চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

প্রতিদিন ইয়ারবাড ব্যবহার করছেন, জানেন এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী?

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে ঠিকই, তবে তার প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি এক ব্রিটিশ পুষ্টিবিদের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা, ওয়্যারলেস ইয়ারবাড কি দীর্ঘমেয়াদে আমাদের শরীরের ক্ষতি করতে পারে

আমেরিকার পুষ্টিবিদ জিব অ্যাটকিন্স সম্প্রতি দাবি করেছেন, নিয়মিত AirPods বা অন্যান্য ব্লুটুথ ইয়ারবাড ব্যবহার করলে তা ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ১২ এপ্রিল সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি EMF মিটার দিয়ে দেখান, কীভাবে ওয়্যারলেস ডিভাইস ব্যবহার করলে রেডিয়েশনের মাত্রা বেড়ে যায়। তার মতে, সমস্যাটা শুধু রেডিয়েশনের তীব্রতা নয়, বরং তার পুনরাবৃত্তি। তিনি বলেন, ছোট ছোট সিগন্যাল যদি দিনের পর দিন বারবার শরীরে প্রভাব ফেলে, তাহলে তা কোষের আচরণে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের মতো সংবেদনশীল অংশে এই প্রভাব বেশি হতে পারে। তিনি আরও জানান, মানুষের মস্তিষ্ক একটি ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সিস্টেম, যেখানে সূক্ষ্ম পরিবর্তনও দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। ২০১১ সালে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (IARC) এই ধরনের রেডিয়েশনকে গ্রেড 2B কার্সিনোজেন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, অর্থাৎ এটি সম্ভাব্যভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যদিও প্রমাণ এখনও সীমিত।

আরও পড়ুন: সর্ষে-ভাত খেয়েছেন? এইভাবে বানিয়ে দেখুন মুখে লেগে থাকবে সেই স্বাদ…

জিব অ্যাটকিন্স আরও কয়েকটি সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এই ধরনের রেডিয়েশন DNA তে পরিবর্তন আনতে পারে, শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়াতে পারে এবং ব্লাড ব্রেন ব্যারিয়ারকে দুর্বল করে দিতে পারে, ফলে ক্ষতিকর উপাদান মস্তিষ্কে প্রবেশের ঝুঁকি বাড়ে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি প্রাণীদের ক্ষেত্রে এমন প্রভাব দেখা যায়, তাহলে মানুষের ক্ষেত্রে একেবারেই হবে না, সেটা কীভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তবে এই দাবিগুলি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, বর্তমানে যে মাত্রার ব্লুটুথ রেডিয়েশন আমরা পাই, তা সাধারণ ব্যবহারে ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হয়নি। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।

যারা সতর্ক থাকতে চান, তাদের জন্য তিনি কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। তার মতে, সম্ভব হলে ওয়্যারড হেডফোন ব্যবহার করা ভালো। ফোন ব্যবহার করার সময় শরীর থেকে কিছুটা দূরে রাখা উচিত, কারণ দূরত্ব বাড়লে রেডিয়েশনের প্রভাব দ্রুত কমে। এছাড়া কিছু শিল্ডিং প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন, যা তার দাবি অনুযায়ী রেডিয়েশন কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতনতা এখন সময়ের দাবি। প্রতিদিনের অভ্যাসই ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এখন থেকেই সতর্ক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নিরাপত্তা ছাড়পত্রের গেরোয় স্টারলিংক, ভারতে অনিশ্চিত মাস্কের ইন্টারনেট পরিষেবা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, ২ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা কেন্দ্রের

অক্ষয় তৃতীয়ায় ৫ টাকায় এই জিনিস কিনলেই মিলবে সারা বছরের ধন-সম্পদ!

গরমে বদহজম থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া পানীয়, জানুন সহজ রেসিপি

PAN Card আবেদনের নিয়মে বদল, করতে হবে নতুন ৪ ফর্ম পূরণ

সকালের এই সাতটি অভ্যাসের ফলেই বাড়তে পারে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ