দক্ষিণবঙ্গে বন্যার প্রকোপে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো কোটি

রাজ্যের ১২টি জেলা পড়েছে বন্যার প্রকোপ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ। কৃষির ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুজোর মুখে বড়সড় বিপত্তির মুখে বাংলা(Bengal)। রাজ্যের ১২টি জেলা পড়েছে বন্যার(Flood) প্রকোপ। নবান্নের প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ(50 Lakhs People Effected) বন্যার প্রকোপে পড়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকা(Several Hundred Crore of Damage)। সব থেকে বেশি ক্ষতিসাধন হয়েছে কৃষির ক্ষেত্রে। পাশাপাশি ক্ষতিসাধন হয়েছে ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রেও। বন্যার জেরে বড় সড়ক থেকে গ্রামীণ রাস্তা—সবই জলমগ্ন হয়ে পড়ায় বহু ব্লকের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সরকারি হিসাবে এখনও পর্যন্ত ২০জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গতকাল থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। এদিনও তিনি বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। জেলা হিসাবে সব থেকে বেশি দুর্গত অবস্থায় রয়েছে হুগলি, হাওড়া এবং দুই মেদিনীপুর। এছাড়াও বীরভূম ও মুর্শিদাবাদেও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার একাংশও।

আরও পড়ুন, আর জি কর কাণ্ডে মিনাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করবে CBI, স্টেশন থেকেই সোজা CGO’র পথে বামনেত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার এলাকার বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের কথা রয়েছে। সেই পরিদর্শন সেরে তিনি কলকাতায় ফিরে বন্যায় মৃতদের পরিবারদের নিকটজনদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কিছু ঘোষণা করতে পারেন বলেই জানা গিয়েছে। ডিভিসির পাশাপাশি মুকুটমণিপুর থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হলেও তা যে একদমই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তা নয়। ফলে বন্যা দুর্গত এলাকা থেকে জল নামতে আরও অন্তত ১ সপ্তাহ সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নবান্নের আধিকারিকদের বেশি চিন্তা কৃষির ক্ষেত্রে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে। তাঁদের অনুমান, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায় বন্যার জেরে ধানের ক্ষতির পরিমাণই ৫০ কোটি টাকার আশেপাশে হবে। এর সঙ্গে থাকছে শাকসবজি ও ফুলচাষের ক্ষতি। জল নেমে গেলে সরকারি ভাবে সেই সব ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কৃষকদের মধ্যে যারা বাংলা শস্য বিমা যোজনার আওতায় আছেন তাঁরা ক্ষতিপূরণও পয়েছে যাবেন। তবে বন্যার জেরে মাটির বাড়ি থেকে পাকা বাড়ির যে সব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা কীভাবে মেটানো হবে সেই চিন্তায় রয়েছে রাজ্যের সরকারি আধিকারিকেরা।

আরও পড়ুন, সব জায়গায় নয় ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান, কড়া বার্তা ভাগবতের

বৃহস্পতিবার সকালে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলা থেকে বন্যার জল ইতিমধ্যেই নামতে শুরু করে দিয়েছে। আগামিকাল থেকে মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকেও জম নামার সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমা, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া মহকুমা, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমার জল নামতে আরও অন্তত ১ সপ্তাহ সময় লাগবে বলেই জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরে জেলায় এদিন থেকেই বন্যার জল হু হু করে ঢুকবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে এদিন থেকে নতুন করে কোন কোন এলাকা প্লাবিত হয় সেইদিকেও নজর থাকবে রাজ্য প্রশাসনের। বন্যার জেরে কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় উৎসব মরশুমে চালের পাশাপাশি সবজির দাম আবারও বাড়তে চলেছে। একই সঙ্গে ফুলের দামও বেশ ভালই চড়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বাংলার এই বিপদের দিনে কেন্দ্র সরকারকে পাশে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে না। যা কিছু করা হচ্ছে তা রাজ্য সরকারের তরফেই করা হচ্ছে। গতকাল বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আমজনতার সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের কাছে থেকে বেশ কিছু অভিযোগও তিনি পয়েছেন ত্রাণ বন্টন নিয়ে। সেই সব ভুলভ্রান্তি কাটিয়ে উঠে জেলা প্রশাসনগুলিও চেষ্টা চালাচ্ছে বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে থাকার।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন