দাবি মানতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury)। তাঁর দাবি, ঝালদা পুরসভা যাতে কংগ্রেস দখল করতে না পারে তার জন্যই তপনবাবুকে খুন করা হয়েছে। আর এই ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলই জড়িত। কেননা পুরনির্বাচনে জয়ী ২ নির্দল কাউন্সিলর কংগ্রেসকেই সমর্থন করতে রাজি হয়েছিলেন। তপনবাবুকেই পুরপ্রধান হিসাবে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর তাঁকেই খুন করে সেই প্রক্রিয়া ঠেকিয়ে দিল শাসক দল। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও অভিযোগ এই ঘটনায় যে রাজ্যের শাসক দলের অঙ্গুলি হেলনেই ঘটেছে তার সব থেকে বড় প্রমাণ তপনবাবুর দাদা ও ভাইপো পুলিশের হাতে আটক হওয়ার ঘটনা। ওই দাদারই ছেলে দীপক কান্দু এবারে ঝালদা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে তপনবাবুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিল। এখন বাপ-বেটা দুইজনই পুলিশের হাতে। অধীরবাবু এদিনই ঝালদায় যাচ্ছেন। একই সঙ্গে এই খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কংগ্রেস মঙ্গলবার অর্থাৎ আগামিকাল ১২ ঘন্টা পুরুলিয়া জেলাজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে।

অধীরবাবু যে অভিযোগই করে থাকুন না কেন, সোমবার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি এই খুনের ঘটনায় পারিবারিক বিবাদই জড়িয়ে রয়েছে। সেখানে বিন্দুমাত্র রাজনীতি জড়িত নেই। আর পুলিশও চূড়ান্ত নিরপেক্ষতার সঙ্গে তদন্ত করছে। সেই কারণে দীপক কান্দু তৃণমূলের প্রার্থী হলেও তাকে আর তার বাবাকে আটক করতে পুলিশ পিছুপা হয়নি। এই ঘটনার পিছনে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বিবাদের জেরেই সুপারি কিলার লাগিয়ে তপনবাবুকে খুন করা হয়েছে। তপনবাবুর দাদা ও ভাইপোর কথায় প্রচুর অসঙ্গতি থাকায় তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পরে থাকছে গ্রেফতারির সম্ভাবনাও।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘আমি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, গোটা সাঁজোয়া গাড়ি খেয়ে নেব,’ বিতর্কিত মন্তব্য অনুব্রতের

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

গ্যাসের সঙ্কটের জের, বড় মা’র অন্নকূট ভোগেও কাটছাঁট

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

বুথে যেতে অপরাগ! বাড়িতেই ভোট দিলেন শতায়ুরা, রয়েছে আবেদন বাতিলের অভিযোগও

মালদা টাউন স্টেশন থেকে ২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ