চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভবানীপুরে ৭৫ পল্লিতে এবার ‘বিনোদিনী’, দৃষ্টিকোণে রঙের ছোঁয়ায় সাজছে হাজরা পার্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ! কলকাতায় প্রথম থিয়েটার তৈরির সিদ্ধান্ত, গিরিশ ঘোষ টাকা জোগাড়ের দায়িত্ব দিলেন বিনোদিনীকে। ঠিক হল, বিনোদিনীর নামেই হবে থিয়েটার। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অবশেষে হাতিবাগানের কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে (অধুনা বিধান সরণি) তৈরি হল থিয়েটার। কিন্তু নাম রাখা হল স্টার। হল না ‘বিনোদিনী’ নাম। কারণ কী? তৎকালীন সভ্য সমাজের যুক্তি, বিনোদিনী একজন দাসি, তাঁর নামে থিয়েটারের নামকরণ হলে, বাবুরা কেউ থিয়েটারে আসবেন না। সেই আক্ষেপ নিয়েই পৃথিবী ছাড়তে হয় বিনোদিনী দাসিকে। যদিও নিজের আত্মজীবনীতে সেই আক্ষেপ-বঞ্চনার কথা লিখেছিলেন বিনোদিনী। কিন্তু তিনি সুবিচার পাননি। মাঝে কেটে গিয়েছে ১৪১ বছর। অবশেষে গতবছর তাঁর নামে স্টার থিয়েটারের নতুন নামকরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষমেষ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই মান্যতা পেলেন বিনোদিনী।

এবার বিনোদিনীর দীর্ঘ সেই সংগ্রামের কথা ভবানীপুর ৭৫ পল্লি। সামনেই পুজো, আর দুর্গা পুজোর বিখ্যাত হওয়ার কারণে কলকাতাকে বিশ্বের চোখে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার প্যান্ডেলগুলিতে থিমের কাজ শেষ প্রায়। প্রতিবারই থিমের বিষয়বস্তুতে নতুন কিছু তুলে ধরার পরিকল্পনা করেন কলকাতার বিখ্যাত পুজো ক্লাব গুলি। যাতে আমজনতার নিত্যদিনের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটানো যায়। এবং দর্শকদের আকর্ষণ করে। সেই মতো এবার ৬১তম বর্ষে ভবানীপুর ৭৫ পল্লি তাদের পুজোর থিমের নাম দিয়েছে ‘বিনোদিনী’। নেতাজি ভবন মেট্রো গেট থেকে বেরলেই মিলবে এই প্যাণ্ডেল। কিন্তু এই বিষয়বস্তু রাখার কারণ কী?

এই বিষয়ে অভিজিৎ নন্দী জানিয়েছেন, কাঠের বোর্ডের কাট-আউট, প্লাই, বাঁশ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। ঢোকার মুখে উপরে দু’দিকে গ্যালারি থাকছে। যেখানে গিরিশ ঘোষ, রামকৃষ্ণ ও বিনোদিনীর বড় বড় কাট-আউট লাগানো হবে। মায়ের মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পী পরিমল পাল। এদিকে হাজরা পার্কের থিম দৃষ্টিকোণ। মণ্ডপজুড়ে রঙের খেলা দেখানো হবে। পাশাপাশি সমাজের নানা স্তরকেও তুলে ধরা হবে। কুর্নিশ জানানো হচ্ছে নানা কালজয়ী সৃষ্টিকে। মণ্ডপের একাংশে রোজকার খেটে খাওয়া মানুষের জীবনী ফুটে উঠবে। তবে মা এখানে রণংদেহি নন। রঙের ভাবনায় তৈরি হয়েছে মাতৃমূর্তি। আর মায়ের সন্তানরাও ব্যস্ত নানা কাজে২৭ ফুটের দুর্গা মায়ের শাড়ির আঁচলে রঙ করতে ব্যস্ত পুত্র গণেশ। সরস্বতী ব্যস্ত আলপনা দিতে। লক্ষ্ণী একমনে প্যাঁচার গায়ে রং করছেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচনের আগে কলকাতা পুলিশের ডিসির বাড়িতে ইডি! কী কারণে তল্লাশি?

তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী, রবিবার কোন কোন জেলায় রয়েছে বৃষ্টির সম্ভবনা?

সুজাপুরে রোড শো’তে নজর কাড়লেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

মহিষাদলে সকলকে বের করে দিয়ে, ৯০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধার ভোট করানোর প্রতিবাদে জওয়ানদের ঘিরে বিক্ষোভ

রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে আয়কর হানা বেআইনি, চিঠি নির্বাচন কমিশনে

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের দিন গোটা বঙ্গে অস্বস্তিকর গরম থাকবে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ