ভোটের কাজে যুক্ত না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সব সরকারি কর্মচারির ডিউটি পড়বে তাঁরা যদি তা না পালন করেন তাহ\লে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবে কমিশন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) নির্দেশের জেরে এখনও রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের(Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন(West Bengal State Election Commission)। কিন্তু তা করা না গেলেও ভোটকর্মীদের তালিকা তৈরির জন্য জোর তৎপরতা চলছে রাজ্যের সরকারি অফিসগুলিতে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোটকর্মীদের নাম পাঠানোর জন্য রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। প্রতিটি সরকারি অফিসে ভোটকর্মীদের(Government Employees) তথ্য ভাণ্ডার বা Database থাকে। তা দেখেই সংশোধিত PP-1 এবং PP-2 ফর্ম্যাটে অফিস এবং কর্মী সংক্রান্ত তথ্য আপডেট করে পাঠাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কমিশন থেকে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে বা যারা পঞ্চায়েত নির্বাচনে ডিউটি পড়ার পরেও সেই কাযে যোগ দেবেন না তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে কমিশন।  

আরও পড়ুন সাগরদিঘীতে কেন জমানত বাজেয়াপ্ত, বঙ্গ বিজেপিকে প্রশ্ন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মী ও শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠন নিয়ে গঠিত যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে তাঁদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের কাজে অংশ না-নেওয়ার কথা জানিয়েছে। মঞ্চের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে তাঁদের সমর্থকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ভোটের কাজের জন্য নাম না পাঠানোর জন্য লিখিতভাবে অনুরোধ করছেন। তবে সরকারি সূত্রের খবর, এরকম কোনও অনুরোধ রাখা হবে না। নির্বাচন কমিশন ভোটকর্মীদের তালিকা তৈরির পর কেউ কাজে যোগ না দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পথে হাঁটবে কমিশন। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভোট পরিচালনার কাজে যুক্ত হওয়ার জন্য তাঁদের সদস্যদের বলা হয়েছে। যদিও যৌথ মঞ্চের বক্তব্য, ভোটের কাজে যুক্ত না-হওয়ার কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার মোকাবিলা তাঁরা করবেন।

আরও পড়ুন ‘অন্তর্ঘাত’ হয়েছে সাগরদিঘীতে, মমতাকে রিপোর্ট দলের

লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বেশি ভোটকর্মী দরকার। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক হিসেবে, বুথ হবে প্রায় ৬৫ হাজার। ভোটকর্মীদের একাংশকে রিজার্ভে রাখতে হবে। সব মিলিয়ে শুধু বুথ পরিচালনার জন্যই ৩ লক্ষ ভোটকর্মী দরকার। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা এবং জেলার সরকারি অফিসগুলির স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রায় সব কর্মীরই নাম পাঠানো হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করবেন জেলা শাসক। সেই তালিকায় নাম ওঠার পরেও যদি কেউ ভোটের ডিউটিতে না যান তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কমিশন কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করতে পারে রাজ্য সরকারকে। তার মধ্যে সাসপেনশান, প্রমোশন আটকে দেওয়া, নানান সুযোগসুবিধা না দেওয়ার সুপারিশ থাকবে। সেই সঙ্গে ওই সব ব্যক্তিকে ভবিষ্যতেও আর কোনও দিন কোনও নির্বাচনের কাজেও যুক্ত করবে না কমিশন।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন