চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘দয়া করে কাজে ফিরুন আপনারা, আমি কোনও পদক্ষেপ করতে চাই না’, চিকিৎসকদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: আরজিকর কাণ্ডের(R G Kar Incident) প্রতিবাদে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি(Junior Doctors Strike) শুরু করেছিলেন ৯ আগস্ট। শুরুর দিকে তাঁদের সমর্থনই করছিলেন রাজ্যের অসংখ্য‌ মানুষ। এমনকী বহু রোগীর পরিজন ভোগান্তি সত্ত্বেও খোলাখুলি জানিয়েছিলেন, এ লড়াইয়ে তাঁরা জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে। কিন্তু কর্মবিরতি যখন সপ্তাহ ঘুরল, ১০ দিন পেরল, এমনকী ২ সপ্তাহও পার করে গেল—পরিস্থিতি হয়ে উঠল অসহনীয়। হাসপাতালে হাসপাতালে চড়কিপাক খেয়েও চিকিৎসা না পাওয়া, হতদরিদ্র রোগীদের মৃত্যু, গরিব মানুষের কান্নায় ধুয়ে গিয়েছে সেই জনসমর্থন। রাজ্য সরকার(West Bengal State Government), কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court) ও সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) অনুরোধকে দূরে ঠেলে বুধবার ১৯ দিনে পড়েছে কর্মবিরতি। কত মানুষ এই সময় রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা করাতে পারলেন না? সেই হিসেব কষেছে স্বাস্থ্যভবন। আর তাতেই চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! কারণ, হিসাব বলছে, প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ এই ১৮-১৯ দিনে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আর তারপরেই এদিন এল মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ। সঙ্গে অভয়বার্তাও।

আরও পড়ুন, উচ্চ প্রাথমিকের ১৪ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ছাড়পত্র দিল হাইকোর্ট

এদিন কলকাতার ধর্মতলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেখানেই তিনি জুনিয়র চিকিৎসকদের তাঁদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘জুনিয়র ডাক্তারেরা যখন দেশ জুড়ে আন্দোলন করছিলেন, আমরা কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিইনি। কারণ আমি মনে করেছিলাম ওদের আন্দোলনটা সংগত। ওরা ওদের বন্ধুর বিচার চাইছে। কিন্তু দিল্লিতে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এখনও পর্যন্ত যাঁরা কাজে যোগ দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু করবেন না। পরে এটা রাজ্যের ওপর ছেড়ে দিলাম। আজ কত দিন হল? আজকেও জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল রয়েছে। আমার তাঁদের প্রতি সমর্থন ছিল, আছে, থাকবে। তবে আমি বলব, আপনারা তো মানবিক। সুপ্রিম কোর্টও অনুরোধ করেছে সবাইকে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য। অনেক গরিব লোক চিকিৎসা না পেয়ে মারা গিয়েছে। গরিবেরা কোথায় যাবে? অনেক পরিষেবা আপনারা দেন। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আপনারা আন্দোলন করেছেন কিন্তু আমরা কোনও ব্যবস্থা নিইনি। কোনও ব্যবস্থা নেব না। কিন্তু এ বার আস্তে আস্তে কাজে যোগদান করুন। আমি কোনও পদক্ষেপ করতে চাই না।’

আরও পড়ুন, ‘আমরা শান্তি চাই, বিচার চাই, ওদের ডেডবডি চাই’, বিজেপিকে বিঁধলেন মমতা

এখানেই থেমে যাননি মমতা। তুলেছেন ফাঁসির দাবি। সঙ্গে জানিয়েছেন, রাজ্য বিধানসভায় বিল আনার কথাও। জানিয়েছেন, ‘আমরা দোষীদের শাস্তি চাই, ফাঁসি চাই। আজও জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ মিছিল রয়েছে। আমি চাই ওই মিছিল সফল হোক। ধর্ষণের মামলায় দোষীর ফাঁসির বিল আনব বিধানসভায়। তাতে রাজ্যপালকে সই করতেই হবে। না হলে রাজভবন ঘেরাও করবে বাংলার মহিলারা। টানা ধরনা চলবে। সিবিআই তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর এতদিন পেরিয়ে গেল। এখনও কিছুই হল না কেন? আমি পুলিশকে রবিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সিবিআইকে তদন্তভার দিয়ে কেসটা জলে ফেলে দেওয়া হল। ধর্ষণের শাস্তি ফাঁসি কেন হবে না? আমি চাই যে কোনও ধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের ফাঁসি হোক। আমি জানি রাজাবাবু কিছু করবেন না। যদি তিনি না করেন, তবে মেয়েরা রাজভবনে গিয়ে বসে থাকবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকবে। এই বিল সই করতে হবে। রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়ে দায়িত্ব সারলে হবে না। আপনার রাজভবনের এক জন মহিলা কর্মীকে নির্যাতন করেন। সেই মেয়েটা বিচার পায়নি।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরম বাড়লেও দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, উত্তরে চলবে দুর্যোগ

Super Saturday-তে ভোট প্রচারে হাওড়ায় মমতা, মুর্শিদাবাদে অভিষেক

ভোটারদের নিরাপত্তায় পোলিং বুথের চারপাশে ‘লক্ষ্মণ রেখা’ কাটবে কমিশন

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

ভোটের মুখেই বিধাননগরের সিপি বদল কমিশনের, সরানো হল মুরলীধরকে

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ