নিপা ভাইরাস নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর, আক্রান্ত হলে করণীয় কী?‌ জানুন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিপা ভাইরাস এখন বাংলায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই নার্স নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। বিপন্মুক্ত এখনও নন তাঁরা। তবে আগের থেকে এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। তাঁরা নিজেদের কর্মস্থল বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে নতুন করে আর কারও শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। এই আবহে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাসিন্দা ব্রাদার–নার্সকে গত পরশুই বের করা হয়েছিল ভেন্টিলেশন থেকে। আর পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার বাসিন্দা সিস্টার–নার্স এখনও কোমায় আচ্ছন্ন। আর ওই দুই নার্সের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ১৭১টি নমুনার মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৬৫টি নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এই খবর চাউর হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বঙ্গে।

এদিকে এই নিপা ভাইরাস নিয়ে রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও সুসংহত করতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ওই নির্দেশিকায় সংক্রমণের ঝুঁকি অনুযায়ী কন্ট্যাক্টদের শ্রেণিবিন্যাস, কোয়ারান্টিন, কেমো–প্রফিল্যাক্সিস, পরীক্ষা ও চিকিৎসা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন কন্ট্যাক্ট কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, কার ক্ষেত্রে কতদিন কোয়ারান্টিন থাকার কথা, তাঁদের কী পরিষেবা দেবে স্বাস্থ্য দফতর, কার কেমন চিকিৎসা হওয়া উচিত, কোন ওষুধ খেতে হবে রোগমুক্তি ও প্রতিরোধের জন্য সবই নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে এই নির্দেশিকা নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। চিকিৎসকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এইসব নিয়ে খোঁজ করতে শুরু করেছেন। আর নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিশ্চিত বা সম্ভাব্য নিপা আক্রান্ত রোগীর যে কোনও দেহরস এবং শ্বাসনালীর নিঃসরণের সংস্পর্শে এলে অথবা ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীর সঙ্গে বন্ধ জায়গায় থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ‘‌হাই রিস্ক’‌ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এই শ্রেণির উপসর্গহীন কন্ট্যাক্টদের জন্য ২১ দিনের হোম কোয়ারান্টিন বাধ্যতামূলক উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁদের প্রত্যেকদিন স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরদারির আওতায় থাকতে হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে নিপা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য।

এছাড়া রোগীর জামাকাপড়, বিছানার চাদর স্পর্শ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ‘‌লো রিস্ক’‌ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ২১ দিন তাঁর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। আর উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকেও দ্রুত আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করে পরীক্ষা করতে হবে। রোগীর পরিচর্যায় যুক্ত ব্যক্তিদের কেমো–প্রোফাইল্যাক্সিস বিবেচনা করা হবে। তাঁদের রাইবাভিরিন অথবা ফ্যাভিপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উপসর্গযুক্ত ও আরটি–পিসিআর পজিটিভ নিপা রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেমডিসিভিরের সঙ্গে রাইবাভিরিন বা ফ্যাভিপিরাভির ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে গাইডলাইনে। প্রতি পাঁচদিন অন্তর আরটি–পিসিআর পরীক্ষা করে দেখতে হবে রোগী নেগেটিভ হচ্ছেন কিনা। আর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’‌বার পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে, তবেই হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ মিলবে।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন